×

জাতীয়

শ্রম সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি বিশেষজ্ঞদের

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:১১ পিএম

শ্রম সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি বিশেষজ্ঞদের

ছবি: ভোরের কাগজ

শ্রম আইন বিশেষজ্ঞ এবং শ্রমিক নেতারা দাবি করেছেন, দেশের শ্রম আইনের বিধানগুলো বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে এবং শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় একটি শ্রম সংস্কার কমিশন গঠন করা প্রয়োজন। তারা বলেন, সকল সেক্টরের শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক একটি আইন প্রণয়ন করতে হবে। আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য স্পষ্ট শ্রমিক সংজ্ঞা আইনে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

শনিবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে ‘শ্রমিক অধিকার সুরক্ষা: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়। সলিডারিটি সেন্টার, ইন্টারন্যাশনাল লয়ার্স এসিসটিং (আইল) নেটওয়ার্ক এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় শ্রম আইন সংশোধনের জন্য অন্তত ৪০টি সুপারিশ তুলে ধরেন সলিডারিটি সেন্টারের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার এডভোকেট নজরুল ইসলাম।

কর্মশালার প্যানেল আলোচকরা ছিলেন সলিডারিটি সেন্টারের কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর একেএম নাসিম, আইএলওর সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার চৌধুরী আলবাব কাদির, ব্লাস্টের অ্যাডভোকেট সিফাত ই নূর খানম, ইন্ডাস্ট্রি-অল বাংলাদেশ কাউন্সিলের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন এবং শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সমন্বয়ক চৌধুরী আশিকুল আলম।

কর্মশালায় উত্থাপিত সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে-

  • আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের এক আইনের আওতায় আনা
  • অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করা
  • ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন প্রক্রিয়ার জটিলতা দূর করা
  • পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো
  • মাতৃকালীন ছুটি ছয় মাস করা
  • কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  • শ্রম আদালতের মামলা প্রক্রিয়া সহজ করা 
  • এবং নারী শ্রমিকদের জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা ও হয়রানি থেকে রক্ষা করার জন্য বিধান প্রণয়ন করা।

একেএম নাসিম শ্রম সংস্কার কমিশন গঠনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, শ্রম সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের একটি শ্রম সংস্কার কমিশন গঠন করার সময় এসেছে। শ্রমিক অধিকার সংগঠন বা আন্তর্জাতিক সুশীল সমাজ কেউই এই মুহূর্তে নীরব থাকতে পারেন না। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে, তারা যে বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে চায় তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শ্রম আইনের সংশোধনগুলো বিবেচনা করা উচিত।

আলবাব কাদির শ্রমিকদের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে অহেতুক আনুষ্ঠানিকতা কমানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) একটি সালিশি ব্যবস্থা আছে। কিন্তু শ্রম বিভাগেরও রয়েছে একটি। এই আইনি প্রক্রিয়ার ঝামেলার কোন সীমা নেই। শ্রমিকরা এসব বিষয়ে সচেতন নয়, ফলে তারা বিভ্রান্তিতে থাকেন।

আরো পড়ুন: তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলেই কেবল আইনানুগ ব্যবস্থা

নাজিম উদ্দিন মন্তব্য করেন, প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য কোন সুস্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। পোশাক খাতকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক শ্রম ইউনিট হিসাবে বিবেচনা করা হলেও দেশে অনেক ছোট ছোট কারখানা রয়েছে যেখানে শ্রমিকরা খারাপ পরিবেশে কাজ করছে। তাদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল শ্রমিককে সুনির্দিষ্ট শেণিবিন্যাসে আনতে হবে। এখানে সরকারের ভূমিকাই প্রধান।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

বুধবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের দেশে ফেরাতে ‘সর্বোচ্চ’ চেষ্টা করবে সরকার

বাঁধনের ওপর হামলাকারীদের দেশে ফেরাতে ‘সর্বোচ্চ’ চেষ্টা করবে সরকার

নতুন পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনে বড় স্বস্তি

নতুন পে-স্কেলে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনে বড় স্বস্তি

পরীমণির বায়োপিকে অভিনয় করতে চান দীঘি, নেপথ্যে কী

পরীমণির বায়োপিকে অভিনয় করতে চান দীঘি, নেপথ্যে কী

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App