Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

একুশে গ্রন্থমেলার ব্যাপ্তি প্রশংসনীয় : মাকিদ হায়দার


প্রকাশঃ ২০-০২-২০১৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ২০-০২-২০১৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ

kobi-makidকাগজ প্রতিবেদক: বইমেলা ভালো লাগছে। আমাদের সময়ে মেলা ছিল বাংলা একাডেমিকে ঘিরে। এর ভেতরেই চেনা-জানাদের সঙ্গে বেশ আড্ডা হতো। একুশে ফেব্রুয়ারির দিন বাংলা একাডেমিতে কবিতা পাঠের আসর বেশ জমজমাট। এখন তো মাসজুড়ে বইমেলা সরগরম থাকে। মনে হয় পুরো ঢাকা শহরই উৎসবমুখর। আমাদের সেসব দিন আর আজকের এই বইমেলার ব্যাপ্তি নিঃসন্দেহে বিশাল পরিবর্তন। ইতিবাচক পরিবর্তন।

বইমেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে কবি মাকিদ হায়দার এভাবেই তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন।

মেলায় ঢুকেই বিশিষ্ট এই কবি জাগৃতির স্টলে বই দেখছিলেন। ফয়সাল আরেফিন দীপনের জন্য শোক প্রকাশ করে বললেন, তার জন্য একটা শোক বই থাকতে পারত মেলা প্রাঙ্গণে। সবাই নিজের মনের অনুভূতির কথা বলতেন। সম্মান জানানো যেত এভাবে। বাংলা একাডেমি তো এই উদ্যোগটা নিতেই পারে। আমরা বিস্মৃতিপ্রবণ জাতি। একজন মানুষ হারিয়ে গেলে ভুলতে সময় নেই না।

তবে তরুণ লেখকদের অপরিণত লেখা ও তাদের প্রস্তুতি গ্রহণের আগ্রহের অভাব ব্যথিত করে তাকে। দৈনিক বাংলায় আমার কবিতা কবি আহসান হাবিব ৬ বছর আটকে রেখেছিলেন, ছাপেননি। যখন মনে করেছেন পরিণত হয়ে উঠছি তখন ছেপেছেন। আমরাও তার সেই না ছাপানোর কারণে নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে চেয়েছি। এখন বই ছাপানো এত সহজ যে, সাহিত্য সম্পাদকরা যদি কবিতা না ছাপেন সেই লেখক নিজেই বই ছাপিয়ে ফেলেন। এটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। খুব দুঃখ লাগে লেখকরা পড়েন না। আমাদের তো আগেও রবীন্দ্রনাথ, পরেও রবীন্দ্রনাথ। শুধু যদি রবীন্দ্রনাথ পুরোপুরি পড়ত, তাতেও চলত। একটা বোধ তৈরি হয়ে যেত।

এবারের মেলায় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তাই মেলার নিরাপত্তা নিয়ে আমার কোনো শঙ্কা নেই।



পাঠকের মতামত...

Top