দিনাজপুরে পশুর দাম কম

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরে কুরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা বাধ্য হয়ে অপেক্ষাকৃত কমদামে গরু-ছাগল বিক্রি করছেন। এখান থেকে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় কুরবানির গরু পাঠানো হচ্ছে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলার দেড় শতাধিক পশুর হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক দেশি গরু উঠেছে। খামারিরা তাদের গরু-ছাগল হাটগুলোতে আনছেন। জেলার প্রধান পশুর হাট সদর উপজেলার শিকদারগঞ্জ, ফাসিলাডাঙ্গা, রেলবাজার, করিমল্লাপুর, কাহারোল উপজেলার কাহারোল বাজার, জয়নন্দ ও ছোট গড়েয়া, বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ, মাহেরপুর ও সুলতানপুর, চিরিরবন্দরের আমতলী, রানীরবন্দর, ঘুঘুড়াতলী, বীরগঞ্জের কবিরাজহাট ও ঝাড়বাড়ী, খানসামার পাকেরহাট, কাচিনিয়া, পার্বতীপুরের যশাইহাট, আমবাড়ী ও ভবানীপুর, বিরামপুরের বিনাইল, বিজুল ও কাটলা, নবাবগঞ্জের দাউদপুর, ভাদুরিয়া ও আফতাবগঞ্জ, বিরলের খোশালডাঙ্গী, কালিয়াগঞ্জ, মঙ্গলপুর ও ধুকুরঝাড়ী হাটে প্রতিদিন ব্যাপকসংখ্যক দেশি গরু-ছাগলের আমদানি হচ্ছে।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা বাধ্য হয়ে কমমূল্যে গরু-ছাগল বিক্রি করছেন। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম ৫ থেকে ৮ হাজার কম। তবে ছাগলের দাম খুব একটা কমেনি।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলার ১৩টি উপজেলায় কুরবানির জন্য প্রায় ২ লাখ পশু হাটে-বাজারে উঠবে। এর মধ্যে ৮৫ হাজার ষাঁড়, ১২ হাজার বলদ, ৩১ হাজার গাভী, ৬৮ হাজার ছাগল, ৩ হাজার ভেড়া ও ২৫টি মহিষ রয়েছে। সূত্রটি জানান, জেলার ৫৯ হাজার ২৪৪টি গবাদি পশুর খামারে কুরবানির জন্য এসব পশুর যতœ করা হয়।

প্রতিদিন দিনাজপুর থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ২০ থেকে ৩০ ট্রাকে গরু যাচ্ছে। খুব কমসংখ্যক ভারতীয় গরু হাটে-বাজারে দেখা যাচ্ছে। বন্যার কারণে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কুরবানিতেও বেশি দামে বিক্রি করতে পারছেন না।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj