×

জাতীয়

মেলায় ছাতামাথায় সন্তানদের নিয়ে মায়েরা

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৩০ পিএম

মেলায় ছাতামাথায় সন্তানদের নিয়ে মায়েরা

ছাতামাথায় বাবা মায়ের হাত ধরেই বইমেলায় এসেছে শিশুরা

একদিকে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কড়াকড়ি স্বাস্থ্যবিধি, অন্যদিকে চৈত্রের রোদের খরতাপ। এমন নাজেহাল অবস্থার মধ্যেই বাবা মায়ের হাত ধরেই বইমেলায় এসেছে শিশুরা। তবে মেলাচত্বরে তাদের চঞ্চল ছোটাছুটিতে বাধ সেধেছে আগুন ছড়ানো রোদ। সন্তানদের রোদ থেকে বাঁচাতে মায়েরা ছাতা নিয়ে এসেছেন হাতে করে। সেই ছাতা মাথায় সন্তানদের নিয়ে এক স্টল থেকে আরেক স্টলে যাচ্ছেন। পছন্দের বই কিনছেন।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) ছুটির দিনের দুপুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চত্বরে। বইমেলার ১৬তম এই দিনে শিশু চত্বরে ভিড় কিছুটা বেড়েছে। সবকিছু ‍উপেক্ষা করেই মায়েরা তাদের সন্তানদের নিয়ে এসেছেন মেলায়। পছন্দের বইও বেছে বেছে কিনছেন। স্টলের বিক্রয়কর্মীরাও অনেকটা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ক্যান্টমমেন্ট থেকে সন্তানদের নিয়ে মেলায় আসা ডাক্তার মো. জহিরুল ইসলাম বললেন, বই কেনাটা আমার নেশা। প্রতি মাসে আমি প্রচুর বই কিনি। ছোটবেলা থেকেই আমার বই পড়ার অভ্যাস। যখন ছাত্র ছিলাম তখনও বই কিনতাম। সে অভ্যাস এতটুকুও কমেনি। এখনও কিনি এবং পড়ি। যেহেতু আমি একজন ডাক্তার বিজ্ঞানের বই তো পড়িই পাশাপাশি মোগল থেকে শুরু করে নানা ধরণের ইতিহাসের বইও পড়ি। আমার সন্তানকেও বই পড়ার আনন্দটা পাইয়ে দিতে চাই।

তিনি বলেন, আমি পোশাক না কিনলে খারাপ লাগে না কিন্তু বই না কিনলে খারাপ লাগে।

মেলায় আসা শিশু জারিফ জানাল, মেলায় এসে আজকে আমি প্রথম বই কিনেছি। খুব আনন্দ হচ্ছে।

জারিফের বাবা সাইমন শাহেদ জানালেন, বইমেলা শীতকালে হওয়ার সুবিধা বেশি। এখন এই চৈত্রমাসের রোদ মাথায় নিয়ে আসতে হচ্ছে। সন্তানদের ঘোরাঘুরিতে যেন সমস্যা না হয় সেজন্যই ছাতা নিয়ে আসা। তবে ছাতা থেকে বের হয়ে ওরা রোদের মধ্যেই দৌড়াদৌড়ি করছে।

আরেক অভিভাবক সাইদুল ইসলাম বললেন, দীর্ঘদিন ধরেই তো বাচ্চারা ঘরবন্দী। বছরের বেশি সময় ধরে স্কুল বন্ধ। সেই এক বছরের ঘাটতিটা পূরণ করতে মেলায় নিয়ে আসা। তাছাড়া বাচ্চাদেরও আবদার ছিল ওদের পছন্দের বই কিনবে, বিশেষকরে তাই নিয়ে এসেছি। তবে করোনার সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে আর বেরোনো যাবে না হয়তো।

রেজা পাবলিকেশনের তানজিলা জানালেন, ছুটির দিনে আজ শিশু চত্বরে ভিড় আগের চেয়ে বেড়েছে। টুকটাক বেচাবিক্রিও হচ্ছে। তবে মেলার সময় বাড়ানো না হলে এই বেচাবিক্রিও হবে না। যদিও বলা হচ্ছে, করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাচ্ছে। তবে আমরা কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবেই মানছি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বিদেশি প্রকৌশলীরা

এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করছেন বিদেশি প্রকৌশলীরা

‘আর্টিকেল ৫১’ কি সাহাবুদ্দিনের রক্ষাকবচ?

‘আর্টিকেল ৫১’ কি সাহাবুদ্দিনের রক্ষাকবচ?

অর্থ আত্মসাতের সুযোগ নেই, প্রাপ্য সবার কাছে পৌঁছাবে

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অর্থ আত্মসাতের সুযোগ নেই, প্রাপ্য সবার কাছে পৌঁছাবে

পাকিস্তানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ১২ সেনা সদস্যসহ নিহত ১৫

পাকিস্তানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় ১২ সেনা সদস্যসহ নিহত ১৫

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App