×

আওয়ামী লীগ

শেখ হাসিনার পতনের যত কারণ, জানাল দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৪, ০৬:৫৯ পিএম

শেখ হাসিনার পতনের যত কারণ, জানাল দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মূলে যেসব কারণ রয়েছে তা ওঠে এসেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে। গত এক সপ্তাহে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা কয়েকজন নেতার কথা বলতে সক্ষম হয়েছে। তাদের কথা থেকেই সরকার পতনের কারণগুলো স্পষ্ট হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের জন্য আত্মগোপনে থাকা ওই নেতাদের একজন দলের অভ্যন্তরীণ একটি স্বার্থগোষ্ঠীকে দায়ী করে বলেছেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) আমাদের কথা শোনেননি।’ এই গোষ্ঠীকে ‘গ্যাং অব ফোর’ বলে আখ্যায়িত করেন নেতাদের একজন। তিনি বলেন, গোষ্ঠীটি শেখ হাসিনাকে বাস্তব অবস্থা বুঝতে দেয়নি।

এই চার নেতা হলেন, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

আওয়ামী লীগের ওই নেতা বলেন, ‘চারজনের এই দল হাসিনার পতনে নেতৃত্ব দিয়েছে। এই ব্যক্তিদের ওপর তার অন্ধবিশ্বাস ছিল। তার যে সহজাত রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ছিল, তা তিনি তাদের কারণে হারিয়েছেন।’

বিএনপিকে নির্বাচনে না আনা ‘বড় ভুল’ ছিল শেখ হাসিনা, এটাকে তার পতনের কারণ হিসেবে দেখছেন ওই নেতারা। তারা বলেন, এ বছরের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিএনপিকে না আনা শেখ হাসিনার একটি ‘বড় ভুল’ ছিল।

আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, নির্যাতন, পুলিশের নিষ্ঠুরতায় জনগণের মধ্যে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, তা আমরা বুঝতে পেরেছিলাম। বিএনপি নির্বাচনে গেলে সেই ক্ষোভ হয়তো থামানো যেত। তাতে আমরাই আবার জিততে পারতাম এবং দল ক্ষমতায় থাকত।

আরো পড়ুন : শেখ হাসিনার পতনের নেপথ্যে যে চারজন, জানা গেল

সূত্রগুলো বলেছে, আওয়ামী লীগের কিছু নেতা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে লন্ডনে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন। একটি চ্যানেলের মাধ্যমে বিএনপিকে নির্বাচনে আনার প্রস্তাবও দেয়া হয়। তারেকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় চ্যানেলটি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের এক বছর আগেই ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু হাসিনা ওই প্রস্তাবে সবুজসংকেত দেননি বলে জানান ওই নেতারা।

তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার বিষয়টি হাসিনার প্রত্যাখ্যান করা ছিল ‘সাংঘাতিক ভুল’, এমনটাই মনে করছেন আওয়ামী লীগের একজন নেতা। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন বিএনপি নির্বাচনে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিএনপিকে নির্বাচনে আনা গেলে বিরোধীদের রাগ–ক্ষোভ হয়তো মিটে যেত।

তারা জানান, গত জানুয়ারির নির্বাচনে জেতার পর শেখ হাসিনা আরো একগুঁয়ে হয়ে ওঠেন ও কোনো পরামর্শ গায়ে মাখেননি। কোটা সংস্কার নিয়ে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনে সৃষ্ট ক্ষোভের মাত্রা বুঝতে ব্যর্থ হন তিনি।

কৌশলে কিছু নেতা হাসিনাকে জুলাইয়ের শুরুতে ছাত্র বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা ছাত্রনেতাদের তুলে নেয়ার পর হাসিনা সরকারের কফিনে শেষ পেরেকটি বসে বলে তাদের ধারণা। 

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে ভোক্তার সংসার

এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে ভোক্তার সংসার

১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর চুক্তি

১০ এয়ারবাস কিনতে ৭ অক্টোবর চুক্তি

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার, আহত ১০

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার, আহত ১০

আইএমএফের চুক্তি ‘বাতিল করে দিয়েছি’: অর্থমন্ত্রী

আইএমএফের চুক্তি ‘বাতিল করে দিয়েছি’: অর্থমন্ত্রী

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App