Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

পাঠকের পদচারণায় মেলা পরিপূর্ণ : সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম


প্রকাশঃ ২৬-০২-২০১৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ২৬-০২-২০১৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ

sayed-manjurul-islamকাগজ প্রতিবেদক: এ বইমেলা দেখে আমি আনন্দিত। গত বছর হরতালের কারণে মেলা নিয়ে মানুষের মনে সংশয় ছিল, এবার তা নেই। তা ছাড়া অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের কারণেও মানুষের মাঝে সংশয় ছিল- নিষ্প্রাণ মেলায় পরিণত হয় কি না। কিন্তু সেসব সংশয় দূর করে মানুষ মেলায় আসছে। পাঠকের পদচারণায় মেলা পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ ভালো লেগেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ ভালো নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। প্রত্যাশা করি, এবার কোনো অঘটন ঘটবে না।

বইমেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম এভাবেই তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, গত শুক্রবার মেলায় এসেছিলাম। দেখি এত মানুষ এসেছে, তাদের অধিকাংশের হাতে বই। এটা আমার খুব ভালো লেগেছে। মানুষ বই কিনছে। আমরা যে আশঙ্কার কথা বলি- মানুষ বইয়ের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। বই পড়ার সংস্কৃতি জাতি হারিয়ে ফেলছে, বই কেনা দেখলে মনে আশা জাগে। আমাদের আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণিত করে মানুষ বই পড়–ক, এটাই তো সকলের চাওয়া।

বইমেলা নিয়ে বাংলা একাডেমির আরেকটি উদ্যোগ খুব ভালো, সেটা হচ্ছে শিশুপ্রহরের আয়োজন। ভবিষ্যৎ পাঠকদের জন্য বইমেলা কর্তৃপক্ষের এ উদ্যোগ প্রশংসা করার মতো। মেলায় এসে ঘুরেফিরে বই কেনার অভ্যাসটা ছোটবেলা থেকে গড়ে উঠছে, এটা আমাকে আশাবাদী করে তোলে।

তিনি বলেন, মেলার পরিধি বেড়েছে। বিন্যাস আকর্ষণীয় করার চেষ্টা চলছে। পরিধি বাড়ানোয় মানুষ একটু নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ পাচ্ছে। বইমেলা তো শুধু বই কেনার মেলা নয়, এটা আমাদের সাংস্কৃতিক মিলনমেলাও। তাই এখানে এসে সময় কাটানোর কিছু ব্যবস্থা থাকা জরুরি। মেলার একটা জিনিস ভালো লাগেনি, সেটা হচ্ছে ধুলা। এটাকে পানি ছিটিয়েই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সেটা কষ্টসাধ্য কোনো কাজ নয়। আরেকটি হচ্ছে মেলা মাঠে বিছিয়ে থাকা ইট, ছোট ছোট গর্ত।

দেখে মনে হয়, মেলা মাঠের পরিচর্যা করা হয়নি। হাঁটতে গেলে পদে পদে ঠোকর খেতে হচ্ছে। এসব অসুবিধা দূর করলে মেলা আরো সুন্দর, ছিমছাম হয়ে উঠবে।



পাঠকের মতামত...

Top