বগুড়ায় মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার, শ^াসরোধে হত্যা বলে ধারণা

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

কাগজ প্রতিবেদক, বগুড়া : বগুড়া সদরের নামুজা ইউনিয়নের ভান্ডারীপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতরা হলেন- মা সাফিয়া খাতুন (৩৩) ও মেয়ে আয়শা খাতুন (৭)। সাফিয়ার স্বামী একই ইউনিয়নের মজিদপাড়ার গোলাম মোস্তফা।

গোলাম মোস্তফা ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করেন। এ কারণে স্ত্রী সাফিয়া তার বাবার বাড়ির এলাকা ভান্ডারীপাড়ায় মেয়েকে নিয়ে একটি বাড়ি ভাড়া করে বসবাস করছিলেন। অপরদিকে তার বাবা হাফিজার মাস্টার পেশাগত কারণে পরিবার নিয়ে বগুড়া শহরে বসবাস করেন।

প্রাথমিক খবরে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে খাবার খেয়ে মেয়েকে নিয়ে সাফিয়া খাতুন ঘুমিয়ে পড়েন। গতকাল দিন গড়িয়ে যেতে থাকলেও মা-মেয়ের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রতিবেশীরা সাফিয়ার মা মরিয়ম বেগমকে খবর দেয়। খবর পেয়ে মরিয়ম বেগম তার ছেলে আবদুল মোমিনকে সঙ্গে করে ওই বাড়িতে আসেন। বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে তাদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে প্রাচীর টপকে মোমিন বাড়ির ভেতরে ঢোকে। এ সময় তার বোনের ঘরের দরজা বন্ধ থাকলেও পাশের ঘরের দরজা খোলা ছিল। সেখান দিয়ে বোনের ঘরে ঢুকে তিনি তার বোন ও ভাগ্নির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় ওই ঘরের পেছনের জানালা ভাঙা দেখতে পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বগুড়া সদর থানার ওসি জানান, গতকাল সন্ধ্যায় তারা লাশ ২টি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারা, কী কারণে তাদের হত্যা করেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ওই গৃহবধূর স্বামী যেহেতু ঢাকায় থাকেন সেহেতু কারো লালসার শিকার হওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় অথবা সম্পত্তি-সংক্রান্ত কোনো বিরোধের জের হিসেবে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj