পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ফলাফল

সোমবার, ৩০ মে ২০১৬

সারা দেশ ডেস্ক : পঞ্চম ধাপে গত শনিবার দেশের ৭১৭ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোরের কাগজ প্রতিনিধিদের পাঠানো নির্বাচনের ফলাফলের সংবাদ-

টাঙ্গাইল : জেলার মির্জাপুর, সখীপুর ও বাসাইল উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১০টিতে আওয়ামী লীগ, ৩টিতে বিএনপি, ২টিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়। বাসাইল উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ২টিতে আওয়ামী লীগ, ১টিতে বিএনপি ও ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়। কাঞ্চনপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদ মামুন, হাবলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের খোরশেদ আলম, কাউলজানী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান চৌধুরী ও ফুলকি ইউনিয়নে বিএনপির জাহিদুল ইসলাম বাবুল বিজয়ী হয়। সখিপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগ ও ১টিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়। কাকড়াজান ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ, কালিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কামরুল ইসলাম, বহেড়াতৈল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস, যাদবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের এ কে এম আতাউর রহমান, হাতিবান্দা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দিন ও বহুরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের গোলাম কিবরিয়া সেলিম বিজয়ী হয়। মির্জাপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে ৩টিতে আওয়ামী লীগ, ২টিতে বিএনপি, ১টিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়। মহেড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. বাদশা মিয়া, জামর্কী ইউনিয়নে বিএনপির আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল নয়া, বানাইল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফারুক খান, আনাইতারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ভাতগ্রাম ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আজাহারুল ইসলাম, ওয়ার্শি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মাহবুব আলম মল্লিক হুরমহল, গোড়াই ইউনিয়নে বিএনপির তারিকুল ইসলাম নয়া ও বাঁশতৈল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের আতিকুর রহমান মিল্টন বিজয়ী হয়।

পাবনা : ঈশ্বরদী ও সাঁথিয়ার দুটি উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-১৪, বিএনপি-১ স্বতন্ত্র-১টি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়। ঈশ্বরদী উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিতরা হলেন- আওয়ামী লীগ থেকে বকুল সরদার (দাশুড়িয়া ইউনিয়ন), সেলিম মালিথা (মূলাডুলি ইউনিয়ন), রানা সরদার (সাঁড়া ইউনিয়ন), বাবলু মালিথা (ছলিমপুর ইউনিয়ন), মিনহাজ ফকির (সাহাপুর ইউনিয়ন), এনাম বিশ্বাস (পাকশী ইউনিয়ন) ও আনিসুর রহমান শরীফ (লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়ন)। সাঁথিয়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিতরা হলেন- আওয়ামী লীগ থেকে হারুনর রশিদ (নাগডেমড়া), জরিফ আহম্মেদ (ধুলাউড়ি ইউনিয়ন), মীর মুঞ্জুর এলাহী (কাশিনাথপুর ইউনিয়ন), মুনসুর আলম (ক্ষেতুপাড়া ইউনিয়ন), রবিউল ইসলাম লিটন মোল্লা (নন্দনপুর ইউনিয়ন), হাজি কোরবান আলী বিশ্বাস (আর. আতাইকুলা ইউনিয়ন), আবু ইউনুস (ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন)। বিএনপি থেকে সালাউদ্দিন খান (ধোপাদহ ইউনিয়ন) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন (গৌরিগ্রাম ইউনিয়ন) বিজয়ী হয়।

দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) : দুপচাঁচিয়ায় ৫টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। সকাল ৮টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৪৫টি ভোটকেন্দ্রে ভোট নেয়া হয়। উপজেলা নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ১নং জিয়ানগর ইউনিয়নে আব্দুল হাকিম (নৌকা), ২নং চামরুল ইউনিয়নে শাহজাহান আলী (ধানের শীষ), ৩নং দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়নে তোজাম্মেল হোসেন তোজাম (স্বতন্ত্র আনারস), ৪নং গুনাহার ইউনিয়নে শাহ মো. আব্দুল খালেক (নৌকা), ৫নং গোবিন্দপুর ইউনিয়নে এস এম হেলাল (ধানের শীষ)। জেলা নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সুদীপ কুমার রায় বিকেলে বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন শেষ হয়।

সিংড়া (নাটোর) : সিংড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ভোটকেন্দ্রগুলোতে মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী জানা গেছে, সুকাশ ইউনিয়নে আ. মজিদ, ডাহিয়া ইউনিয়নে আবুল কালাম, ইটালী ইউনিয়নে আরিফুল ইসলাম, কলম ইউনিয়নে মইনুল হক চুনু, চামারী ইউনিয়নে রশিদুল মৃধা, হাতিয়ানদহ ইউনিয়নে মাহবুব আলম, লালোর ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম, শেরকোল ইউনিয়নে লুৎফুল হাবিব রুবেল, তাজপুর ইউনিয়নে মিনহাজ উদ্দিন, চৌগ্রাম ইউনিয়নে জাহেদুল ইসলাম ভোলা, ছাতারদিঘী ইউনিয়নে প্রদীপ কুমার রুদ্র ও রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নে তপন সরকার বিপুল ভোটে বিজয়ী হন।

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) : পঞ্চম দাফের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক বিজয়লাভ করে। বিজয়ীরা হলেন, বাংগড্ডা ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক প্রার্থী শাহজাহান মজুমদার, মক্রবপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক প্রার্থী গোলাম মর্তুজা চৌধুরী মুকুল, মৌকরা ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক প্রার্থী আবু তাহের, ঢালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক প্রার্থী নাজমুল হাছান ভূঁইয়া বাছির, সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক প্রার্থী কাজী মো. ইয়াছিন, বক্সগঞ্জ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা অহিদুর রহমান বিনা প্রতিদ্ব›িদ্বতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।

চারঘাট (রাজশাহী) : সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটাররা প্রত্যেক কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোট দেয়। ৫ম ধাপে সারাদেশের মতো রাজশাহী চারঘাটেও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার মধ্য দিয়ে ৬টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের ভাটপাড়া ও শলুয়ার হলিদাগাছি ভোটকেন্দ্রে আ.লীগ এবং বিএনপি দু’গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ব্যতীত কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিরাপত্তায় চারঘাট ইউপি নির্বাচনে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭৩ জন ভোটার ৬টি ইউনিয়নে ৫৪টি ভোটকেন্দ্রের ৩৭৬টি বুথের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ভোট সম্পন্ন করে। এই নির্বাচনে আ.লীগ, বিএনপি ও জামায়াত অংশগ্রহণে ৬টি ইউনিয়নে ২০ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ২০৯ জন সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৭২ জন প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেছে। প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচন ছিল জনতার বড় ধরনের উদ্দীপনা।

পরিশেষে রাত ৮টায় বেসরকারিভাবে ৬টি ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে শফিউল আলম রতন, নিমপাড়ায় মনিরুজ্জামান এবং সরদহে হাসানুজ্জামন মধু নৌকা প্রতীক, ভায়ালক্ষীপুরে শওকত আলী স্বতন্ত্র (মোটরসাইকেল) প্রতীক, শলুয়া জিয়াউল হক মাসুম এবং চারঘাট ইউনিয়নে মোজাম্মেল হক ধানের শীষ প্রতীকে চেয়াম্যান নির্বাচিত হয়।

নওয়াপাড়া (যশোর) : অভয়নগরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দু’একটি বিছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টিতে আওয়ামী লীগ ও ১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করে। অভয়নগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ৮৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং তা বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। নির্বাচন চলাকালে সকাল সাড়ে ৯টায় প্রেমবাগ ইউনিয়নের জিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাইকালে পুলিশ ২ জনকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত আটককৃত ফারুক হোসেন ও আব্দুল হামিদকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়।

দুপুর সাড়ে ১২টার সময় বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ৩টি কেন্দ্রে সন্ত্রাসীরা ভোট কাটতে গেলে প্রশাসন ও স্থানীয় জনতার প্রতিরোধে তারা পালিয়ে যায়। ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিতরা হলেন প্রেমবাগ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মফিজ উদ্দিন, সুন্দলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিকাশ রায় কপিল, চলিশিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নাদির মোল্লা, পায়রা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিষ্ণুপদ দত্ত, শ্রীধরপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের মোহাম্মদ আলী মোল্লা, বাঘুটিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. বাবুল আক্তার, শুভরাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস ও সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বর্তমান চেয়ারম্যান খান এ কামাল জয়লাভ করেছেন। জানা গেছে, অভয়নগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ৩০৪ জন। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান, দু’একটি বিছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। নির্বাচনে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) : রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়। উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে কোনো প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী না থাকায় আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের একক প্রার্থী হিসেবে শিলক ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম, পদুয়া ইউনিয়নে গোলাম কবির তালুকদার, রাজানগর ইউনিয়নে ইঞ্জিনিয়ার শামশুল আলম ও কোদালা ইউনিয়নে আব্দুল কাইয়ুম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। অন্য ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে সবকটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়। নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হচ্ছেন- হোসনাবাদ ইউনিয়নে মীর্জা মোহাম্মদ সেকান্দর, বেতাগী ইউনিয়নে নুর কতুবুল আলম, ইসলামপুর ইউনিয়নে ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন, দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নে আহমদ ছৈয়দ তালুকদার, লালানগর ইউনিয়নে মীর তৌহিদুল ইসলাম কাঞ্চন, সরফভাটা ইউনিয়নে শেখ ফরিদউদ্দিন চৌধুরী, পোমরা ইউনিয়নে কতুবউদ্দিন চৌধুরী, পারুয়া ইউনিয়নে জাহেদুল আলম।

মানিকগঞ্জ : সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও এর মধ্যে ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৬ জন ও স্বতন্ত্র ২ জন জয়লাভ করে। এরা হচ্ছেন দিঘী ইউনিয়নে মোতিন মোল্লা (আ.লীগ), পুটাইল ইউনিয়নে আব্দুল জলিল (আ.লীগ), হাটিপাড়া ইউনিয়নে গোলাম মণির হোসেন (আ.লীগ), আটিগ্রাম ইউনিয়নে নূরে আলম (আ.লীগ), কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে বিপ্লব হোসেন (আ.লীগ), বেতিলা মিতরা ইউনিয়নে বিনাপ্রতিদ্ব›িদ্বতায় নাসির উদ্দিন (আ.লীগ), নবগ্রাম ইউনিয়নে রাবিক হোসেন ফরহাদ বিএনপির বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) ও ভাড়ারিয়া ইউনিয়নে আব্দুল কাদের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র)।

আদমদীঘি (বগুড়া) : আদমদীঘি উপজেলায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলে। উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নৌকা মার্কা নিয়ে জয়লাভ করেন। অপর ১টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোটরসাইকেল মার্কা নিয়ে জয়লাভ করেন। নির্বাচিতরা হলেন- উপজেলা সদর ইউনিয়নে জিল্লুর রহমান, ছাতিয়ান ইউনিয়নে আব্দুল হক আবু, সান্তাহার ইউনিয়নে এরশাদুল হক টুলু, নশরতপুর ইউনিয়নে সামছুল হক, চাপাপুর ইউনিয়নে এড. সামছুল হক খন্দকার সামস, কুন্দুগ্রাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এস এম বেলাল মোটরসাইকেল মার্কা নিয়ে জয়লাভ করেন।

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) : মতলব উত্তর উপজেলার ১১নং ফতেপুর পশ্চিম ফতেপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য রেহান উদ্দিন ঢালী প্রচার-প্রচারণা না করেও বিজয়ী হয়। জানা যায়, রেহান উদ্দিন ঢালী অসুস্থতাজনিত কারণে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রচার-প্রচারণার শেষ দিন গত ২৬ মে তিনি তার বাড়িতে আসেন। তারপরও তিনি বিজয়ী হন। এ ব্যাপারে এলাকার একাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, তিনি গত ৫ বছর এলাকার সাধারণ সদস্য পদে থাকার পরও এলাকাবাসীর উন্নয়নে কাজ করেন। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করায় এলাকাবাসীও তাকে ভোট দিয়ে এবারো নির্বাচিত করেন।

কালাই (জয়পুরহাট) : পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার আহম্মেদাবাদ, মাত্রাই, উদয়পুর, পুনট ও জিন্দারপুরসহ ৫টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়। তারা হলেন- আলী আকবর (আহম্মেদাবাদ), আ ন ম শওকত হাবিব তালুকদার লজিক (মাত্রাই), ওয়াজেদ আলী (উদয়পুর), আব্দুল কুদ্দুস ফকির (পুনট) এবং জিয়াউর রহমান জিয়া (জিন্দারপুর)।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj