×

বরিশাল

সংগ্রামী জীবন: অবহেলিত উপকূলীয় শিশুদের শৈশব

Icon

এআর সোহেব চৌধুরী, চরফ্যাশন (ভোলা)

প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম

সংগ্রামী জীবন: অবহেলিত উপকূলীয় শিশুদের শৈশব

মেঘনা নদীর উপকূলে বিচ্ছিন্ন পূর্ব ঢালচর এলাকায় নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত শিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

‘নদীতে জেলে শিশু’ দারিদ্রের অবহেলিত শৈশব এবং বেঁচে থাকার কঠিন লড়াইয়ে নদীর বুকে জীবন খুঁজে বেড়াচ্ছে চরফ্যাশন উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চলের শিশুরা। যে বয়সে একটি শিশুর স্কুলে যাওয়ার কথা, বই-খাতা নিয়ে খেলার কথা, সেই বয়সে জীবন ও জীবিকার তাগিদে উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে নদীর বুকে জাল ফেলতে হয় এসব শিশুদের।

এটি একদিকে যেমন তাদের অদম্য টিকে থাকার গল্প, অন্যদিকে তেমনই এক নির্মম সামাজিক চিত্র ফুটে ওঠেছে। চরফ্যাশন উপজেলায় জেলে শিশুর সংখ্যা অতিমাত্রায় দিন দিন বেড়ে চলছে। জেলেদের সঙ্গে এসব শিশুরা নদী ও সাগরে যাচ্ছে মৎস শিকারের উদ্দেশ্যে। ট্রলারের কাজে বড়দের সঙ্গে জাল টানা, জাল থেকে মাছ বাছাই করা ও মাছ প্রক্রিয়াজাত করণের কাজসহ নৌকায় রান্নায় বাবুর্চিকে সাহায্য করে থাকে এসব শিশুরা।

আইনি নিষেধাজ্ঞা ও নানা কড়াকড়ি থাকা সত্ত্বেও দেশে শিশু জেলের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। যেকারণে চরফ্যাশনের উপকূলীয় অঞ্চলে জেলে শিশুর সংখ্যা বাড়ছে, চরম দারিদ্র্য, পারিবারিক অসচ্ছলতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় চরাঞ্চলের শিশুরা প্রথাগত শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এই জেলে পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। অভাবের কারণে অনেক পরিবার তাদের শিশুদের স্কুলে না পাঠিয়ে আয়ের উৎস হিসেবে সাগর বা নদীতে মাছ ধরতে পাঠায়। পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে নদীভাঙন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে সর্বস্ব হারিয়ে অনেক পরিবার নদী বেষ্টিত বিভিন্ন চর এলাকায় স্থানান্তরিত হয়, যেখানে মাছ ধরাই একমাত্র জীবিকা।

মেঘনা নদীর উপকূলে বিচ্ছিন্ন পূর্ব ঢালচর এলাকায় নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত শিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়া আড়ত মহাজন, নৌকা বা ট্রলার মালিকরা অনেক সময় প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে কম মজুরিতে শিশুদের দিয়ে হাড়ভাঙা খাটুনি করাতে পারে তাই দাদনের লোভ দেখিয়ে শিশুদের জেলে হিসেবে নৌকায় নিচ্ছে। বাবা-দাদার পেশা ধরে রাখতেও অনেক শিশু খুব ছোটো বা কিশোরবেলা থেকেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই মাছ ধরার নৌকায় উঠে পড়ে।

