মা-মেয়ের ‘ধুলোর আকাশ’

শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

আমাদের মিডিয়া অঙ্গনে এমন অনেক তারকাই আছেন যারা এক সময় অভিনয় করতে করতে নিজেও নির্দেশনা দেন। কিন্তু ক’জনের সৌভাগ্য হয় নিজের নির্দেশনায় মা কিংবা বাবাকে অভিনয় করানোর। চলচ্চিত্রাভিনেত্রী অরুনা বিশ্বাসের সেই সৌভাগ্য হয়েছে। তার নির্দেশনায় তার মা যাত্রা অভিনয়শিল্পী জ্যোৎস্না বিশ্বাস আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। নাটকের নাম ‘ধুলোর আকাশ’।

এ নাটকটি রচনা করেছেন মান্নান হীরা এবং নির্দেশনা দিয়েছেন অরুনা বিশ্বাস। নাটকটিতে জ্যোৎস্না বিশ্বাস অভিনয় করেছেন ধুলোবুড়ি চরিত্রে। জ্যোৎস্না বিশ্বাস বলেন, ধুলোবুড়ি চরিত্রটি খুব ভালো লাগায় কাজটি করেছি। সময়টা আসলে এখন এমন মন থেকে যদি আগ্রহ না আসে তাহলে অভিনয় করি না। অরুনা আমার মেয়ে বলেই বলছি না, তার নির্দেশনা জ্ঞান খুব ভালো। আমার মনে হয় সে যদি নির্মাণে নিয়মিত হয় তাহলে আমাদের মিডিয়াকে আরো অনেক ভালো কিছু দিতে পারবে। অরুনা বিশ্বাস বলেন, আমার নির্দেশনায় মা বেশ কয়েক বছর আগে ‘বড় দিদি’ ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেছিলেন। ধুলোবুড়ি চরিত্রে আমি আমার মায়ের বিকল্প কাউকে ভাবতে পারিনি। অসাধারণ অভিনয় করেছেন আমার মা। আমার বিশ্বাস মায়ের অভিনয় সবার মধ্যে নতুন ভাবনার জোগান দেবে। আসছে একুশে ফেব্রুয়ারি এটিএন বাংলায় নাটকটি প্রচারিত হবে।

এদিকে আসছে ২০ মার্চ জ্যোৎস্না বিশ্বাস দেশের যাত্রাশিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পেতে যাচ্ছেন ‘বাবিসাস’ আজীবন সম্মাননা। জ্যোৎস্না বিশ্বাস এমনই একজন যাত্রাশিল্পী যিনি ‘চারনিক নাট্যগোষ্ঠী’র হয়ে তিন শতাধিক যাত্রাপালায় পাঁচ হাজার রজনীর বেশি রজনীতে অভিনয় করে দর্শককে যুগ যুগ ধরে মুগ্ধ করছেন। সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে জ্যোৎস্না বিশ্বাস বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য যাত্রাপালা ‘সিরাজউদ্দৌলা নির্মাণ করেন।

এ পালায় জ্যোৎস্না বিশ্বাস ঘসেটি বেগম এবং অরুনা বিশ্বাস আলেয়া চরিত্রে অভিনয় করে দর্শককে মুগ্ধ করেন। জ্যোৎস্না বিশ্বাস সর্বশেষ আফসানা মিমির পরিচালনায় এটিএন বাংলায় প্রচারিত ধারাবাহিক নাটক ‘পৌষ ফাগুনের পালা’তে অভিনয় করেন। এদিকে অরুনা বিশ্বাস অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘জীবনের গল্প’ এশিয়ান টিভিতে এবং ‘জয়িতা’ বৈশাখী টিভিতে নিয়মিতভাবে প্রচারিত হচ্ছে। জ্যোৎস্না বিশ্বাস ১৯৯৪ সালে উত্তম গুহের পরিচালনায় প্রথম টিভি নাটক ‘সহস্রধারা’তে অভিনয় করেন।

:: মেলা প্রতিবেদক

মেলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj