বৈশাখী শাড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সিরাজগঞ্জের তাঁতিরা

সিরাজগঞ্জ: বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করতে বৈশাখী শাড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুর উপজেলার তাঁত পল্লীর তাঁতিরা। বাহারি রঙ আর বিভিন্ন ছাপে কাপড়ে ফুটে উঠছে বাংলার চিরায়ত রূপ। এসব শাড়ি চলে যাচ্ছে দেশ ও দেশের বাইরে। তবে, তাঁতিরা বলছেন,পুঁজির অভাবে চাহিদা অনুযায়ী শাড়ি উৎপাদন করতে পারছেন না।

পহেলা বৈশাখকে আনন্দ মুখর ও রাঙিয়ে তুলতে বৈশাখী শাড়ী তৈরি করতে এখন ব্যস্ত রাতদিন সিরাজগঞ্জের বেলকুচি, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুর উপজেলার তাঁতিরা। বাঙালি নারীদের সাজাতে বৈশাখী শাড়ীতে রং আর ছাপে ফুটে উঠছে ঢাক-ঢোল, একতারা, হাতপাখা, কুলা, দোয়েল পাখিসহ বাংলার বিভিন্ন ঐতিহ্য। এসব শাড়ি এখান থেকে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি বিদেশেও।

- বিজ্ঞাপন -

কারিগররা জানান, অন্যান্য বারের তুলনায় এ বছর কাজের চাপ অনেক বেশি। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় লোক পাওয়া যাচ্ছে না।

এ বছর শাড়ির চাহিদা বেশি হলেও পুঁজির অভাবে পর্যাপ্ত শাড়ি উৎপাদন করতে পারছেন না বলে অভিযোগ তাঁত মালিকের।

সনি শাড়ির স্বত্বাধিকারী শামছুল হক বলেন, ‘সরকার আমাদের যদি ঋণ দিতো তাহলে আমরা আরো আগে থেকে আরো বড় করে কাজটা করতে পারতাম।

শিল্পটির আরো প্রসার ঘটাতে তাঁতিদের সহযোগিতা আশ্বাস দিলেন সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের জুনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিহাদ আল ইসলাম।

সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন তাঁত পল্লীতে তৈরি বৈশাখী শাড়ি সর্বনিম্ন একশ’ পঞ্চাশ টাকা থেকে তিন হাজার টাকায় পাইকারি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।