প্রধানমন্ত্রী মাত্র ৪ ঘণ্টা ঘুমান : আইনমন্ত্রী
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিদিন মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমান বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ফজরের নামাজের পর থেকে প্রায় শেষ রাত পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কাজ করেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যেই সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
এদিন ঝিনাইদহে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (পিটিআই) নতুন ভবন উদ্বোধন করেন আইনমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী সরকার
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রস্তুতির বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে সরকার আশাবাদী। আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় আরও ভালো নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এসব পরিকল্পনা যথাসময়ে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি। একটি ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইনমন্ত্রী।
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কাজ করলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিষয়ে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেবেন। সরকারের যত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিই হোন না কেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন।
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
বিসিআইসির সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, সার ডিলার নিয়োগে কোনো অনিয়মের খবর তিনি পাননি। সার ডিলার নিয়োগ ও সার বরাদ্দের ক্ষেত্রে সরকার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাজ করছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন আইনমন্ত্রী। সভায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবলসংকট নিরসন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, শৈলকূপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
