কবি ওমর আলী : নিভৃতেই চিরপ্রস্থান

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৫

** শ হী দ ই ক বা ল **

ষাটের দশক। বাংলা কবিতার উন্মনা কাল। ওমর আলী (১৯৩৯-২০১৫) সবকিছুর বিপরীতে তার কলমে চারিয়ে তোলেন ‘এদেশে শ্যামল রঙ রমনীর সুনাম শুনেছি,/ আইভি লতার মতো সে নাকি সরল, হাসি-মাখা;/ সে নাকি ¯œানের পরে ভিজে চুল শুকায় রোদ্দুরে,/রূপ তার এদেশের মাটি দিয়ে যেন পটে আঁকা’- ইত্যাকার মৃত্তিকাময় পংক্তি রচনা করে। কবিতার প্রতি আচ্ছন্নতা ব্যক্তিজীবনে তাঁকে নির্মোহ করেছে। জীবনের কোনো প্রতীক্ষাকে তিনি বরণ করেন নি। পাবনার সদর থানার নিজগ্রাম কোমরপুরে গত ৩ ডিসেম্বর তিনি প্রয়াত হয়েছেন। শুধু কবিতা নয়, বিরলপ্রজ শিক্ষক হিসেবেও তার সুনাম ছিল। বাংলার অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে সমান জনপ্রিয় তিনি, একাধারে তাঁকে কর্মযোগীও বলা চলে। তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব নানা পথ মাড়িয়ে নতুন প্রজন্মান্তরে পৌঁছে গেছে। কারণ, সততা-ন্যয়নিষ্ঠাই শুধু নয় নির্লোভ এবং সত্যসন্ধও ছিলেন তিনি। কিন্তু প্রশ্ন করি কেন ওমর আলীর প্রসিদ্ধি? কীভাবে তিনি কবিতাকে অনিবার্য করে তুলেছেন? কী তাঁর ঐশ্বর্য? ইতিহাসে তিনি কীভাবেই বা গণ্য হবেন? আরও নির্দিষ্ট চিহ্নায়নে বলি, এদেশে শ্যামল রঙ রমণীর সুনাম শুনেছি কোন প্রাচুর্য নিয়ে বাংলা কবিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কারণইবা কী প্রভৃতি। এ বিষয়গুলো আমাদের জানা বা অনুধাবন করা দরকার- বিশেষ করে বাংলাদেশের কবিতার চিহ্নিত ইতিহাস নির্ণয়ের ক্ষেত্রটিতে। কারণ, ইতিহাসের পৈঠায় সকলে দাঁড়াতে পারে না; কেউ তৎপর হলেও না। ওমর আলী আধুনিকতাকে ঐতিহ্যিক উপাদানে নিজস্ব এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এটি প্রবলভাবে তাঁর কবিতাকে অনুপ্রাণিত করে, নবচিন্তাধারার বিশেষত্বে ব্যঞ্জিত করে। বাংলাদেশের যশস্বী কবিরা তার প্রমাণও দিয়েছেন। স্বীকার্যেও এনেছেন।

২.

বিভাগোত্তর সময়ে বাংলাদেশের কবিতা পথ খুঁজতে থাকে। এ পথ খোঁজার বিষয়টি কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। যে পাকিস্তানের জন্য এদেশের মুসলমানদের এতো রক্তপাত, সেই পাকিস্তান নানাভাবে তাদের বিরুদ্ধেই হিং¯্র হয়ে উঠেছিল। শাসন-শোষণ-বৈষম্য গ্রাস করে ফেলল পূর্ব-বাংলাকে। সর্বোপরি তারা মায়ের ভাষার ওপর আঘাত করল। কবিরা কবিতা লেখেন যে ভাষায় তা পরাহত হলো। অগ্নিবর্ষী ভাষা আন্দোলন তখন সবকিছুর মীমাংসা করে দিল। বাঙালি জাতিচেতনার উন্মেষ থেকে শুরু করে সকল স্বাধীকারের ভেতরে সাংস্কৃতিক জয় ঘোষণা- এবং রাজনৈতিক সত্যটি প্রকাশ হয়ে উঠল। তারপর স্বতন্ত্র দেশ তৈরির জন্য এ অঞ্চলের মানুষ নিজেদের অনিবার্য করে ফেলে। বিষয়গুলো সাহিত্যকেও নতুন মাত্রা দেয়। সাহিত্যে নতুন স্ফ‚র্তি রচিত হয়। নতুন সত্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওমর আলীরা ফুলের গন্ধে, মাটির ঘ্রাণে, নদী-নারী-নিসর্গে জেগে ওঠেন। লিখতে পারেন অমোঘ সব পংক্তিমালা। কিন্তু অনেক কবির মধ্যে দ্বিধা ছিল। কারণ, ‘স্বপ্নে-পাওয়া’ পাকিস্তানের বুঁদ তাদের ছাড়েনি। কেউবা হয়ে উঠেছিলেন প্রচণ্ড সাম্যবাদী। প্রথমোক্ত ধারায় গোলাম মোস্তফা, ফররুখ প্রমুখ আর পরবর্তী ধারায় মহীউদ্দিন, সদরুদ্দীনসহ অনেকেই। পূর্ব-বাংলা তখন তীব্র মায়া আর সংগ্রামের উৎসবে প্রকৃত কবিদের হাতে উঠে আসতে শুরু করে। পঞ্চাশের মধ্যেই সবটুকু দ্বিধা কেটে যায়। আহসান হাবীব, শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, ওমর আলী কবিতার ভূমি পেয়ে যান। অপার উৎসবে মেতে ওঠেন। শ্যামল রঙা রমণী আর পূর্ব-বাংলা এক হয়ে যায়। গ্রাম আর গ্রামীণ নিসর্গ অপরূপ ছন্দে দ্বিধাহীনরূপে উঠে আসে, ওমর আলী থেকেই উদাহরণ দেওয়া যাক :

