ঈদের আনন্দ সবার হোক: রাষ্ট্রপতি

কাগজ অনলাইন প্রতিবেদক: দেশবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়ে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

তিনি বলেছেন, “ঈদ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ, সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন। শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যময় সমাজ গঠনে ঈদুল ফিতরের আবেদন চিরন্তন।”

- বিজ্ঞাপন -

সোমবার ঈদের সকালে বঙ্গভবনে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, “ঈদের আনন্দ নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীসহ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই ইসলামের মহান আদর্শ। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ- পবিত্র ঈদুল ফিতরে এ কামনা করি।”

ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় স্ত্রী রাশিদা খানম ও পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ছিলেন।

তিনি বলেন, “ইসলাম শান্তি-সম্প্রীতির ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির কোনো স্থান নেই। সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ইসলাম কখনো সমর্থন করে না। ইসলাম মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহাবস্থান, পরমত সহিষ্ণুতা, সাম্য মৈত্রীসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ধারণ করে।”

ঈদ উপলক্ষে আয়োজিত এই সংবর্ধনায় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এছাড়া অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, সংসদের প্রধান হুইপ আসম ফিরোজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মসিউর রহমান, অর্থ প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন বাংলাদেশে ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত আর্চ বিশপ জর্জ কোচেরি, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট, ভারতের হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা, শ্রীলঙ্কার হাই কমিশনার ইয়াসুজা গুনাসেকারাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

তিন বাহিনীর প্রধান, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উচ্চ পদস্থ বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তারাও বঙ্গভবনে এসেছিলেন।

এছাড়া সংসদ সদস্য, উচ্চ আদালতের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ, কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বঙ্গভবনের দরবার হলে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।