Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং | ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

খালেদার মামলার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি পিছিয়ে


প্রকাশঃ ৩০-০১-২০১৭, ৫:২৪ অপরাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ৩০-০১-২০১৭, ৫:২৪ অপরাহ্ণ

khalada-ziaকাগজ অনলাইন প্রতিবেদক: জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা পুনঃতদন্তের আবেদন নিয়ে আইনজীবীদের দীর্ঘ বিতণ্ডার পর খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন‌্য বৃহস্পতিবার দিন রেখেছে আদালত।

ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার জানিয়েছিলেন, মামলা পুনঃতদন্তের আবেদন নিয়েও ওইদিন আরও শুনানি হবে।

বিগত জরুরি অবস্থার সময় দায়ের করা এ মামলার বিচার কাজ চলছে ঢাকার বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে জজ আদালতের বিশেষ এজলাসে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা সোমবার বেলা ১১টার পর আদালতে পৌঁছালে মামলার আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজাক খান মামলাটি পুনরায় তদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি মুলতবির আবেদন করেন।

অন‌্যদিকে দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল এর বিরোধিতা করে বলেন, মামলার দায় থেকে পার পাওয়ার জন্য আসামিপক্ষ বার বার সময় চেয়ে বিচার বিলম্বিত করছে।

কাজল আদালতের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী খালেদার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শুরুর আবেদন করেন। অন‌্যদিকে খালেদার আইনজীবীরা মামলা পুনঃতদন্তের জন‌্য‌্য বিভিন্ন যুক্তি দেখাতে থাকেন।

বেলা পৌনে ২টার দিকে বিরতিতে যাওয়ার পর আড়াইটার দিকে আবার আদালত বসে। খালেদা জিয়া সে সময় আদালতকক্ষেই ছিলেন।

দুপুরের পর খালেদার আইনজীবী জয়নাল আবেদীন সময়ের আবেদন করলে দুদকের আইনজীবী এর বিরোধিতা করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ‌্যে তর্ক-বিতর্ক চলে বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত।

এরপর বিচারক দুই দিনের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন‌্য বৃহস্পতিবার দিন রেখে আদালত মুলতবি করেন।

পুনঃতদন্তের আবেদন নিয়েও ওইদিন বিস্তারিত শুনানি হবে বলে খালেদার অন্যতম আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান।

ওইদিন জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাতেও খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপনের দিন নির্ধারিত আছে।

বৃহস্পতিবার শুনানি চলার সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট মামলা দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলায় রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে দুদক ২০০৯ সালের ৫ অগাস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

তার পাঁচ বছর পর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করে খালেদাসহ ছয় আসামির বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

মামলার ছয় আসামির মধ‌্যে সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যাবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ গত ২৬ জানুয়ারি আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।

আর তলব করার পরও না আসায় খালেদার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সেদিন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেয় আদালত।

মামলার বাকি দুই আসামি সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান মামলার শুরু থেকেই পলাতক।



পাঠকের মতামত...

Top