কুমারী আরো বেশী লাবণ্য কুমারী হবার আগেই

তার ললিত যৌবনের

ক্ষয় কিংবা নতি দেখতে শুরু করে

কিংবা অনেকেই

যুবতী হতে হতে আর যুবতী হয় না।

কিংবা,

নগরকান্দার শাহানারা শুয়ে চিন্তার ওপরে মাথা রেখে

তেলমাখা বালিশেই আলুথালু জন্মের প্রথম ভ্রæণগর্ভে ধরেছে,

অপরি®কৃত দেগে মৃত্তিকাগন্ধি তার শাড়িতে শস্যের ধুলো মেখে

কুণ্ঠিত জন্ম দিতে গিয়ে বুঝি কাঁঠালিয়ার

দেলোয়ারা অকালে মরেছে।

এভাবে উপর্যুক্ত উদ্ধৃতিতে ওমর আলী প্রচণ্ড অনুভবগ্রাহ্য ও নিসর্গপ্রেমী হয়ে ওঠেন। সৃজন করে মানবতাবাদী, লোকায়ত, সমন্বয়ী ধারা। এতেই কবি বিশ্বাস স্থাপন করেন। যা পরবর্তীতে অনেকের মতো কালজয়ী হয়ে ওঠে। কার্যত, কবিদের কোনো ঘরানা নেই। তারা চিত্তে চঞ্চল হন, প্রকৃতির সৌন্দর্যে আর মনের প্রাণনায়। অন্যান্য করি মতো ওমর আলীরও কোনো মোহ ছিল না। আজকের তিলোত্তমা ঢাকা ষাটের দশকে ছিল কবিতার শহর। কবিদের স্বপ্ন আর দ্বিধাহীন প্রণোদনা ছিল তাদের চিন্তার কেন্দ্র। ওমর আলী তখন লেখাপড়ার সূত্রে ঢাকায় থাকলেও খুব দ্রুত কবিতার স্বপ্ন বুকে নিয়েই কেন্দ্রে (আজকাল যাকে আমরা প্রান্ত বলি) চরে আসেন। বন্ধু-বান্ধব কিংবা প্রসিদ্ধি-খ্যাতি ছেড়ে ফিরে আসেন নিজ গ্রামে। এরপর প্রচুর কবিতা লেখেন। কবিতার ভেতরে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার অমোঘ উপলভ্য বাসনাকে পুঁতে দেন। বাংলাদেশের কবিতায় হয়ে ওঠেন অনিবার্য কবি- যিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে কবিতাকেই গ্রহণ করেন। ওমর আলীর কবিতা বিশ্লেষণে কিছু দিক আমাদের নজরে আসে। ক) লোকায়ত কণ্ঠস্বর, খ) আধুনিকতাকে দেশীয় কার্নিভালে নতুন বর্ণাভা দেওয়া, গ) বাংলা কবিতা ও বাংলাদেশের কবিতাকে মূল ¯্রােতধারায় বিনির্মাণের পথ করে দেওয়া, ঘ) গ্রামীণ বিচিত্র অনুষঙ্গকে এপিক-পরিকাঠামো প্রদান করা, ঙ) আমাদের সংস্কৃতির বিচিত্র উপাদানের সঙ্গে রমণী-প্রেম, মনুষ্য মানবিক অনুষঙ্গকে যুক্ত করা, চ) শেকড়ের বৃত্তটি চিনে নেওয়া, ছ) শব্দ-অলংকারে নতুন ¯্রােত রচনা করা- যেখানে ক্ল্যাসিক ধারাটির সম্প্রসারণ ঘটেছে, জ) ধ্বনি ও শব্দকাঠামোতে নিজস্বতার ভেতর দিয়ে আধুনিক দর্শনটি রচনা করা প্রভৃতি। এ প্রণোদনায় ওমর আলী আমাদের কবিতায় এখনকার জনপ্রিয় কবি আলমাহমুদের মতো, অন্যতম যুগন্ধর লোকায়ত কবিপুরুষ, চিরায়ত বাংলার মুখর কবি, অনুমান করি।

৩.

