খালে মাছ চাষে ১শ একরে বোরো আবাদ বন্ধ
nakib
প্রকাশ: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৫:৩৭ পিএম
কালিয়াকুণ্ডি গ্রামে রাজারকাটা খাল। ছবি: প্রতিনিধি।
চৌগাছা উপজেলার পাশাপোল ইউনিয়নের কালিয়াকুণ্ডি গ্রামে রাজারকাটা খালে বাঁধ দিয়ে সারাবছর ধরে মাছচাষ করছেন প্রভাবশালী তিন ব্যক্তি। এমনকি খাল থেকে পানি বের হওয়ার পথও বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে খাল পাড়ের ৮ গ্রামে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। কয়েকশ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ বন্ধ রাখতে হচ্ছে চাষীদের। তারা খাল থেকে দ্রুত বাঁধ অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, রাজারকাটা খাল দিয়ে কালিয়াকুণ্ডি, রানিয়ালী, মালিগাতি, হাউলী, বাড়িয়ালীসহ ৮ গ্রামের পানি নিষ্কাশন হয়। পরে সে পানি যশোর সদরের বুকভরা বাওরে গিয়ে পড়ে। সেখান থেকে খালের মাধ্যমে চলে কপোতাক্ষ নদে পৌঁছে।
তবে ২০১৩ সাল থেকে কালিয়াকুণ্ডি গ্রামের জুল হোসেন, যশোর সদরের ইসলামপুরের সাদেক হোসেন ও শেখপাড়ার আল আমিন খালটিতে মাছ চাষ করছে। সেজন্য জন্য তারা রাজারকাটা খালের মুখে ও বারো মাসের খালের মুখে ব্রিজের নিচে ইট দিয়ে বেঁধে দিয়েছে। এতে খালের পাড় এলাকার আড়াইশ’ বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ওই জমিতে বোরোসহ অন্যান্য আবাদ করতে পারছে না স্থানীয় বাসিন্দারা।
কালিয়াকুণ্ডির সুলাইমান হোসেন জানান, খালের পাড়ে তার জমি আছে। আগে ওই জমিতে বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল ফলাতেন। কিন্তু এখন আর কোনো আবাদ করতে পারছেন না। একই গ্রামের সাবেক মেম্বার আব্দুল মুজিদের অভিযোগ, গ্রামের অনেক মানুষের জমি রয়েছে খালের পাশে। প্রভাবশালী মহল মাছ চাষ করায় তারা এখন ধান চাষ করতে পারছেন না। অথচ তাদের অন্য কোনো পেশাও নেই। ফসল চাষ করেই সংসার চলে। এখন তাদের সংসার চলছে না।
[caption id="attachment_191271" align="aligncenter" width="700"]
বারো মাসের খালের মুখে ব্রিজের নিচের বাঁধ। ছবি: প্রতিনিধি।[/caption]
স্থানীয় পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অবাইদুল ইসলাম সবুজ বলেন, মাছ চাষের জন্য ব্রিজের নিচে বাঁধ দেয়ায় খাল দিয়ে পানি বেরুতে পারছে না। এতে সমস্যায় পড়েছেন এলাকাবাসী। তিনি বলেন, আমার ইউনিয়ন পরিষদে কয়েক বার শালিস বিচার করেছি। কিন্তু যারা মাছ চাষ করছে, তারা কোনো কথাই শুনছে না।
খালের পাশে জমি রয়েছে কালিয়াকুণ্ডি গ্রামের আয়ুব হোসেন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, অঞ্জলী রাণী, সলুয়া গ্রামের এখলাস উদ্দিন, মালিগাতি গ্রামের শংকরের। তাদের দাবি, জমিগুলো জবরদখল করে ওই তিন ব্যক্তি মাছ চাষ করছেন। জমির কথা বলতে গেলে জুল হোসেন তার পোষ্য সন্ত্রাসী দিয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষকারী জুল হোসেন বলেন, আমি ১৫৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছি। সবটুকু ব্যক্তি মালিকানার জমি। ব্রিজের নিচে বাঁধ দিয়েছি, তবে কিছু ইট খোলা আছে, সেখান থেকে পানি বের হতে পারে। শুষ্ক মৌসুমে পানি কমে গেলে চাষীরা সেখানে ধান চাষ করতে পারবে। তাদের কোনো সমস্যা হবে না। গ্রামে আমার একটি প্রতিপক্ষ আছে। তারা আমার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালাচ্ছে।
বারো মাসের খালের মুখে ব্রিজের নিচের বাঁধ। ছবি: প্রতিনিধি।[/caption]
স্থানীয় পাশাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অবাইদুল ইসলাম সবুজ বলেন, মাছ চাষের জন্য ব্রিজের নিচে বাঁধ দেয়ায় খাল দিয়ে পানি বেরুতে পারছে না। এতে সমস্যায় পড়েছেন এলাকাবাসী। তিনি বলেন, আমার ইউনিয়ন পরিষদে কয়েক বার শালিস বিচার করেছি। কিন্তু যারা মাছ চাষ করছে, তারা কোনো কথাই শুনছে না।
খালের পাশে জমি রয়েছে কালিয়াকুণ্ডি গ্রামের আয়ুব হোসেন, আনোয়ার হোসেন, ইসমাঈল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, অঞ্জলী রাণী, সলুয়া গ্রামের এখলাস উদ্দিন, মালিগাতি গ্রামের শংকরের। তাদের দাবি, জমিগুলো জবরদখল করে ওই তিন ব্যক্তি মাছ চাষ করছেন। জমির কথা বলতে গেলে জুল হোসেন তার পোষ্য সন্ত্রাসী দিয়ে তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খালে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষকারী জুল হোসেন বলেন, আমি ১৫৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করছি। সবটুকু ব্যক্তি মালিকানার জমি। ব্রিজের নিচে বাঁধ দিয়েছি, তবে কিছু ইট খোলা আছে, সেখান থেকে পানি বের হতে পারে। শুষ্ক মৌসুমে পানি কমে গেলে চাষীরা সেখানে ধান চাষ করতে পারবে। তাদের কোনো সমস্যা হবে না। গ্রামে আমার একটি প্রতিপক্ষ আছে। তারা আমার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালাচ্ছে।
