বিয়ের কনের সাজপোশাক

রবিবার, ১৪ জানুয়ারি ২০১৮

আশরাফুল ইসলাম রানা

এখনকার সময়ে বিয়ে মানেই হাই ফ্যাশনে নিজেকে উপস্থাপন। যদিও একসময় বিয়ের শাড়ি বলতে লাল টুকটুকে বেনারসিকেই ধরা হতো। কিন্তু ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামের সময়কার ফ্যাশন-সচেতন কনে চান স্বকীয়তা। তাই লাল প্রাধান্য পেলেও এখন গাঢ় সবুজ, খয়েরি, বেগুনি, গোলাপি, ফুশিয়া, ম্যাজেন্টা, টারকোয়েজ নীল, গাঢ় নীল, হলুদ, সাদা এমনকি কালো রঙের ব্যবহার কনের শাড়ির জন্য স্বাভাবিক বিষয়। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ফ্যাশনের ক্ল্যাসিক ট্রেন্ডটি ফিরে এসেছে এখনকার আধুনিক কনেদের বিয়ের সাজপোশাকে।

পোশাকের ডিজাইনকে জীবন্ত করার জন্য ব্যবহার হচ্ছে থ্রিডি এমবেলিশমেন্ট। তবে, থ্রিডি এমবেলিশমেন্টের প্রায় অর্ধেক ডিজাইন নির্ভর করে প্যাটার্নের ওপর। পাশাপাশি কনের পোশাকের প্রধান একটি অনুষঙ্গ ওড়না, যা আমাদের দেশে এখনো আমদানি হয় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান থেকে। তবে ফ্যাশন-সচেতন কনের কাছে দেশীয় ডিজাইনারদের তৈরি ওড়না দিন দিন প্রিয় হয়ে উঠছে।

এখনকার সময়ে বিয়ে মানেই হাই ফ্যাশনে নিজেকে উপস্থাপন। যদিও একসময় বিয়ের শাড়ি বলতে লাল টুকটুকে বেনারসিকেই ধরা হতো। কিন্তু ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামের সময়কার ফ্যাশন-সচেতন কনে চান স্বকীয়তা। তাই লাল প্রাধান্য পেলেও এখন গাঢ় সবুজ, খয়েরি, বেগুনি, গোলাপি, ফুশিয়া, ম্যাজেন্টা, টারকোয়েজ নীল, গাঢ় নীল, হলুদ, সাদা এমনকি কালো রঙের ব্যবহার কনের শাড়ির জন্য স্বাভাবিক বিষয়। আধুনিক যুগের ওয়েডিং প্ল্যানার, ফ্যাশন ডিজাইনারদের গর্জাস বিয়ের পোশাক, বিউটি ব্লুগারদের ইউটিউবে এক্সপেরিমেন্ট এখন কনের সাজ পোশাকের ধারায় প্রভাবক হিসাবে কাজ করে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ফ্যাশনের ক্ল্যাসিক ট্রেন্ডটি ফিরে এসেছে এখনকার আধুনিক কনেদের বিয়ের সাজপোশাকে।

আমাদের দেশীয় ওয়েডিং ফ্যাশনের ক্ষেত্রে এখনো বেনারসি ও ঢাকাই জামদানি পছন্দের শীর্ষে। পরিবর্তনের ছোঁয়ায় এই দেশি বেনারসি ও জামদানির রঙে এসেছে ভিন্নতা। তবে বিয়ের ক্ষেত্রে ভারতীয় পোশাকের জনপ্রিয়তা বনেদী কনেদের কাছে বেশি। পাশাপাশি পোশাকের ডিজাইনকে জীবন্ত করার জন্য ব্যবহার হচ্ছে থ্রিডি এমবেলিশমেন্ট। তবে, থ্রিডি এমবেলিশমেন্টের প্রায় অর্ধেক ডিজাইন নির্ভর করে প্যাটার্নের ওপর। পাশাপাশি কনের পোশাকের প্রধান একটি অনুষঙ্গ ওড়না, যা আমাদের দেশে এখনো আমদানি হয় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান থেকে। তবে ফ্যাশন-সচেতন কনের কাছে দেশীয় ডিজাইনারদের তৈরি ওড়না দিন দিন প্রিয় হয়ে উঠছে। সাজপোশাকেও এখন আধুনিকতার ছোঁয়া।

মডার্ন লুকে কনের সাজে স্মোকি ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়, যা এ সময়ের কনেদের বেশ পছন্দের। এ সময়ের কনেরা বিয়ের সাজে ট্র্যাডিশনাল লুককে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। মডার্ন ব্রাইডাল লুকে নিজেকে বধূ সাজে সাজাতে ফেসের শার্পনেস বের করে আনা যায়। কনের ফিউশন সাজে যাদের চোখ ছোট তাদের চোখের শেপে পরিবর্তন আনা হয়। চোখ বড় করিয়ে দেখানো হয়। তাই দেখতেও ভালো দেখায়। এই সাজে ঠোঁটের সাজকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মুখের বিভিন্ন অংশে মেকআপ ফুটিয়ে তুলতেই এই সাজটি বেশি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

অন্যদিকে পাশ্চাত্য ঘরানার পোশাক পরার প্ল্যান করে নিতে পারেন কনেরা। বিয়ের সাজে ভিন্ন লুক তৈরি হবে এতে। নতুন বউদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে ব্যাপারটা। ঘরভর্তি ঝাঁ-চকচকে শাড়ি-গয়না পরা মেহমানদের মাঝে হারিয়ে না গিয়ে নতুনভাবে নিজেকে উপস্থাপনের চমৎকার এক সুযোগ কিন্তু! আন্ডারড্রেসড না থেকেও যে সহজভাবে বউ সাজা যায়, তা দেখিয়ে দেয়া যাবে সবাইকে। ইংলিশ গার্ডেন স্টাইল কিংবা কনটেম্পরারি স্টাইলটা এ ক্ষেত্রে জুতসই। সে ক্ষেত্রে পোশাকে ট্র্যাডিশনাল লাল এড়িয়ে পিচ, আইসি ব্লু, পিঙ্ক, ব্লুাশ, লাইট মিন্ট, টিল-এর মতো হিমশীতল প্যাস্টেল রঙই নিতে হবে শাড়ি কিংবা লেহেঙ্গায়। স্টাইলের ক্ষেত্রে শাড়ি, লেহেঙ্গা কিংবা শারারার সনাতন লুককে কাস্টমাইজ করে পাশ্চাত্য ধাঁচে উপস্থাপন করা যেতে পারে। ক্রপ চোলির সঙ্গে হাইওয়েস্ট কিংবা ভিক্টোরিয়ান লেহেঙ্গা বেছে নেয়া যায়।

লেহেঙ্গার সঙ্গে সাজে কাজল, মাশকারা আর আইশ্যাডোর ব্যবহার একটু বেশি করা যেতে পারে। সাদা রঙের পাথর আর ছোট-বড় মুক্তার আভায় কনেসাজ পরিপূর্ণতা পাবে।

ফ্রন্ট ফ্লো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ব্রাইডাল লেহেঙ্গা আর আনারকলির সঙ্গে দারুণ দেখায়। বিয়ের ভারী ওড়না দিয়ে করে নেয়া যায় এটি। মূলত কুঁচি করে নিয়ে পিন দিয়ে আটকে দেয়া হয় বাঁ কাঁধে, যেন পেছনের দিকে হাঁটু অব্দি গিয়ে ঠেকে ওড়নাটা। সামনের দিকে ফ্লোর পর্যন্ত থাকলে ভালো। শুধু একটু ভাঁজ করে ডান হাতের মাঝে গুঁজে রাখলেই হবে। শাড়ি বা লেহেঙ্গার ব্লুাউজ বেশি কাজ করা থাকলে ওড়নাটা ড্রেপিংয়ের স্টাইল অনুসরণ করতে পারেন আধুনিক কনেরা। সাধারণত ওড়নার শেষ মাথার একটা কোনা কোমরের বাঁ পাশে গুঁজে দেয়া হয়। পরিপাটি পোশাকে চোখধাঁধানো বিয়ের সাজে কনেকে লাগবে আরো প্রাণোবন্ত।

সাজে কাজল, মাশকারা আর আইশ্যাডোর ব্যবহার একটু বেশি করা যেতে পারে। সাদা রঙের পাথর আর ছোট-বড় মুক্তার আভায় কনেসাজ পরিপূর্ণতা পাবে। শাড়ি বা লেহেঙ্গার ব্লুাউজ বেশি কাজ করা থাকলে ওড়নাটা ড্রেপিংয়ের স্টাইল অনুসরণ করতে পারেন আধুনিক কনেরা। সাধারণত ওড়নার শেষ মাথার একটা কোনা কোমরের বাঁ পাশে গুঁজে দেয়া হয়।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj