নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন না যারা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সাপ্তাহিক ছুটি ও ধর্মীয় উৎসব মিলিয়ে টানা তিন দিনের ছুটি পেতে পারেন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। তবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ছুটি কার্যকর হবে না। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ছুটির তালিকা ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে ছুটির বিষয়টি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে বুধবার (২১ অক্টোবর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং ৮ নভেম্বর (রোববার) শ্যামাপূজা উপলক্ষে ছুটি নির্ধারিত রয়েছে।
এর আগের দিন ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সরকারি-বেসরকারি স্কুল-কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা টানা তিন দিনের ছুটি পেতে পারেন। একই সময়ে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও বন্ধ থাকার কথা রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসায় ছুটি নিয়ে অনিশ্চয়তা
সরকারি ও এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার ছুটি থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টানা তিন দিনের ছুটি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছুটি নির্ভর করবে নিজস্ব একাডেমিক ক্যালেন্ডার ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির তালিকায় শ্যামাপূজার ছুটির উল্লেখ নেই। ফলে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে টানা তিন দিনের ছুটি কার্যকর হবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।
এদিকে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ছুটির তালিকাতেও শ্যামাপূজার ছুটি উল্লেখ করা হয়নি। এ কারণে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ছুটি পাবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
৮ নভেম্বর শ্যামাপূজা
হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা বা কালীপূজা। বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
দেবী কালীর উদ্দেশে নিবেদিত এ পূজা সাধারণত কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে পালিত হয়। শ্যামাপূজার দিন দীপাবলি উৎসবও উদযাপিত হয়। বাংলাদেশসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, আসাম ও ত্রিপুরার বিভিন্ন অঞ্চলে এ উৎসব পালিত হয়।
দীপাবলি দীপান্বিতা, দীপালিকা, সুখরাত্রি, সুখসুপ্তিকা ও যক্ষরাত্রি নামেও পরিচিত। সর্বভারতীয় পর্যায়ে এ দিনে লক্ষ্মীপূজার প্রচলন থাকলেও বাঙালি, অসমীয়া ও ওড়িয়াদের মধ্যে কালীপূজা বিশেষ গুরুত্ব পায়। এ ছাড়া মাঘ মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশীতে রটন্তী কালীপূজা এবং জ্যৈষ্ঠ মাসের অমাবস্যায় ফলহারিণী কালীপূজাও পালিত হয়।
