কাপাসিয়ায় জমে উঠেছে পশুর হাট

বুধবার, ৩০ আগস্ট ২০১৭

কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি : কাপাসিয়ার সবচেয়ে বড় পশুর হাট আমরাইদ বাজার জমে উঠেছে। অনেক পশু উঠেছে বাজারে। আমরাইদ বাজার ব্যবসায়ী সমিতি সাধারণ সম্পাদক শরাফত মোল্লা জানান, এটা আমাদের এলাকার সবচেয়ে বড় পশুর হাট। এই বাজারে তুলনামূলকভাবে খাজনা কম নেয়া হয়। আমরাইদ বাজারে প্রতি গরু ১৫০ টাকা, মহিষ ৩০০ টাকা ও ছাগল ও ভেড়া ১০০ টাকা করে খাজনা নেয়া হয়।

গরু ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী জানান, আমরাইদ বাজারে সারা বছরই সপ্তাহে একদিন পশু কেনাবেচা হয়। এই বাজারে খাজনা একেবারে কম। এখানে বিস্তর জায়গা রয়েছে। রাস্তার পাশেই বাজার। এতে বিভিন্ন এলাকার মানুষ সহজেই গরু কিনে নিয়ে যেতে পারে। এছাড়া এই বাজার বা আশপাশে চুরি, ছিনতাই বা ডাকাতির কোনো ঘটনা শোনা যায়নি। স্থানীয় রায়েদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাই জানান, এই বাজারে যথেষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।

আমরাইদ পশু হাটের ইজারাদার মজিবুর রহমান বলেন, এবার ভ্যাটসহ বাজার ইজারা মূল্য ৬৫ লাখ টাকা। আজ মঙ্গলবার ও শুক্রবার বড় বাজার জমবে আশা করছি। প্রতি বছরের মতো এবারো চৌকিদার দিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এত বড় পশুর হাট থাকা সত্ত্বেও এখানে গড়ে উঠেনি কোনো আবাসিক হোটেল। গ্যাস সরবরাহ না থাকায় গড়ে উঠেনি মানসম্মত কোনো রেস্টুরেন্ট। এমনকি বাজার থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে কাপাসিয়া শহরেও নেই কোনো হোটেল। ব্যবসায়ীদের প্রায় সময়ই বিপাকে পড়তে দেখা যায়। এ সংকট থেকে উত্তোরণ চায় ব্যবসায়ীসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।

আমরাইদ বাজারের পার্শ্ববর্তী গ্রাম বড়হর বালুচড়া গ্রামের কৃষক আ. ছামাদ সরদার জানান, আমি আমার গরুটি আমরাইদ বাজারে বিক্রি করতে চাই। বাড়িতে গরুর দাম উঠেছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। তারপর ইচ্ছে আমরাইদ বাজারে তুলে দাম দেখার। আমার ইচ্ছে ৩ লাখ টাকা বিক্রি করব।

উপজেলা ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়, কাপাসিয়া উপজেলার স্থায়ী গরুর হাট হলো আমরাইদ বাজার, গিয়াসপুর বাজার, পাখরির বাজার, রানীগঞ্জ বাজার ও বলখেলা বাজার। অস্থায়ী বাজার রয়েছে ১৮টি।

উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছর অতিরিক্ত বন্যা ও দেশি গরুর বেশি উৎপাদন হওয়ায় গবাধি পশুর দাম তুলনামূলকভাবে কম।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj