×

ভিডিও

মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বেনজীরকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৪, ১০:০৬ এএম

২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে। এবার সেই হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, কক্সবাজারের টেকনাফে আলোচিত মেজর সিনহা হত্যা মামলা থেকে বাঁচানোর আশ্বাস দিয়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশের কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমদ।

-সিনহা হত্যার পর একজন পুলিশ সুপারের মাধ্যমে এ টাকা দেন ওসি প্রদীপ। এ বিষয়ে অবগত আছেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাও। একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, সিনহা হত্যার পর বেনজীর স্যার এক ধমকে ওসি প্রদীপ কুমার দাসের কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন।

প্রদীপের ঘনিষ্ঠ একজন সুপারের মাধ্যমে এ টাকা দেন প্রদীপ। একইভাবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল স্যারও মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছেন প্রদীপকে বাঁচানোর কথা বলে। তিনি বলেন, সিনহা হত্যার পর নিজেদের মোবাইল এড়িয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় বেনজীর স্যার ওসি প্রদীপের সঙ্গে কথা বলেন। ওই সময় বেনজীর স্যার ওসি প্রদীপকে ধমকের সুরে বলেছিলেন, ক্রসফায়ার বাণিজ্য করে তুমি হাজার কোটি টাকা আয় করেছ। 

ঐ ফোনালাপে বেনজির আরো বলেন, শত শত মানুষকে গুলি করে মেরেছ, এখন আমি তোমাকে কেন বাঁচাব? আমি তো আগেও কয়েকবার তোমাকে বাঁচিয়েছি। পরে প্রদীপকে হত্যা মামলা থেকে বাঁচানোর আশ্বাস দিয়ে শতকোটি টাকা দাবি করেন বেনজীর। এমনকি ক্রসফায়ারে নিহতদের লাশ গুনে গুনে টাকা দিতে হবে বলে ধমক দেন। পরবর্তী সময়ে একজন পুলিশ সুপারের মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকা বেনজীরকে দেন প্রদীপ। 

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এই ঘটনায় ৫ আগস্ট তার বোন বাদী হয়ে টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ এবং বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। 

কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালত হত্যা মামলায় অভিযোগ পত্র গ্রহণ করে ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর। পরের বছর জুলাই মাসে হত্যা মামলায় বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। অভিযোগ পত্র সাক্ষী ছিল ৮৩ জন। তাদের মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে।


সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আসিফ মাহমুদের ভোটার এলাকা বদল, জানুন নতুন ঠিকানা

আসিফ মাহমুদের ভোটার এলাকা বদল, জানুন নতুন ঠিকানা

প্রিয়জনকে বিয়ের জন্য লিঙ্গ পরিবর্তন, তরুণীর মৃত্যু

প্রিয়জনকে বিয়ের জন্য লিঙ্গ পরিবর্তন, তরুণীর মৃত্যু

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেসব সহযোগিতার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যেসব সহযোগিতার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী

সফর শেষে বঙ্গভবনে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

সফর শেষে বঙ্গভবনে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App