বন পোড়ে মন পোড়ে : তাসলিমা আক্তার

সোমবার, ৪ জুলাই ২০১৬

দুপুর বেলাটার মধ্যে একটা নেশালু ব্যাপার আছে। যারা গৃহী খাবার পাঠ চুকোলে কেউ কেউ ভাত ঘুমে যায়। কেউ রুমালে ফুল তুলতে বসে আবার কেউবা চাতালে চাল ছাঁটার কল থেকে একটানা একঘেয়ে সুরের সাথে মিলেমিশে যায়। মমতার কলেজ বন্ধ থাকলেও সে অন্য সকলের মতো দুপুরে ঘুমাতে পারে না। সিনেমা দেখতে ভালো লাগে কিন্তু তার ঘরে কোনো টেলিভিশন নেই। সিনেমা দেখতে হলে যেতে হবে বসার ঘরে। বসার ঘরের পাশেই মমতার বাবার ঘর। এখন টেলিভিশন ঘরে গেলে বাজানের হাজারটা প্রশ্নের জবাব দিতে দিতে জেরবার হবে। একটু নমুনা দেওয়া যাক,

– কিগো আম্মা এই সময় টেলিভিশন খুলে বসছো, আজ কলেজ ছিল না?

– কি যে বলেন বাজান, আজ জুম্মাবার। কলেজ থাকবে কেন। এই কথার সাথে চোখে-মুখে রাজ্যের বিস্ময় ফুটিয়ে তুলতে হবে যাতে করে মনে হয় আব্বার এই জুম্মাবারের বিষয়টা ভুলে যাওয়াতে মমতা আকাশ থেকে পড়েছে।

– বৃদ্ধ হইছিগো আম্মা, কখন কিযে মনে থাকে আর কিযে থাকে না তার খবর নাই। তো দুপুরে খাওয়ার পর একটু সময় ঘুমাইলে তো হয়। দুপুরে ঘুম নবীর সুন্নত। আমাদের পেয়ারা নবীপাক মধ্যাহ্ন ভোজনের পর খানিক ঘুমাতেন। দুপুর বেলার এই ঘুম স্বাস্থ্যের বিশেষ উপকারী। ঘুম ভালো হইলে মেয়েদের রূপও খোলে। এই বয়সে রূপের প্রয়োজন আছে। তোমার আম্মা তোমার বয়সে খুবই লাবণ্যময়ী ছিলেন।

এই কথায় মমতাকে হেসে গড়াগড়ি যেতে হবে যাতে করে মনে হয় বাজানের রসিকতাগুণে মমতা মুগ্ধ। মমতা হাসির ফাঁকে ফাঁকে বলবে,

– আম্মার সেই সময়ের ফটো দেখছি আমি।

– কেন তুমি তোমার আম্মার বিয়ের ছবি দেখ নাই। লাল শাড়িতে তাকে মনে হচ্ছিল আকাশ খেকে নাইম্মা আসছে কোনো পরী। আইচ্ছা আম্মা, গতকাল বিকালে তোমার কাছে আসছিল এক মেয়ে। লক্ষ করলাম তার মাথায় ঘোমটা ছিল না। এই বাড়ির নিয়মকানুন সম্পর্কে তারে একটু জানায়ে দিবা। বেপর্দা নারীর এই বাড়িতে প্রবেশ নিষেধ। যদি এরপরেও কথা না শোনে তাহলে তার সাথে তোমার মিলামিশা বন্ধ।

এই ধরনের কথোপকথনের ভয়ে মমতা পারতপক্ষে তার বাবার ছায়া মাড়াতে নারাজ। তারচেয়ে চাতালের কলের শব্দটা শুনতেই বেশ ভালো লাগছে। গ্রামের নাম মুকসুদপুর। মফস্বল শহর। জেলা কুমিল্লা। মুকসুদপুর গ্রামের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত বাড়িটাই মমতাদের। পরম্পরায় চলে আসছে এই আভিজাত্য। দোতলা দালান ঘর। ওপরে নিচে মিলিয়ে কুড়িটার বেশি শয়নকক্ষ। মমতা দোতলার দক্ষিণ দিকের একটা ঘরে থাকে। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দা। বারান্দাটা তার সহচরী। নিজের মতো করে সাজিয়েছে সে তার এক টুকরো পৃথিবীকে। মমতার মা কাকবন্ধ্যা। তাই বলে বাড়িতে লোকজনের কোনো কমতি নেই। রান্নার লোক, বাজারের লোক, বাজানের আগে পিছে থাকে আরো গোটা তিনেক লোক। সবমিলিয়ে রাতে ঘুমানোর মানুষ এ বাড়িতে দশজনের কম না। আর আছে জহির। জহির সম্পর্কে মমতার লতায় পাতায় চাচাত ভাই। এতিম ছেলে। ছোটবেলা থেকেই এ বাড়িতে থাকে। বাড়ির কেয়ারটেকারের দায়িত্বটা সেই পালন করে, পাশাপাশি পড়াশোনাটাও চালিয়ে যায়। বয়সে সে মমতার চেয়ে মাস ছয়েকের ছোট। গরিবের ছেলে কিন্তু মাথায় অগাধ বুদ্ধি। ক্লাস ফাইভ এবং এইটের বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। এসএসসিতেও অনেক ভালো রেজাল্ট। মমতা আর জহির একই কলেজে পড়ে। মমতার মর্নিং শিফট আর জহিরের ডে সিফট। ছোটবেলা থেকে একই সাথে বড় হয়েছে। তারা ভাইবোনের মতো মিলেমিশে বড় হতে পারতো। কিন্তু সম্পর্কের ভেতর কোথা থেকে যেন কোন ফাঁকে ঝামেলা এসে হাজির হয়! বেগানা পুরুষ হলেও জহিরই একমাত্র বাড়ির অন্দর মহলে প্রবেশের অধিকার রাখে।

