এখনই হচ্ছে না এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেল প্রজ্ঞাপন
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
ফাইল ছবি
নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হলেও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবরের বেতন নবম জাতীয় পে-স্কেলের ভিত্তিতে পাওয়ার প্রস্তুতি চললেও এমপিওভুক্তদের ক্ষেত্রে আলাদা প্রজ্ঞাপন এখনই হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে দ্রুত নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে পারেন, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তবে নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে সরকারি বেতনস্কেলের সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় কীভাবে হবে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, এ বিষয়ে আদেশ জারি করবে অর্থ বিভাগ। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, কবে আদেশটি হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগবে। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আরও অপেক্ষায় থাকতে হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিচার বিভাগীয় কর্মীদের জন্য নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নে নভেম্বর বা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেল প্রজ্ঞাপন বিলম্বের কারণ হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানের বেতনপ্রক্রিয়ায় অ্যানালগ পদ্ধতিকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেতন হিসাব করার প্রক্রিয়া হাতে-কলমে করতে হয়। এ কারণে প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্ব হচ্ছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছিলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতনকাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় ৩ লাখ ৯৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছেন প্রায় পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে রয়েছেন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী।
