পে স্কেল নিয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬-এর আওতার বাইরে থাকা কিছু ভাতা নির্ধারণের বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব ভাতা ২০২৬ সালের ৩০ জুনে প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে হিসাব করা হবে।
প্রজ্ঞাপনটি ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সই করেছেন অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম। এর আগে ১৮ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি-৩ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর আওতাভুক্ত নয়—এমন কিছু ভাতা মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে দেওয়া হয়। পরবর্তী আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এসব ভাতা ২০২৬ সালের ৩০ জুনে প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে হিসাব করে পরিশোধ করতে হবে।
এ নির্দেশনা সরকারের মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থার পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সেই কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাঁরা মূল বেতনের শতাংশভিত্তিক প্রচলিত ভাতা পান এবং যেসব ভাতা ২০২৬ সালের বেতন ও ভাতাদি আদেশের আওতাভুক্ত নয়।
দীর্ঘ ১১ বছরের ব্যবধানে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকার নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের মধ্যে তিন ধাপে নতুন মূল বেতন কার্যকরের পরিকল্পনা রয়েছে। বেতন সমন্বয়ের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের ৩০ জুনে বিদ্যমান মূল বেতন।
তবে নতুন বেতনকাঠামোর আওতার বাইরে থাকা ভাতাগুলো নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে হিসাব করা হবে না। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এসব ভাতা আগের নির্ধারিত মূল বেতনের ভিত্তিতেই দেওয়া হবে।
