গোবিন্দগঞ্জে নিহত সাঁওতালের লাশ ১৫ মাস পর উত্তোলন

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

শাহ আলম সরকার সাজু, গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) থেকে : গোবিন্দগঞ্জের সিনটাজুড়ি গ্রামের সাঁওতাল রমেশ টুডুর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য দীর্ঘ ১৫ মাস পর কবর থেকে তার মরদেহ উত্তোলন করেছে পিবিআই গাইবান্ধা।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ম্যাজিস্ট্রেট ও ডাক্তারসহ এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে কবর থেকে রমেশ টুডুর হাড়গোড় ও মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ উত্তোলন করা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন মিয়া বলেন, ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শ্যামল হেমব্রম ও দিনাজপুরের মঙ্গল মার্ডি মারা যান। পরে সাঁওতালদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, উপজেলার সিনটাজুড়ি গ্রামের রমেশ টুডুও ওই হামলায় প্রাণ হারান। শ্যামল ও মঙ্গলের মরদেহ ময়নাতদন্ত করা হলেও রমেশ টুডুর লাশের ময়নাতদন্ত হয়নি।

এ ব্যাপারে আদালতে আবেদন করা হলে আদালতের নির্দেশে রমেশের মরদেহ উত্তোলন করা হয়। তিনি বলেন, গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে রমেশ টুডুর মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে তার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। আদিবাসী-বাঙালির বাপ-দাদার কাছ থেকে পাকিস্তান সরকারের নেয়া জমি অধিগ্রহণের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে দাবি করে সাঁওতালরা ২০১৬ সালের জুলাই মাসে রংপুর চিনিকলের জমিতে বসতি গড়ে তোলে। পরে ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর আখ কাটাকে কেন্দ্র করে রংপুর সুগার মিলের শ্রমিক-কর্মচারী ও পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj