প্রথম নারী প্রধান তথ্য কমিশনার নাহরিন ইসলাম
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
ড. নাহরিন ইসলাম খান। ফাইল ছবি
তথ্য কমিশনের প্রথম নারী প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খান।
একইসঙ্গে সাংবাদিক এস এ এম মাহফুজুর রহমান ও খান মোহাম্মদ আবুল হোসেনকে তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রেস-২ শাখা থেকে দেওয়া দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
উপসচিব খাদিজা তাহেরা ববি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর ১৫(১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রধান তথ্য কমিশনারের পদমর্যাদা, পারিশ্রমিক, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সরকার নির্ধারণ করবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান দুই দশকের বেশি সময় ধরে গবেষণা, শিক্ষকতা ও নীতি প্রণয়নের কাজে যুক্ত রয়েছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে জার্মানির মারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ফ্রেইবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ নীতি ও পরিবেশগত বিরোধ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। অস্ট্রিয়ার বোকু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জেন্ডার স্টাডিজে ডিপ্লোমাও অর্জন করেন তিনি।
আরও পড়ুন: রাজধানীর ১৩ স্পটে প্রধানমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন
বর্তমানে তিনি মাধ্যমিক শিক্ষাক্রমের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ উন্নয়ন ও সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘হিট’ প্রকল্পের ন্যাশনাল এক্সপার্ট কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) যৌন হয়রানি ও ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়কও তিনি।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নাহরিন ইসলাম খান কানাডাভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘কনফ্লিক্ট অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিআরআরআইসি)-এর পরিচালক। পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিবেশগত ন্যায়বিচারবিষয়ক প্রকল্প ‘রুলস অব ল অন আর্থ’-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে অনুষ্ঠান প্রযোজনা, উপস্থাপনা ও লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইনের অধীনে তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা এবং সরকারি ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানো কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য।
