Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

আমাদের মনোজগৎ রাঙিয়ে দেয় এই মেলা : লুৎফর রহমান রিটন


প্রকাশঃ ২৫-০২-২০১৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ২৫-০২-২০১৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ

lutfur-rahaman-ritonকাগজ প্রতিবেদক: বইমেলা ভালোবাসি বলেই তো প্রতিবছর মেলার আগে ছুটে আসি সুদূর টরেন্টো থেকে। পুরো মাসই থাকব। মেলা শেষ করেই যাব। মেলার সঙ্গে থাকার অনুভূতিই অন্যরকম। পৃথিবীর অন্য বইমেলার সঙ্গে আমাদের বইমেলার কোনো তুলনা হয় না।

কারণ, সেই বইমেলাগুলো শুধুই বাণিজ্যিক, কিন্তু একজন বইপ্রেমী যখন অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আসেন, তখন তিনি তার ঠিকানা উপলব্ধি করেন। কে আমি, কোথায় যাব? কোথা থেকে এসেছি? সব উত্তর পাওয়া যায় এখানে। ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জড়িয়ে আছে আমাদের বইমেলায়। এই বইমেলা শুধু বই কেনা-বেচার মেলা নয়, আমাদের চেতনা নগরায়ণের মেলা। আমাদের মনোজগৎ রাঙিয়ে দেয় এই মেলা।

বইমেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে বিশিষ্ট শিশুসাহিত্যিক লুৎফর রহমান রিটন এ কথা বলেন।

লুৎফর রহমান রিটন বলেন, মেলায় শিশুদের জন্য প্রচুর বই আসছে। কিন্তু সব বই কি মানসম্মত। কি ধরনের বই আমরা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি? এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, ভুল বাক্যে, ভুল বানানে ঠাসা এসব বই রঙ-চঙে মোড়কে শিশুদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। এক ধরনের বেনিয়া প্রকাশকরা মুনাফার জন্য এই কাজ করছে। এতে কোমলমতি শিশুদের মানসিক বিকাশে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা এক ধরনের প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। শিশুদের বই প্রকাশের বিষয়টা একটা নীতিমালার মধ্যে আনা উচিত। শিশুদের বইয়ে ভুল থাকলে তারা ভুল শিখবে।

রিটন বলেন, মেলায় আমাদের অংশগ্রহণ বেড়েছে, লেখক বেড়েছে, বেড়েছে বইয়ের সংখ্যা। যত দিন যাচ্ছে মেলা তত বিকশিত হচ্ছে। বাংলা একাডেমির পাশাপাশি এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলা যাওয়াতে গাদাগাদি, ঠাসাঠাসি থেকে বইপ্রেমীরা মুক্তি পেয়েছেন। এতে মেলা বিভক্ত হয়েছে তা বলব না। মেলা মুক্তি পেয়েছে। সে সঙ্গে পাঠকরাও।

মেলার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। এবার তো অন্যবারের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর পরও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সতর্ক থাকতে হবে।

ছোটদের জন্য লিখছেন দুই হাত ভরে। এবারের বইমেলায় তার ৬টি বই এসেছে। উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘এই বইটা তোমার’, ‘রসগোল্লাটা কথা বলে’, ‘পত্রিকা হকার হতে চেয়েছিলাম’, প্রফেসর শঙ্কু এবং ইটি’ ইত্যাদি।



পাঠকের মতামত...

Top