এক মাইল মতো রাস্তা হেঁটে গেলে মমতার কলেজ। বেগম রোকেয়া সরকারি মহাবিদ্যালয়। মমতাদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটা মেঠোপথ। পথের পাশে অযতেœ বেড়ে উঠেছে কৃষ্ণচূড়া রাধাচূড়া আর শিমুল গাছ। কোনোটা বয়সে তরুণ আবার কোনোটা বয়োবৃদ্ধ। ফাল্গুন মাসে শিমুলের ডালে লাল ফুল ফুটে থাকে। মমতা একা একা কলেজের পথে হাঁটে। পেছন থেকে সাইকেলের বেলের শব্দ পেয়ে মমতা চমকে দাঁড়ায়। বেলের এই টুং টাং শব্দ তার পরিচিত। সাইকেল ব্রেক করে দাঁড়ায় জহির।

– কিরে মমতা কই যাস?

– সিনেমায় নায়িকার রোল পাইছি। আজ নাচের দৃশ্য। পাট গাইতে যাই। দেখস না আমার গা ভর্তি সাজ পোশাক। সহজ কথার উত্তর কখনো মমতা সহজভাবে দিতে পারে না জহিরকে।

– নায়িকা সাহেবা হাইট্টা যায় কেন। উঠ সাইকেলে, নামায়ে দিয়া আসি।

– তর সাহস দেইখ্যা বাহবা জানাই। রাতে বাজানেরে জিজ্ঞাসা করবনে আমি তর সাইকেলে চড়তে পারব কিনা। মমতা মুখ টিপে হাসে।

– তর বাপ তো একটা মীরজাফর। বাড়ির বৌ-ঝিয়েরে পর্দা করায় আর নিজে সন্ধ্যার পরে আরতি সুন্দরীর ঘরে চা খাইতে যায়। মীরজাফর সাহেব যদি জানে পথেঘাটে আমি তরে সাইকেলে চড়ার অফার দেই তাইলে আমার মাথা ন্যাড়া করে গলায় জুতার মালা দিয়া সাত গ্রাম ঘুড়াইব। সাইকেলে প্যাডেল মেরে দ্রুত এগিয়ে যায় জহির। তার চলে যাওয়া দেখে মমতা। কদম ফুলের মতো একমাথা ঝাঁকড়া চুল ছেলেটার। ঝুরি চেকের একটা শার্ট পরা। অপসৃয়মাণ জহিরের সাইকেলের দিকে তাকিয়ে মমতার চোখ জ্বালা করে।

মেঠোপথের দুপাশে জংলি ফুল ফুটে আছে। সাদা ফুলগুলো দেখতে অনেকটা বেলীফুলের মতো। তেমন বিশেষ কোনো গন্ধ নেই। দু’চারটা ভ্রমর ওড়াউড়ি করছে ফুলের ওপর। এই জায়গাটিতে একটা বুনোজাম গাছ আছে। জ্যৈষ্ঠ মাসে জাম পাকার কথা। মমতা জামগাছের দিকে তাকায় ও আল্লাহ, ছোট ছোট জামে ঝেঁকে আছে গাছ। কি করবে দিশা পায় না। এ পথ দিয়ে রোজই কলেজে যায় সে এবং নিয়মিত খোঁজখবরও রাখে। কদিন ধরে বোধহয় আনমনা ছিল তাই জাম পাকার খবর অজানা রয়ে গেছে। কাঁধ থেকে ব্যাগটা নামিয়ে ঘাসের ওপর রাখে সে। সবচাইতে নিচু ডালটি থেকে জাম পাড়তে চেষ্টা করে। কিন্তু এই নিচু ডালটিকে ছোঁয়াও তার নাগালের বাইরে। আশপাশে তাকিয়ে একটা মরাডাল চোখে পড়ে। সেটা দিয়ে প্রাণপণে চেষ্টা চলে জাম পারার কিন্তু কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। হঠাৎ মনে হলো ডালটি ঝুঁকছে। অদ্ভুত ব্যাপার, জামসহ ডালটি নিচের দিকে নেমে আসছে। ঘটনা বোঝার জন্য ওপরের দিকে তাকায় মমতা। বাঁদরের মতো পা ঝুলিয়ে গাছের একদম ওপরের দিকের একটা ডালে বসে আছে জহির। যে ডালটা থেকে জাম পারার চেষ্টা করছে মমতা সেটাকে বাম পা দিয়ে নিচের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। জহির কখন আসলো আর কখনই বা গাছে চড়লো কিছু টের পায়নি মমতা। এবার তাকে দেখতে পেয়ে চেঁচিয়ে ওঠে,

-ঐ তুই কখন আইলি? চোর কোনহানকার! কেমন নিঃশব্দে কাজ করে! তুই একটা সিঁধাল চোর।

-হ, জানি। আমি আরো অনেক কিছু চুরি করি। যখন চুরি করি তখন কেউ টের পায় না আর যখন টের পায় তখন আর কিচ্ছু করার থাকে না। শুধু গাছের নিচে দাঁড়ায়ে দাঁড়ায়ে জাম পাড়ার চেষ্টা করে কিন্তু তাও পারে না। হা হা হা

-হাসবি না কইলাম। একদম হাসবি না। ধরা পড়ে যাওয়া ছোট শিশুর মতো অসহায় রাগ দেখায় মমতা। ওপর থেকে লাফ দিয়ে নিচে নেমে আসে জহির। মমতার কানের পাশে ছোট্ট করে ফুঁ দেয়। ফুঁয়ের বাতাসে উড়তে থাকে মমতার এলোমেলো চুল। বিবশার মতো দাঁড়িয়ে থাকে সে। যেন শ্বেতপাথরের মূর্তি-আজন্ম কাল আগে যে শিল্পী গড়েছিল তার সে সামনে দাঁড়ায়ে। সৃৃষ্টিকর্তার কাছে আজ আর কিছু লুকোবার নেই।

-আজ আর ক্লাসে যাইস নারে মম

-তাইলে এত সময় কি করুম? বাড়িত ফেরত গেলে নানান কথার উত্তর দিতে হইব। আর বাজানে জানলে দুনিয়া উল্টায়া ফালাইব।

-তুই একটা চরম বোকা মেয়ে। বাড়িত যাবি কেন? চল আমার লগে। আইজ সারাদিন একলগে থাকি।

-আমি তর লগে থাকুম কেন?

-তুই ত আমার লগেই থাকবি। তুই আমারে ছাড়া আর কার লগে থাকবি মম?

গ্রাম পার হলে একটা ভাঙা জমিদার বাড়ি। কোনোকালে জমজমাট ছিল। সাজঘর, আয়নাঘর। নাচের ঘর, হয়তো নাচিয়ে মেয়েটির প্রতি অনুরক্ত ছিল জমিনদার বাবু। কন্যা রাত জেগে স্বপ্ন দেখতো অন্দর মহলের। সেই মেয়ে জানতো কিন্তু হয়তো মানতো না, সাকীর পায়ে নূপুর থাকার নিয়ম-কপালে সিঁদুর থাকার নিয়ম নেই। আজ জমিদার বাড়িতে মরা পাতার স্ত‚প, সাপখোপের বস্তু। পলেস্তারা খসে পরা দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মমতা। জহিরের চোখে রাজ্যজয়ের নেশা। সিঁড়ির ওপর অবহেলায় পড়ে থাকে কলেজ ব্যাগ। গ্রীষ্মকালের বৃষ্টি ঝুপ ঝুপিয়ে পড়ছে। কোনো মতে বৃষ্টির ছাঁট বাঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে মমতা। ঘন ঘন বিজলি চমকায়।

-তুইতো ভিজতেছিস মম। চল সিঁড়িতে গিয়া বসি ঐখানে বৃষ্টির পানি যাইব না।

দুপুর গড়িয়েছে অনেক আগেই। বৃষ্টিটাও ধরে এসেছে। জহিরের কোলের ওপর হাত রেখে জমিদার বাড়ির সিঁড়িতে বসে আছে মমতা। মনে কোনো ভয় নেই। যেন এইভাবে বসে থাকার জন্যই মমতার জন্ম হয়েছিল। যেন বহুকাল আগে ঠাটবাটের জমিনদার বাড়ির এটাই অন্দর মহল। একটা শালিক এসে ভাঙা জানালার ওপর বসে। খয়েরি গায়ে কালো নকশা দেয়া শরীর। দুজনেই সেদিকে তাকায়। মমতার হাত মুঠোয় রেখেই জহির প্রশ্ন করে,

-শালিকের ছড়াটা মনে আছে মম? ঐ যে, দুই শালিকে প্রেম আর এক শালিকে দুঃখ।

মফস্বল শহরে সন্ধ্যা গড়াচ্ছে। গোধূলি কিছুক্ষণেই অস্তে যাবে। মমতাদের বাড়ি ভর্তি গিজগিজে লোক। গ্রামের কোনো মানুষ বাদ পড়েনি দাওয়াতে। আজ বৃহস্পতিবার গায়ে হলুদের লগ্ন। ইচ্ছে করে পার্লারে সাজতে চায় মমতা। মেয়ের আবদারে বাড়িতেই পার্লার আনিয়ে দিয়েছে বাজান। নিচে বসানো হয়েছে হলুদের মঞ্চ, ফুলে ফুলে ফুলেল। সাজ প্রায় শেষ। ছেলেপক্ষ আর কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে পড়বে।

সকাল থেকে জহিরের দেখা নেই। একবারও চোখের সামনে পাওয়া গেলো না। কই কই যে থাকে! আজ মমতার বেশি হাঁটাচলা নিষেধ, বিয়ের কন্যা। সে মায়ের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়,

-মা, সকাল থেকে জহিররে দেখতেছি না। কই গেছে কও তো?

-জানি না, ছেলেটার মনে হয় শরীরটা ভালো না। কয়দিন থেকেই দেখি উমাইস্যা মুরগি লাহান খালি ঝুমে।

-কিন্তু তারে তো আমার দরকার। গত পরশুদিন একটা আংটি তার কাছে দিসিলাম কর্মকারের দোকান থেকে রং কইরা আনতে। সেইটা তো আমার এখন লাগবে। মা তুমি তারে খুঁজে বের করে এক্ষুনি আমার কাছে পাঠায়ে দেও।

চিকমিকে উজ্জ্বল আলোতে ঝলমল করছে মফস্বল বাড়ি। এতো আলো এই গাঁয়ে এর আগে কারো বিয়েতে জ্বলেনি। মেহেদির রং লাল কিন্তু আজকালকার দিনের মেহেদিগুলো রাসায়নিকে কালো। মিউজিক সিস্টেমে বাজছে বিসমিল্লাহ খাঁর শানাই একটানা একঘেয়ে কষ্টের সুর।

-এতো ফুল পরছিস কেন গায়ে? দেখাইতেসে কেমন তরে! বাপরে, মুখের রং ধুইতেই তো লাগবে দুইদিন। এরকম ভূতের মতন সাজ দিছস কেন, মম?

– জহির, চল দুইজনে পালায়ে যাই। আমরা অনেক দূরে চলে যাবো। যেখান থেকে আমাদের আর কেউ খুঁজে বের করতে পারবে না। জহির চল, সময় নাই।

-চুরি করে আমি তোরে বউ বানাবো নারে মম। আমার সাথে থাকলে তোর অনেক কষ্ট হবে। তর এতো কষ্ট আমার সইবে না। তুই থাকবি রাজরানীর মতো। সোনার পালঙ্কে গাও আর রুপারটাতে পাও। তর চুলের পাশে বাতাস হয়ে থাকব আমি। তুই যখন নিঃশ্বাস নিবি আমি তার সাথে মিশে থাকব। তর নাম মমতা। তুই কি কখনো খেয়াল করছিস, আমি তরে সারা জীবন ডাকছি ‘মম’। মম মানে আমার। তুই আমাররে মম। তুই আর কারো না। যেখানে যে অবস্থায় যার সাথে থাকবি, তুই আসলে থাকবি আমার কাছে। পয়সাঅলা ঐ বেডায় যখন তর হাত ধরবে তুই দেখবি সামনে দাঁড়ায়ে আমি। আমার থেকে তর কোনোদিন মুক্তি নাই। কোনোদিন মুক্তি নাইরে মম।

আলতা পায়ে ছোট ছোট কদমে হলুদ শাড়ি পরা মমতা মঞ্চের দিকে আগায়। সমবয়সীরা মাথার ওপর লাল ওড়না তুলে তার ভেতর দিয়ে মমতাকে নিয়ে এগোয় আনন্দ মিছিল। গাঁয়ে হলুদের কত আচার বিচার! কনের দুচোখের ওপর দুটি পানপাতা। কিছুই দেখতে পাচ্ছে না এখন মমতা। অন্ধের মতো এগোয় গায়ে হলুদের মঞ্চের দিকে। চোখ প্রায় বন্ধ। সেই ভালো, না হলে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা জহিরের বিষণœ চোখ দেখতে হতো।

ঈদ সাময়িকী ২০১৬'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj