Bhorer Kagoj logo
ঢাকা, সোমবার, ১৭ই জুন, ২০১৯ ইং | ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১৩ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

চারদিন কমার পর সূচক বাড়ল পুঁজিবাজারে


প্রকাশঃ ৩১-০১-২০১৭, ৬:২৪ অপরাহ্ণ | সম্পাদনাঃ ৩১-০১-২০১৭, ৬:২৪ অপরাহ্ণ

seyar-bazarকাগজ অনলাইন প্রতিবেদক: সপ্তাহের তৃতীয় দিনে দেশের দুই পুঁজিবাজারে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন।

টানা চার দিন সূচক কমার পর মঙ্গলবার বাড়ল সূচক।

এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৬৮ পয়েন্ট হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৯৫৬ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১০.৯৬ শতাংশ কম।

ডিএসইতে লেনদেনে থাকা ৩২৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৫টির, কমেছে ১২১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির।

অপর শেয়ার বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৯৩৮ পয়েন্ট হয়েছে।

সিএসইতে এদিন লেনদেন হয়েছে ৪৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিন থেকে প্রায় ৩০.৯৪ শতাংশ কম।

লেনদেনে থাকা ২৫৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৫০ টির, কমেছে ৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির দাম।

দীর্ঘদিন মন্দাভাবের পর গতবছরের শেষ দিক থেকে বাজারে তেজিভাব দেখা যায়। ২৪ জানুয়ারি সূচক পৌঁছায় ৫ হাজার ৭০৮ পয়েন্টে, যা এই সূচক গণনা শুরুর পর সর্বোচ্চ।

২০১৩ সালের ২৭ জানুয়ারি ডিএসইএক্স সূচক শুরুর সময় এ সূচক ছিল ৪ হজার ৫৬ পয়েন্ট।

এরপর বুধবার ডিএসইএক্স ৮৭ পয়েন্ট ও বৃহস্পতিবার প্রায় ৩ পয়েন্ট হারায়। সে সময় বাজার বিশ্লেষকরা একে মূল‌্য সংশোধন বলেন।
কিন্তু রোববার শেয়ার বাজারের সাম্প্রতিক উল্লম্ফন নিয়ে মুদ্রানীতিতে সতর্কবাণী আসার পর বড় দরপতন ঘটে। ডিএসইএক্স ১১৮ পয়েন্ট হারায়, সেই সঙ্গে কমে লেনদেন। সোমবারও সেই ধারা অব‌্যাহত থাকে।

এ বিষয়ে সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এইমস অব বাংলাদেশের সিইও ইওয়ার সাইদ বলেন, “আমাদের দেশের পুঁজিবাজারের শক্তি এবং দুর্বলতা দুটোই হচ্ছে আমাদের বিনিয়োগকারীর যখন মুনাফা হয় তখন সবাই ঝাঁপিয়ে পরে, আবার লোকসান হলে সবাই এক সাথে ভয় পেয়ে যায়। এক সাথে বাজার বেশি বাড়লে কমতেও পারে।”

তবে পুঁজিবাজারের গতিবিধি কী হবে তা বুঝতে আরেও চার পাঁচ দিনে লেগে যাবে বলেন মন্তব্য করেন তিনি।



পাঠকের মতামত...

Top