বর্ধিত সভা থেকে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি : কাদের

শনিবার, ২০ মে ২০১৭

কাগজ প্রতিবেদক : আজ শনিবার অনুষ্ঠেয় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির অগ্রযাত্রা শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচনের জন্য শনিবার আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। এর মাধ্যমে আমরা জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির সর্বাত্মক অগ্রযাত্রা শুরু করব। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগ আয়োজিত চার দিনব্যাপী সংবাদচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, ফারুক হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি মো. ইসমাঈল হোসেন চৌধুরী স¤্রাট ও উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাঈল হোসেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের পর ৬ মাসের মধ্যে দলের প্রথম বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ সভায় দলীয় নেতাদের হাতে নতুন ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র তুলে দেয়া হবে। এ সভা থেকে আওয়ামী লীগের পুরনো সাধারণ সদস্যদের সদস্যপদ নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করা হবে। নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলাকালে দলে যাতে কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে সেদিকে প্রতিটি নেতাকর্মীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

রাজনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে দিন পুত্রহারা মাকে সান্তনা জানাতে গিয়েছিলেন সে দিন তারা তাদের সঙ্গে সমঝোতার সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের পুরস্কৃত করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সমঝোতা হতে পারে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির রাজনৈতিক অধিকার। কাউকে জোর করে নির্বাচনে অংশ নেয়ানোর কিছু নেই। আর নির্বাচন কমিশন গঠনকালে আওয়ামী লীগের প্রস্তাব থেকে একজন এবং বিএনপির প্রস্তাব থেকে একজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছেন। ইসিতে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন সরকার শুধুমাত্র সরকারের রুটিন মাফিক কাজ করবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় ঘাতকের হাত থেকে বেঁচে যান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে ভারতে দীর্ঘদিন নির্বাসিত জীবযাপন শেষে দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকে ওই দিনটি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj