চট্টগ্রামে স্কিলস কম্পিটিশন শেষ > মধ্যম আয়ের দেশের জন্য দক্ষ জনশক্তির বিকল্প নেই : মেয়র

শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৭

চট্টগ্রাম অফিস : ‘স্কিলস কম্পিটিশন-২০১৭’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বলেছেন, বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিণত করতে হলে দক্ষ জনশক্তির কোনো বিকল্প নেই। ভিশন ২০৪১ অর্জন করতে হলে কর্মক্ষম যুব সমাজকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। মেয়র বলেন, সিটি কর্পোরেশনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতোমধ্যে কারিগরি ট্রেড খোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে কারিগরি শিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে সেমিনার হলে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর উদ্যোগে ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘স্কিলস কম্পিটিশন আয়োজন করা হয়।

‘দক্ষতা বৃদ্ধিতে ও কর্মসংস্থানে কারিগরি শিক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও উন্নয়ন) এ কে এম জাকির হোসেন ভুঞা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপসচিব) ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের উপপ্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামান, আইডিইবি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি জাফর আহমদ সাদেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. নূরুল কবীর।

প্রতিযোগিতায় ১২টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত ৩৬টি উদ্ভাবন/প্রকল্প মূল্যায়নের জন্য উপস্থাপন করা হয়। প্রদর্শিত উদ্ভাবন/প্রকল্পগুলো থেকে দেশ, সময় ও বর্তমান বাজারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় রেখে মেধা, মনন, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার ভিত্তিতে উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করা হয়। অটোমেটিক অ্যাডভান্স হেড লাইটিং শীর্ষক প্রকল্প উদ্ভাবন করে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন, পিয়াল বড়–য়া ও সাদিয়া সুলতানা অ্যানি প্রথম স্থান লাভ করেন, সুপার পাওয়ার জেনারেশন শীর্ষক উদ্ভাবন করে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী কাওসার উদ্দিন ও মোরশেদুল আলম ২য় স্থান এবং লাইফ সেভিং ড্রোন শীর্ষক প্রকল্প উদ্ভাবন করে চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী জাহেদ হোসেন নোবেল, তানভীর হাসান ও ফাহিম জাওয়াদ ৩য় স্থান লাভ করেন। অটোমেটিক ওয়াইফার উদ্ভাবন করেন চিটাগং টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী মো. নাজিম উদ্দিন, মো. শাহাদাৎ হোসাইন এবং আবদুল্লাহ আল মাসুদ।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj