×

জাতীয়

বছর শেষে বাড়তে পারে খাদ্যসংকট, বিপদে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ

Icon

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

বছর শেষে বাড়তে পারে খাদ্যসংকট, বিপদে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ

ছবি: এআই নির্মিত

  • খাদ্যনিরাপত্তায় বড় শঙ্কা, জরুরি সহায়তা লাগতে পারে প্রায় ৮ লাখ মানুষের।
  • সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে কক্সবাজার, বান্দরবান, সুনামগঞ্জ ও ভাসানচর।
  • আন্তর্জাতিক সংঘাত, জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগই প্রধান কারণ।

যুদ্ধের উত্তাপ, জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর অর্থায়ন সংকটের চাপ পড়ছে দেশের খাদ্যনিরাপত্তায়। সব মিলিয়ে বছরের শেষ নাগাদ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন দেশের প্রায় ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮ লাখ মানুষের প্রয়োজন হতে পারে জরুরি খাদ্যসহায়তা। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কক্সবাজার, বান্দরবান, সুনামগঞ্জ ও ভাসানচরের মতো এলাকা। সময়মতো সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জাতিসংঘের বৈশ্বিক ক্ষুধা পর্যবেক্ষণ সংস্থা দ্য ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্ল্যাসিফিকেশন (আইপিসি) এই পূর্বাভাস দিয়েছে।

সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের কক্সবাজার, বান্দরবান ও সুনামগঞ্জে তীব্র খাদ্যসংকটের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়া কক্সবাজার ও ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলার দরিদ্র পরিবার ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাসিন্দারাও এ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। অন্যদিকে বাগেরহাট, বরিশাল, ঝালকাঠি ও নোয়াখালীর খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হয়ে চাপের পর্যায় থেকে সংকটের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

চলতি বছরের জুনে ‘বাংলাদেশে তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ: মে-ডিসেম্বর ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আইপিসি। এতে মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সংস্থাটির মূল্যায়নে খাদ্যসংকটের মাত্রা নির্ধারণে পাঁচটি পর্যায় ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে রয়েছেন ৪ কোটি ২৮ লাখ ২৯ হাজার মানুষ, যাঁরা পর্যাপ্ত খাদ্য পেয়ে থাকেন। দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছেন ৩ কোটি ৮২ লাখ ৪৯ হাজার মানুষ, যাঁদের খাদ্য সংগ্রহে চাপ রয়েছে।

তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছেন ১ কোটি ৭৩ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ, যাঁরা সংকটপূর্ণ খাদ্য পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারেন। চতুর্থ পর্যায়ে রয়েছেন ৭ লাখ ৮৭ হাজার মানুষ, যাঁদের পরিস্থিতি জরুরি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে এবং জরুরি সহায়তার প্রয়োজন হতে পারে। পঞ্চম পর্যায় হলো দুর্ভিক্ষ। প্রতিবেদনে এ পর্যায়ে থাকা মানুষের সংখ্যা শূন্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বাড়ার পেছনে শুধু খাদ্যশস্যের উৎপাদন বা সরবরাহের ঘাটতিই দায়ী নয়। আন্তর্জাতিক সংঘাত, জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধি, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানবিক সহায়তায় অর্থের সংকটও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার, দুর্যোগপ্রবণ এলাকার বাসিন্দা এবং মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সময়মতো সহায়তা ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

আইপিসির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কক্সবাজার ও ভাসানচরের আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রায় ৩৫ শতাংশ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন। তাঁদের মধ্যে ১০ শতাংশ জরুরি পর্যায়ের সংকটে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে বান্দরবান ও সুনামগঞ্জের জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন। এ দুই জেলার ঝুঁকিতে থাকা মানুষের মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশের পরিস্থিতি জরুরি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ফলে আশ্রয়শিবিরগুলো ছাড়াও পার্বত্য জেলা বান্দরবান ও হাওরাঞ্চলের সুনামগঞ্জে খাদ্যসংকট মোকাবিলা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য সাধারণ খাদ্যসহায়তায় অর্থের ঘাটতি, সুনামগঞ্জ ও বান্দরবানে সাম্প্রতিক বন্যা, জীবিকার সীমিত সুযোগ এবং অনানুষ্ঠানিক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাকে এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বছরের শেষ নাগাদ খাদ্যসহায়তার অর্থ নিশ্চিত করা না গেলে আশ্রয়শিবিরগুলোয় সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং আশ্রয়শিবিরের বাইরের বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি খাগড়াছড়ি, কুড়িগ্রাম ও রাঙামাটির প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারেন। দেশের অন্যান্য জেলায় এ ধরনের সংকটে পড়ার ঝুঁকিতে থাকতে পারেন ১০ থেকে ২৫ শতাংশ মানুষ।

কক্সবাজারে বসবাসরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী তাদের ন্যূনতম খাদ্যচাহিদা পূরণে পুরোপুরি মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। বছরের শেষ দিকে খাদ্যসহায়তা সরবরাহে বিরতি তৈরি হলে তাঁদের মধ্যে অপর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দাদের স্বনির্ভরতা ও জীবিকার সুযোগ বাড়ানোর কর্মসূচিতেও অর্থায়ন কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর সঙ্গে সীমান্তের ওপারে অস্থিতিশীলতা, ঘূর্ণিঝড় ও আকস্মিক বন্যার মতো জলবায়ুজনিত দুর্যোগ যুক্ত হলে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।

আন্তর্জাতিক সংঘাতই অন্যতম কারণ

খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতির সম্ভাব্য অবনতির পেছনে আন্তর্জাতিক সংঘাত ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতাকে অন্যতম ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করেছে আইপিসি। ইউক্রেন ও ফিলিস্তিনের সংকটের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি, সার ও কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা নতুন করে চাপে পড়েছে।

তেল, গ্যাস ও সার পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্নের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের ব্যয় বেড়েছে। জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং সারের সরবরাহে অনিশ্চয়তা কৃষি উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে কৃষকদের জন্য ফসল উৎপাদন কঠিন হয়ে পড়বে। একই সঙ্গে খাদ্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হলে বাজারে দামের ওপরও চাপ বাড়তে পারে।

এ ছাড়া প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা এবং জৈব জ্বালানি উৎপাদনে কৃষিপণ্যের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও খাদ্যপণ্যের দামে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। এসব পরিস্থিতির প্রভাব খাদ্য, জ্বালানি, সার, অর্থায়ন ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে পড়তে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতেও খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা

চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশের আবহাওয়াও খাদ্যনিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। স্বাভাবিক ঘূর্ণিঝড় মৌসুমের প্রভাব থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে তিন থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার কোনো কোনোটি নিম্নচাপ কিংবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টির ঘাটতি এবং তাপপ্রবাহের প্রভাব কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় বা আকস্মিক বন্যার মতো দুর্যোগ দেখা দিলে ফসল, কৃষি অবকাঠামো ও খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এসব দুর্যোগের প্রভাব শেষ পর্যন্ত খাদ্যপণ্যের প্রাপ্যতা এবং সাধারণ মানুষের খাদ্য কেনার সক্ষমতার ওপর পড়তে পারে।

ব্যাহত হতে পারে ধান উৎপাদন

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সারের প্রাপ্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। জ্বালানি ও সারের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে ধান উৎপাদনের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে উৎপাদন মৌসুমে কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে গেলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, যা ফসল উৎপাদনের সিদ্ধান্তেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ছাড়া ২০২৬ সালে হাওরাঞ্চলে বন্যার কারণে খাদ্যশস্য ও বীজ সংগ্রহে বিঘ্ন ঘটেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব জাতীয় খাদ্য সরবরাহ এবং পরবর্তী মৌসুমের উৎপাদনে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে আগের বছরের তুলনায় কৃষি উৎপাদন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষি উৎপাদন কমে গেলে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে চাহিদা অব্যাহত থাকলে খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ঝুঁকিও থাকবে। এতে বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য কেনার সক্ষমতা আরও কমে যেতে পারে। ফলে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ও সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হলে খাদ্যনিরাপত্তার সংকট শুধু প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

খাদ্যসহায়তায় ১৭৫ লাখ ডলারের ঘাটতি

চলতি বছর জীবনরক্ষাকারী খাদ্যসহায়তা কার্যক্রমে ১ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতি রয়েছে। এ ঘাটতির কারণে বছরের শেষ মাসে খাদ্যসহায়তা অব্যাহত রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়ে একাধিক সংকট এবং মানবিক সহায়তায় অর্থ বরাদ্দের অগ্রাধিকারে পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে সামগ্রিক মানবিক সহায়তার পরিমাণও সীমিত হয়ে পড়েছে।

বিশেষ করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর খাদ্যসহায়তা এবং আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত মানুষের জীবিকা ও স্বনির্ভরতা বাড়ানোর কর্মসূচিতে অর্থের ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এসব কর্মসূচিতে অর্থায়ন কমে গেলে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে নিয়মিত খাদ্যসহায়তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আইপিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বছরের শেষ দিকে সম্ভাব্য খাদ্যসংকট মোকাবিলায় সময়মতো অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কক্সবাজার ও ভাসানচরের আশ্রয়শিবির, বান্দরবান ও সুনামগঞ্জসহ দুর্যোগপ্রবণ এলাকার মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ নিয়ে কথা হয় কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদন ধরে রাখতে ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে কৃষি খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হলে তা বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকেও আকৃষ্ট করে এবং বাণিজ্যিকভাবে কৃষিতে বিনিয়োগ উৎসাহিত হয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে কৃষি উপকরণের বিক্রি ও সরবরাহের প্রায় ৯৫ থেকে ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তাই সরকার ও বেসরকারি খাত উভয় পক্ষের যৌথ বিনিয়োগ বাড়িয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করার পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য যেন কৃষক পান, সেই বাজার ব্যবস্থাপনার নিশ্চয়তা দরকার।

ড. জাহাঙ্গীর আরও বলেন, ‘দেশে ব্যবহৃত মোট ডিজেলের প্রায় ২৪ শতাংশই কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়। সেচ ও কৃষি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে এবং খাদ্য উতৎপাদন কমে যাওয়া ঠেকাতে সেচ কাজে ব্যবহৃত ডিজেলের ওপর বিশেষ অর্থ বা ভর্তুকি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। কৃষকদের সরাসরি ডিজেল ভর্তুকি দেওয়া সম্ভব হলে উৎপাদন কমে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব হবে।’

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা-সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

রাষ্ট্রপতি প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা-সমঅধিকার নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ

‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে’

‘হিলারী ক্লিনটন তো অনেক বোকা, আবার ড. ইউনূসকে পুরষ্কৃত করেছে’

বছর শেষে বাড়তে পারে খাদ্যসংকট, বিপদে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ

বছর শেষে বাড়তে পারে খাদ্যসংকট, বিপদে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ

জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App