পূর্বেই বলেছি, লোকায়ত পরিকাঠামোকে নতুন নন্দনে চিহ্নিত করবার প্রয়াস আছে ওমর আলীর কবিতায়। সৃজিত ইমেজে গ্রামীণ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রূপলাবণ্যময়। কবি বোধে উত্থাপিত নন্দনভূমি আল মাহমুদের ধারায় পুনর্গঠিত। খ্যাতনামা রচনা এদেশে শ্যামল রঙ রমনীর সুনাম শুনেছি (১৯৬৭)-এর ‘একদিন একটি লোক’ কবিতায় তাঁর পূর্ণায়ত প্রকাশ :

একদিন একটি লোক এসে বললো, ‘পারো?’

বললাম, কি?’

‘একটি নারীর ছবি এঁকে দিতে,’ সে বললো আরো,

‘সে আকৃতি

অদ্ভুত সুন্দরী, দৃপ্ত, নিষ্ঠুর ভঙ্গিতে-

পেতে চাই নিখুঁত ছবিতে।’

‘কেন?’ আমি বললাম শুনে।

সে বললো, ‘আমি সেটা পোড়াবো আগুনে।’ কালীঘাটের পট অবলম্বনে কাইয়ুম চৌধুরীর করা প্রচ্ছদে-গ্রন্থটির কবিতায় বাংলার মাটি-প্রকৃতি ও নারীতে সীমিত, দৈনন্দিনতায়ও নারী-মনন যুক্ত; যেমন “হাসিনা”, “তোমাকে”, “যৌবনের প্রার্থনা এই”, “প্রাণের অঞ্জন তোমাকে দিলাম”, “তুমি তো সুন্দরী নারী” প্রভৃতি। কবিচেতনায় বিরাজিত ঔদার্য অসীমতার নম্র নেত্রপাতে প্রকাশিত। মাত্রাবৃত্ত কিংবা অক্ষরবৃত্ত মুক্তক ছন্দটি দুলতে থাকে কবির ভাবের সঙ্গে, দুরন্ত দ্যোতনায়। অসহ্য সুন্দরের ভেতর প্রকৃত মাটি-মানুষ-ভূমির ক্ষেত্রটি যেমন রচিত তেমনি উন্মূলিত মানুষের মানচিত্রও প্রতিফলিত, আরও উদাহরণ দিই :

