ধারাবাহিক তামিম ইকবাল

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

আ ত ম মাসুদুল বারী : ঢাকা টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্ট খেলতে নেমে দুর্দান্ত খেলেছেন তামিম ইকবাল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৭১ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ৭৮ রান। দুবারই সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে আউট হয়েছেন তিনি। জুনে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চমৎকার ব্যাটিং করেছিলেন তামিম। এর আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তার ব্যাট হেসেছে। মোদ্দা কথা মারকুটে ওপেনার তার নামের প্রতি সুবিচার করছেন।

২০০৮ সালের জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তামিমের। নিজের অভিষেক ম্যাচে জোড়া হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন।

এরপর তামিমকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। ডানেডিনের কঠিন কন্ডিশনে ওই ম্যাচের দুই ইনিংসে তামিমের রান ছিল ৫৩ ও ৮৪। পরেরটি করেছিলেন ২০১০ সালে, মিরপুরে ইংলিশদের বিপক্ষে ৮৫ ও ৫২ রানের ইনিংস খেলেন। একই বছর লর্ডসে সেঞ্চুরি করে অনার্স বোর্ডেও নাম তুলেন তামিম। প্রথম ইনিংসে ৫৫ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেন ১০৩ রানের হার না মানা ইনিংস। অবশ্য চতুর্থ জোড়া হাফসেঞ্চুরির জন্য তামিমকে অপেক্ষা করতে হয়েছে তিন বছর। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মিরপুরে ৯৫ ও ৭০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

২০১৪ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে প্রথম ইনিংসে ১০৯ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে পঞ্চম জোড়া হাফসেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছে ছিলেন বাংলাদেশের সেরা এ ওপেনার। দেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ ২৪ ফিফটি করা হাবিবুল বাশার সুমনকে স্পর্শ করেছেন তামিম। সাবেক অধিনায়ক বাশারও ঠিক ৫০ টেস্টে ২৪ ফিফটি করেন। কিন্তু টেস্ট ক্যারিয়ারে তার সেঞ্চুরি তিনটি হলেও তামিমের সেঞ্চুরি ৮টি। বাশারের ব্যাটিং গড় ছিল ৩০.৮৭। আর তামিমের ব্যাটিং গড় ৪০.৫০। ২২ ফিফটি নিয়ে বাশার ও তামিমের পরে আছেন সাকিব আল হাসান।

এ পর্যন্ত ৯৬ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন তামিম। এর মধ্যে তামিমের ষাটোর্ধ্ব ইনিংস রয়েছে ১৪টি। অর্থাৎ, এ ইনিংসগুলোর মধ্যে বেশ কটি সেঞ্চুরি পেতে পারতেন তামিম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

তামিম ইকবাল হচ্ছেন এমন একজন খেলোয়াড়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি ব্যাটিং করতে পারেন। এমনও বলা হয়ে থাকে, তিনি যদি নিজে থেকে আউট না হন অর্থাৎ না চাইলে কোনো বোলার তাকে আউট করতে পারেন না।

খেলা-ধূলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj