মানবাধিকার কমিশনের আলোচনায় বক্তারা : শিশুদের জন্য আলাদা অধিদপ্তর সময়ের দাবি

শনিবার, ১৮ মার্চ ২০১৭

কাগজ প্রতিবেদক : শিশুদের অধিকার ও সুবিধার জন্য সরকারের যে অগ্রগতি সেটা অবশ্যই প্রশংসনীয়। সরকার যদি শিশুদের সুরক্ষার জন্য আরো পদক্ষেপ নেয় তবে ভালো হতো। এ ছাড়া শিশুদের জন্য একটি অধিদপ্তর এখন সময়ের দাবি।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে জাতীয় মানবধিকার কমিশন আয়োজিত জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ‘শিশু অধিকার সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আলোচনায় ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শিশু আইন প্রণয়ন করেন। তখন আন্তর্জাতিকভাবে এ আইনটির কথা কেউ চিন্তাই করেনি। শিশুদের সুরক্ষার জন্য তৈরি এ আইনটির জন্য বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে রোল মডেল হিসেবে স¦ীকৃত।

তিনি আরো বলেন, শিশুদের জন্য তৈরি আইন সম্পর্কে আমরা সচেতন না। কিছু কিছু জায়গায় আমরা মডেল থানা হিসেবে দেখি কিন্তু সে মডেল থানাগুলো শিশুদের প্রতি কেমন আচরণ করে তা আমরা জানি না। আমাদের সচেতন হতে হবে এ আইন সম্পর্কে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইমান আলী বলেন, আমরা শিশুদের অধিকার আর সচেতনতা নিয়ে যখন কথা বলি তখন মনে হয় সবাই সচেতন হয়েছে। কিন্তু আমরা কি জানি যাদের সচেতন হওয়ার কথা তারা কতটুকু সচেতন হয়েছে। প্রতিনিয়ত যেমন শিশুদের ওপর অচ্যাচার বাড়ছে তাতে ওই শ্রেণির লোকগুলো সচেতন হয়েছে কিনা আমি সন্দিহান।

বাল্যবিবাহ আইনের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহ নিয়ে যে আইন হয়েছে এ আইনের বিষয়ে আমার কিছু বলার নাই। কিন্তু আমি মনে করি এ বাল্যবিবাহ মেয়েরাই বন্ধ করতে পারবে।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান রিয়াজুল হক বঙ্গবন্ধুর করা শিশু আইনটির বিষয়ে বলেন, ১৯৭৪ সালে শিশু সুরক্ষার জন্য যে আইন করা হয়েছে সে আইনে এমন কোনো বিষয় নেই যেটা সে আইনে নেই। এ আইনের জন্য বাংলাদেশ গর্ব করে।

বঙ্গবন্ধুর শিশুদের ওপর ভালোবাসার কথা উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের কথা চিন্তা করে ২৪ হাজার বিদ্যালয়কে সরকারি করেন। এর ফলে শিশুশিক্ষা বিকশিত হয়েছে।

এ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাজকল্যাণ সচিব জিল্লার রহমান ছাড়াও শিশু অধিকার ফোরামের ইমরানুর হক চৌধুরী ও খুশী কবীর বক্তব্য দেন।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj