ব্যস্ততা বেড়েছে কামারদের

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

এম. রমজান আলী, রাউজান (চট্টগ্রাম) থেকে : বছর ঘুরে আসে কুরবানির ঈদ। ঈদের দিন আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় পশু জবাই করতে হয়। এজন্য প্রয়োজন ছুরি, চাকু, চাপাটি। নতুন ছুরি, চাকু কিনতে বা পুরাতন ছুরি, চাকু ব্যবহার উপযোগী করে তোলার জন্য কুরবানি সংশ্লিষ্ট পেশার মানুষ ছুটে যাচ্ছেন কামারশালায়। এ কারণে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারশালার কারিগরদের। ভিড় বেড়েছে এসব ছুরি, চাকু বিক্রির দোকানে। কুরবানির উপযোগী দা-ছুরি, চাপাটি বানানো এবং শাণ দিতে ব্যস্ত কামাররা। আগামী ২ সেপ্টেম্বর কুরবানি ঈদের তারিখ নির্ধারিত হওয়ায় নতুন দা-ছুরি কিনতে বা পুরনো দা-ছুরি সংস্কার করতে ভিড় করছেন কামারের দোকানে।

উপজেলার বিভিন্ন কামার দোকান ঘুরে দেখা গেছে, কেউ দা-ছুরি-বঁটি দরদাম করছেন। কেউ পছন্দের দা-ছুরি কিনছেন। আবার কেউ পুরাতন দা-ছুরি সংস্কারের মজুরি কত তা নিয়ে দর-কষাকষি করছেন। রাউজান উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গহিরা চৌমুহনী, গহিরা নতুনহাট, ফকিরহাট বাজার, জলিলনগর, রমজানআলী হাট, সোমবাইজ্যা হাট, ঈশান ভট্টেরহাট, পাহাড়তলী, গৌরিশংকরহাট, রঘনন্দন চৌধুরীহাট, নোয়াপাড়া, পথেরহাট, চৌধুরীহাট, লাম্বুরহাট, গশ্চিনয়াহাট, কাগতিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে শতাধিক কামার ব্যস্ত সময় পার করছেন।

জলিলনগর এলাকার দিলীপ কর্মকার জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এ পেশায় জড়িত। কুরবানি উপলক্ষে দা-ছুরি-বঁটির চাহিদা বেড়ে যায়। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কুরবানি সংশ্লিষ্ট লোকজন উন্নত মানের দা-ছুরি-বঁটি, চাপাটি কিনতে ভিড় করছেন। পাশাপাশি পুরনো দা-ছুরি-বঁটি সংস্কার করার জন্যও অনেকে ছুটে আসছেন। তিনি আরো বলেন, বছরের বাকি সময়টা অলসতার মধ্যে কাটালেও ঈদে কর্মব্যস্ততা বাড়ে। কুরবানির ঈদের আগে ১০-১৫ দিনে ৬০-৭০ হাজার টাকার মতো আয় হয়। বছরের বাকি সময় দৈনিক ২০০-৫০০ টাকা আয় হয়।

প্রবীর দাশ নামে আরেকজন কামার জানান, ‘আমরা চাইনিজ ছুরি-চাপাটিও বিক্রি করছি। কারণ বর্তমানে লোহার ছুরি বা চাপাটির চেয়ে চাইনিজ যন্ত্রপাতির চাহিদা বেশি।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj