বান্দরবানের থানচিতে বিরল প্রজাতি শকুন অবমুক্ত

কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৮ পিএম

ছবি: ভোরের কাগজ

বান্দরবানের থানচি রেঞ্জের (বন বিভাগের) তত্ত্বাবধানের দীর্ঘ ১০ দিন সুচিকিৎসা পর সুস্থ হয়ে বিরল প্রজাতি শকুনকে পর্যটন এলাকার তমাতুঙ্গি'র গভীর বনের অবমুক্ত করল প্রশাসন। বিরল প্রজাতি শকুনটি দুই পাকা গজিয়ে উড়াল দিল গভীর বনাঞ্চলের । প্রশাসনিক কর্মকর্তা( ইউএনও) মোহাম্মদ মামুন বলেন,বনেরা বনের সুন্দর,শিশুরা মাতৃ কোলে সুতারাং আজ থেকে এ শকুনটিকে গভীর বনাঞ্চলের অবমুক্ত করে মুক্ত করা হইল । এ বিরল প্রজাতি শকুনটি এশীয় প্রজাতির এবং বাংলা শকুন নামে পরিচিত। পরিবেশ প্রকৃতি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ইইউসিএন বিশ্বের মহা বিপন্ন প্রাণী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেল ৫ টা অবমুক্ত করা হয়।
[video width="848" height="480" mp4="https://www.bhorerkagoj.com/wp-content/uploads/2023/12/WhatsApp-Video-2023-12-20-at-6.37.13-PM.mp4" preload="none"][/video]বন বিভাগের থানচি রেঞ্জের কর্মকর্তা তৌহিদুল রহমান তগর জানান, গত ১০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দুর্গম মায়ানমার সীমান্তে বড় মদক এলাকার রেমাক্রী ইউপি সাবেক মেম্বার লালপিয়াম বম অসুস্থ অবস্থা বনের পড়ে থাকায় বিরল প্রজাতি সাথি হাড়া একা অবস্থা অসুস্থ শকুনকে উদ্ধার করে থানচি থানা সোপর্দ করা হয়। একই দিনের থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো: জসিম উদ্দিন আমাদের বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করেন। বন বিভাগের তত্বাবধানের থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স'র সু- চিকিৎসা এবং শকুনের প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী খাওয়ানো হয়েছে। বুধবার ২০ ডিসেম্বর শকুনটি সম্পূর্ণ সুস্থ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোহাম্মদ মামুনকে অবহিত করেন। বন বিভাগ ও প্রশাসন যৌথ সিদ্ধান্তে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান।

শকুনের অবমুক্ত করার সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও মোহাম্মদ মামুন, জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি অনুপম মারমা, থানচি রেঞ্জের ফরেস্ট গার্ড মৃণাল কান্তি ভাওয়াল, স্পিড বোট ড্রাইভার ফরিদুল আলম, প্লান্টেশন বাগানমালিক মো. মোবারক হোসেন প্রমুখ। এছাড়া অর্ধশতাধিক পর্যটকও এ সময় অংশ নেন।