Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, শনিবার, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ৮ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী

‘মেয়ের মুখের দিকে তাকালেই শিবলিকে মিস করি’


প্রকাশঃ ১৪-০১-২০১৭, ৪:০৫ অপরাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ১৪-০১-২০১৭, ৪:০৫ অপরাহ্ণ

top20170114152911কাগজ বিনোদন প্রতিবেদক: ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। ২০০৬ সালে ক্লোজআপ : তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’র দ্বিতীয় সিরিজের বিজয়ী হন সালমা।

তারপর রাতারাতি তারাকা খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। ২০১০ সালে দিনাজপুর-৬ আসনের সাংসদ শিবলি সাদিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এই সংগীতশিল্পী। বিয়ের ছয় বছর পর গত বছরের শেষের দিকে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়। সালমা-শিবলি দম্পতির স্নেহা নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

আগামীকাল রোববার (১৫ জানুয়ারি) সালমার জন্মদিন। এ উপলক্ষে আগামীকাল রাজধানীর একটি রেস্তরাঁয় একমাত্র কন্যাসন্তানকে নিয়ে ঘটা করে জন্মদিন পালন করবেন সালমা। এর আগে কখনো ঘটা করে জন্মদিন পালন করেননি তিনি। এবার শুধু মেয়ের জন্যই জন্মদিন পালন করতে যাচ্ছেন তিনি। রাইজিংবিডির সঙ্গে আলাপকালে এ প্রতিবেদককে এমনটাই জানান সালমা।

এ প্রসঙ্গে সালমা বলেন, ‘গত ১ ডিসেম্বর আমার মেয়ে স্নেহার জন্মদিন ছিল। দিনাজপুরে ওর আব্বুর সঙ্গে জন্মদিন পালন করেছে। তখন আমি ছিলাম না বলেই আমার জন্মদিনটা সেলিব্রেট করতে হচ্ছে। শুধু ওর জন্যই করা।’

স্নেহা এখন কোথায় থাকেন? এমন প্রশ্নের জবাবে সালমা বলেন, ‘স্নেহা আমার কাছেই থাকে। ওর যেখানে ভালো লাগবে সেখানেই যাবে। আমার কোন নিষেধ নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিয়ের পর কোনদিনই আমার জন্মদিন পালন করিনি। গত ২৯ ডিসেম্বর ১০ পূর্তি হয়েছে আমার গানের ক্যারিয়ারের। এর মধ্যে একবার জন্মদিন সেলিব্রেট করেছিলাম। আর এবার দ্বিতীয়বার জন্মদিন সেলিব্রেট করতে যাচ্ছি।’

তা ছাড়া এ অনুষ্ঠানে আমার কাছের মানুষদের দাওয়াত করেছি। সবাই আমার মেয়ে ও আমার জন্য দোয়া করে যাবেন। আমার মেয়েকে নিয়ে গানের সঙ্গে বাকি জীবনটা যাতে সুন্দরভাবে কাটাতে পারি। আর মন খারাপের কথা বলছেন? মন তো, মন থাকলে মন খারাপ হয়। অনুভূতিটা তো কমে যাবে না। আমি তো মানুষ। ফিলিংন্স আমারো আছে, থাকবে সারাজীবন। এ জন্যই তো বিয়ে-সাধী করব না। অনুভূতি এক জায়গায় থাকা ভালো দশ জায়গাতে না। বিয়ে করতে পারলে এতদিনে হয়ে যেত। কিন্তু আমি পারব না। কারণ আমি তাকে (শিবলি) ভালোবাসি।’

তিনি আরো বলেন, ‘মেয়ের মুখের দিকে তাকালে মিস (শিবলি) করি। মেয়ের মুখের দিকে তাকালেই ওর বাবার কথা মনে পড়ে।’

আপনাদের আলাদা থাকার বিষয় মেয়ে কিভাবে নিচ্ছে? উত্তরে সালমা বলেন, ‘মেয়েটা খুব চালাক। মেয়েটা মাঝে মাঝে আমাকে জিজ্ঞস করে- তুমি কবে যাবা। তখন ওকে মিথ্যে বলতে হয়। আমি ওকে বলে দিয়েছি- আমি কয়েকদিন পর যাব। আমি আমার মেয়ের জন্য সবকিছু করতে পারি।’

গানের কারণেই ঘর ভাঙল এমনটা দাবি করেছেন সালমা। সালমা-শিবলি সাদিকের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে গত ১৯ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ডিভোর্সের কার্যক্রম শেষ হয়।



পাঠকের মতামত...

Top