মুঠোর মধ্যে পুঁতে নিলে শারদ রৌদ্র কাশ পুষ্প

এবার তুমি যেতে পারো

ভাটিয়ালী কৃষক হলে মুঠোর মধ্যে বাঁকা কাস্তে

পাকা ধানের শরম নারী নত গুচ্ছ এবার তুমি যেতে পারো

মনের মধ্যে পুঁতে নিলে সমস্যাময় অন্নবস্ত্র অনেক ভাবনা

এবার তুমি যেতে পারো

… … …

ময়লা লোহার মানুষ ছিলে এখন থেকে চিরহরিৎ কৃষক হলে

মুঠোর মধ্যে ঘর নৌকার হাল নিয়ে এক অকুতোভয় মাঝি হলে

যখন তোমার মুঠোর মধ্যে কষ্ট সাধ্য মজবুত গুণ সুদৃঢ় দাঁড় জলমন্দ্র

তখন তুমি একাধিকবার মাল্লা হলে

এবার তুমি যেতে পারো

ওমর আলীর ছন্দ খুঁজে পায় আবহমান বাঙালি ও বাংলাদেশের স্নিগ্ধ স্বপ্নকাতর রূপ। তীব্র সংবেদনশীলতায় জীবন-সংস্কৃতির যাবতীয় রূপ বাংলাদেশের কবিতায় দৃঢ়ভিত্তি পায়। এধারায় তাঁর অন্য কাব্য আত্মার দিকে (১৯৬৮), নদী (১৯৬৯), নিঃশব্দ বাড়ি (১৯৭৩), অরণ্যে একটি লোক (১৯৭৪), বিলেতে অনিচ্ছুক একজন (১৯৭৫), নরকে বা স্বর্গে (১৯৭৫), একটি গোলাপ (১৯৯০) প্রভৃতি তাঁর কাব্যগ্রন্থ। তবে প্রথম কাব্যগ্রন্থের পরে ওমর আলী স্তিমিত-অনুত্তরিত। প্রথম কাব্যের প্রশংসিত প্রতিভা পরের কাব্যে কোনো উত্তর তৈরি করে না। তেমন সমৃদ্ধিও দেয়া না। মফস্বল জীবনও বোধ করি তাঁকে একরকম নিষ্ক্রিয়তা ও অপরিচিতির বৃত্তে ঠেলে দেয়। কবিতাও প্রথানুগ নিষ্প্রভতায় স্থির হয়ে পড়ে। কবির আর্তনাদ উচ্চারিত ‘স্বদেশে ফিরছি’ কবিতায় :

আমার স্বদেশ এমন একটা বৃক্ষ যার শাখা যার পাতা

সবাই ভাঙে সবাই ছেঁড়ে

কেউ আবার সেই গাছের যে শাখায় বসে আছে

সেই শাখাটাই কাটতে থাকে

“গ্রামে ফিরি” কবিতায় তিনি আরও লেখেন :

উঁচু ঘাসে কিংবা পথের পাশে গাছের শাখায় ছোট পাখির নূপুর

কণ্ঠের অনেক কাছে যাই

তাছাড়া স্মৃতির মধ্যে ফিওে যাই পুরনো বাড়িটাকে

গোবর ছড়ানো আঙিনাকে গাছের দেয়ালকে

আবার অনেকদিন পওে গিয়ে দেখি

সবাইকে পাই না কেউ কেউ একেবারেই নেই

কোনো কোনো গাছ কোনো কোনো সুন্দরী কমলা।

এভাবে গাঁয়ের পথ, ঢেঁকির শব্দ, বাঁশঝাঁড়, কলাগাছ, পাখ-পাখালি, ডিঙি নৌকা, পদ্মবিল, পুঁটি, ট্যাংরা, বক, বটগাছ, শরবন, নারিকেল তলা, পুকুর, মুঠো মুঠো শস্য, আবডাল, বুনোলতা, ঘাস, বৃষ্টি, মৃত্তিকা, রোদ, বিটপী ছায়া, বনতল, কফিন, সাতভাই চম্পা, বেড়িবাঁধ, রূপসী মৃগয়া, হাইহিল জুতো,ভাত কাপড়, দেনমোহর, মেঠোফুল-এরকম অজস্র উপকরণ ও উৎসের উদাহরণের মিথস্ক্রিয়ায় তাঁর কবিতা হয়ে উঠেছে লাবণ্যময়, এর পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে চিরায়ত বাংলার রূপ ও ঐশ্বর্য :

বাঁশঝাড়, কলাগাছ হাঁ ক’রে তাকিয়ে থাকে শুধু

হাবা-গোবা মহিষের মতো।

কোথা থেকে এসে যেন পাখ পাখালিরা

চারদিক থেকে ঘিরে ধ’রে

সমস্ত মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে

চেঁচিয়ে পাড়া মাথায় করে।

ডিঙি নৌকার নদী ধীরে এসে সম্মুখে দাঁড়িয়ে

অনাবিল টলটলে হাসিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে,

আশ্চর্য করে দেবার মতো সব মেঠো ফুল ফোটে।

কোনো কোনো গাছ কোনো কোনো সুন্দরী কমলা।

এভাবে দুর্মর দেশপ্রেমে কবি অলঙ্ঘনীয় হন। কার্যত, দেশপ্রেম ও প্রকৃতির অনুরাগ কবিচেতনার পারম্পরিক অনুষঙ্গ। কবির প্রধান প্যাশন কবিতা- সেটি দেশপ্রেম বা প্রকৃতিপ্রেম ছাড়া হয় না। পৃথিবীপ্রেম তো বটেই। ওমর আলী প্রেমিক ছিলেন। প্রেমপ্রবণতা তার অনিবার্য ধর্ম। সেখানে নারী ও দেশ, ভূমি ও মানুষ, প্রকৃতি ও জীবন একাকার। এসব অনুষঙ্গকে সার্বজনীন করেছেন ওমর আলী। প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না, তিনি নিরঙ্কুশ প্রেমিক। আধুনিক বাংলাদেশের কবিতায় তিনি চিরকালীন ও প্রাচুর্যময়, শ্যামল রঙ রমণীদের কাছে তিনি চিরায়ত, চিরকালীন থাকবেন কবিতার কাছে কবিতাপ্রেমীদের কাছে। তাঁর প্রতি অনিঃশেষ শ্রদ্ধা। প্রাণের প্রণতি।

সাময়িকী'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj