বে-টার্মিনাল নির্মাণে ভারত সহযোগিতা করবে : ডেপুটি হাইকমিশনার

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

চট্টগ্রাম অফিস : চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং ভারতীয় দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে ‘ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ বাইলেটারাল ট্রেড এন্ড কমার্শিয়াল রিলেশন্স : স্পেশাল ফোকাস অন ওয়াটারওয়েজ কানেক্টিভিটি এন্ড কোস্টাল শিপিং’ শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার ড. আদর্শ সোয়াইকা বলেছেন, ভারত বাংলাদেশে মোংলা, ভেড়ামারা ও মিরসরাইয়ে ইকোনমিক জোন স্থাপন এবং বে-টার্মিনাল নির্মাণে সহযোগিতা করবে। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম। ড. সোয়াইনকা বলেন, দুদেশের মধ্যে গত দুবছরে সম্পাদিত ৬০টি চুক্তির মাধ্যমে পরিচালিত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা অনন্য মাত্রা অর্জন করেছে। তিনি বিমসটেকের আওতায় শিপিং এবং বিবিআইএনের অধীনে সড়ক যোগাযোগ চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার যুগান্তকারী পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (কমার্শিয়াল) শিশির কোঠারী। এ অনুষ্ঠানেই চট্টগ্রামস্থ ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার সোমনাথ হালদারকে চেম্বারের পক্ষ থেকে বিদায়ী সম্ভাষণ জানানো হয়।

চিটাগাং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, কোস্টাল শিপিং চুক্তির ফলে দুদেশের বাণিজ্যে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। অতীতে সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়ার মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য পরিচালনা করতে হতো কিন্তু বর্তমানে এ চুক্তির ফলে চট্টগ্রাম, মোংলা, পানগাঁও এবং আশুগঞ্জ থেকে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরসমূহের সঙ্গে সরাসরি কার্গো ও কন্টেইনার পরিবহন সম্ভব হচ্ছে।

এফবিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি আবদুল মাতলুব আহ্মাদ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়দের বেতন বাবদ প্রতি বছর ৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে উল্লেখ করে এ ক্ষেত্রে তিনি ভারতের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সেমিনারে চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি মো. নুরুন নেওয়াজ সেলিম, সহসভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, সদ্যবিদায়ী পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (ফাইন্যান্স) মো. কামরুল আমিন, জাপানের অনারারি কনস্যুল জেনারেল মো. নুরুল ইসলাম, ওওসিএলর জিএম ক্যাপ্টেন গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, হুন্দাই ওশ্যান ইন্টারন্যাশনালের আতাউল করিম চৌধুরী, ব্যবসায়ী নেতা তাহের সোবহান, রিভার লাইনের এমডি মাহবুব আহমেদ, প্রান্তিক শিপিংয়ের এমডি ইঞ্জি. গোলাম সরওয়ার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj