Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

মেলার স্টল বিন্যাসের দিকে নজর দিতে হবে : মাজহারুল ইসলাম


প্রকাশঃ ০১-০৩-২০১৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ০১-০৩-২০১৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ

8_rকাগজ প্রতিবেদক: মেলা তো ভালো লাগেই। এ ভালোলাগা প্রকাশক হিসেবে নয়, একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে মেলা আমাকে বেশ টানে। ওই ভালোলাগা আর প্রাণের মেলা তো আজ শেষ।

আবার এক বছরের প্রতীক্ষা। মেলার অসঙ্গতি প্রসঙ্গে আয়োজকদের শুধু এটুকু বলব, এর স্টল বিন্যাসের দিকে নজর দিতে হবে, মেলা আরো গোছানো এবং পরিপাটি হওয়া চাই। এর আলোকসজ্জাটা আরো স্বচ্ছ এবং ব্যাপক হওয়া উচিত।

কারণ বলা হয়ে থাকে বই জ্ঞানের মেলা। এই জ্ঞানের মেলাকে আরো আলোয় ভরিয়ে দিতে হলে আলোকসজ্জার দিকে নজর দিতে হবে। পাশাপাশি মেলার সময়ও বৃদ্ধি করা দরকার।

বইমেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে অন্যপ্রকাশের স্বত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম এভাবেই তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, আগে সাড়ে ৮টায় বন্ধ করে দেয়া হতো মেলা। এর আগে ৯টা পর্যন্ত মেলা চলত। এখন নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ৮টায় বন্ধ করা হচ্ছে।

এ সময়সীমা মেনে অনেকে আসতে পারছেন না। যারা অফিস করেন তারা অফিস শেষ করে মেলায় আসতে আসতে মেলা বন্ধ করার সময় হয়ে যায়। দিনের বেলা সময় বাড়িয়ে কোনো লাভ হয় না। অফিস শেষ করে পরিবারের সঙ্গেই মানুষ বই কিনতে আসেন।

আর নিরাপত্তার কারণটা খুব বড় কোনো কারণ হতে পারে না। যদি বাংলা একাডেমি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে তবে ভালো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান নেয়া যেতে পারে।

বাণিজ্যমেলা সারাদিন খোলা থাকে, রাত ১০টা পর্যন্ত চলে। সেখানে যদি নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব হয় বইমেলাতেও সম্ভব।

তিনি বলেন, বইমেলার স্টল বিন্যাস নিয়ে ভাবা দরকার। যারা এ ধরনের ইভেন্ট করে থাকেন প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ ডিজাইনারদের সঙ্গে নিয়ে এর বিন্যাস করা জরুরি। স্টল বিন্যাসে গুচ্ছ ব্যবস্থাটা সবার কাছে সমানভাবে কার্যকর না হওয়ায় অনেকের বই বিক্রি মার খেয়েছে।

অনেক প্রকাশক শুধু বইমেলার বিক্রির দিকে তাকিয়ে থাকেন, এই স্টল বিন্যাস তাদের ক্ষতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।

মাজহারুল ইসলাম আরো বলেন, মেলায় এবার চারশর বেশি প্রকাশক অংশ নিয়েছে। এত প্রকাশক কোথা থেকে এলো! যারা সত্যিকার অর্থেই প্রকাশক শুধু তাদের নিয়ে যদি মেলা পরিচালনা করা হতো তাহলে এত সমস্যাই থাকতো না। কারণ এসব ভুঁইফোড় প্রকাশকরাই বাজে বই, পাইরেটেড বই, ভুলে ভরা বই প্রকাশ করে।

সুতরাং প্রকাশনাকে যদি আমরা একটা মানে নিয়ে যেতে চাই তবে বাজে প্রকাশকদের ব্যাপারে কঠোর হতে হবে বইমেলা আয়োজক কমিটিকে।

এ বছর অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হুমায়ূন আহমেদের দুর্লভ ছবির অ্যালবাম ‘অনন্ত জীবন যদি’। এর ছবি তুলেছেন নাসির আলী মামুন। রয়েছে হরিশংকর জলদাসের উপন্যাস ‘একলব্য’, নাসরীন জাহানের উপন্যাস ‘নিঃসঙ্গতার পাহারাদার’, ইমদাদুল হক মিলনের ‘সেরা দশ গল্প’, সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল শওকত আলীর গণপরিষদ থেকে নবম জাতীয় সংসদ প্রভৃতি।



পাঠকের মতামত...

Top