Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

আমার কাছে মেলা মানেই সম্ভাবনা : দিলতাজ রহমান


প্রকাশঃ ২৪-০২-২০১৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ২৪-০২-২০১৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ

8_r3_c5কাগজ প্রতিবেদক : বইমেলায় শুরু থেকে আসছি। দুয়েকদিন পরপরই মেলায় আসা হচ্ছে। ছোটবেলা থেকেই মেলায় আসি। আর একজন লেখক হিসেবে এখন তো অনিবার্যভাবে আসতে হয়। তাছাড়া, আমার কাছে মেলা মানেই সম্ভাবনা। মেলা মানেই বাঙালি সংস্কৃতির স্ফুরণ। ভালোই লাগছে এই জন্য যে, মেলা পেশাদারি হয়েছে। এ পর্যন্ত যত মেলা হয়েছে তার মধ্যে সবচাইতে ভালো আয়োজন হয়েছে এবার। দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী অংশে মেলা আসায় পাঠকরা স্বস্তিতে ঘোরাফেরা করে বই কিনতে পারছেন। এটা সময়ের দাবি ছিল। না বাড়িয়ে উপায় ছিল না। সে অর্থে ভালো লাগছে তো বটেই। তবে একটা বড় ত্রুটি হচ্ছে মাঝে মাঝে বেঞ্চের মতো করে একটু বসার জায়গা না করে।

মেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে কবি ও গল্পকার দিলতাজ রহমান এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন।

তিনি বলেন, এখন প্রচুর মানুষ বই না কিনলেও ঘুরতে আসে। দিনের যেমন পার্থক্য হয়েছে, তেমনি সবকিছুতে পার্থক্য এসেছে। মানুষ বেড়েছে। স্টল বেড়েছে। লেখক বেড়েছে। এখন আর ছোট্ট পরিসরের সেই মিলনমেলা হয় না। এখন মেলায় তারুণ্যের জয়ধ্বনি শুনতে পাই। আমরা তো এটাই চাই।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জোরদার হয়েছে বলে মনে করছেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে যে নজর দেয়া হয়েছে সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও মেলার ভেতরের শৃংখলা দেখে সেটা টের পাচ্ছি। এটা জরুরি। এতে কোনো ত্রুটি দেখছি না। বরং বেশি নিরাপত্তার কারণে আমরা একটু হিমশিমই খাই!

দিলতাজ রহমানের প্রথম বই বেরিয়েছিল ১৯৯৫ সালে। কবিতার বই। নাম ‘আশ্চর্য সর্বনাশ’। আর এবার একটি গল্প সংকলন বেরিয়েছে।

প্রথম বই প্রকাশের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রথম বই প্রকাশ হওয়ার আনন্দে জীবনের দৈনন্দিন অনেক ক্ষুদ্রতা চাপা পড়ে গেছে। এরচেয়ে এ সম্পর্কে বলার কিছু নেই।



পাঠকের মতামত...

Top