জেলে কামাল হাওলাদার বলেন, মাদ্রাজ ইউনিয়নে অবস্থিত বৃহৎ সামুদ্রিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নদী ও সাগরের প্রায় ৭শ মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে। এসব ট্রলারের মধ্যে অন্তত ২শ নৌকার প্রতিটিতে দুই থেকে তিন জন করে শিশু,কিশোর জেলে রয়েছে। জেলে সজীব জমাদার বলেন, বকশি মৎস্যঘাট, হাজারীগঞ্জ মৎস্যঘাট,নুরাবাদ গাছিরখাল মৎস্যঘাট ও নতুন স্লুইসগেট মৎস্যঘাট এলাকায় প্রতিটি ছোট বড় ইঞ্জিন চালিত নৌকায় ও ট্রলিং বোট এবং ট্রলারে ১৮বছরের নিচে হাজার হাজার শিশু বা কিশোর জেলে রয়েছে। যারা চরম বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়।

সামরাজ মৎস্য ঘাটের আল্লাহর দান নামের একটি সামুদ্রিক ট্রলারের মাঝি বয়াতি কামাল বলেন, ১৫ থেকে ১৬ বছরের অনেক শিশুর মা বা পরিবারের নানা নানি ঘাটে এসে জেলেদের ধরেপড়ে বলেন “বাচ্চার বাবা নেই সংসারে ডাল ভাতের জোগান দিতে তার ছেলেকে নদীতে নেয়ার জন্য অনুনয় করেন”। অনেক সময় আমাদের জেলেরা আবেগের বসে তাদের অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের মাছ ধরতে নিয়ে যায় আসলে যা মোটেই উচিত নয়।

মেঘনা নদীর উপকূলে বিচ্ছিন্ন পূর্ব ঢালচর এলাকায় নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত শিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

মনপুরার মেঘনা নামের ট্রলারের জেলে নুরে আলম বলেন, আমরা মাছ শিকার করে সামরাজ মৎস্যঘাটে মাছ বিক্রি করতে আসি। এখানকার প্রতিটি ট্রলারে কমপক্ষে দুইজন শিশু জেলে হিসেবে নদী ও সাগরে মাছ শিকারে যায়। যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। এসব ট্রলারের শিশুরা অন্যদের সঙ্গে সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে ঝুঁকির মধ্যে পরে।

এফবি মায়েরদোয়া ট্রলারের বাবুর্চি আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ঘাটের একাধিক ট্রলারে ২ থেকে ৩ জন করে জেলে শিশু রয়েছে যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৫ বছর হবে। এসব শিশুরা জেলেদের সঙ্গে নদী ও সমুদ্রে গিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। নদীতে ইলিশ পড়লে বর্ষার বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও এসব শিশুরা ইলিশমাছ ধরতে ঝুঁকি নেয় যা তাদের জন্য অনিরাপদ। অনেক সময় বোট উলটে বা ডুবে গিয়ে অনেক শিশুরা নিখোঁজ হয়। কিছু কিছু শিশু তাদের বাবা অথবা আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে ছোটো ছোটো নৌকায় এবং ছোটো ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে নদীতে মাছ ধরতে যায়। যাদের মধ্যে অনেকেই অবৈতনিক হিসেবে সাহায্যের জন্য কাজ করে। তবে এসব শিশুদের মধ্যে কেউ কেউ বিদ্যালয়েও পড়ালেখা করে।

মাদ্রাজ ইউনিয়ন সামরাজ মাৎস্য ঘাটের জেলে শিশু আবদুর রহিম (১৪) বলেন, আমার বাবা নেই। ৩বছর আগে নদীতে মাছ শিকারে গিয়ে বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে উত্তাল ঢেউয়ে বোট উলটে বাবা নিখোঁজ হয়। আমাদের সংসারে চাল ডাল কিনে দেয়ার মতো কেউ নেই। অভাবের সংসারে চাচার সঙ্গে নদীতে যাই। আমার ছোট ছোট দুইটা বোন আছে। তাদের দেখার কেউ নেই।

একই ঘাটের শিশু জেলে মো. আকবর হোসেন (১৪) বলেন, আমার বাড়ি নীলকমল ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায়। বাবা না থাকায় মায়ের কথায় এলাকার মামার সঙ্গে তাদের বোটে এসেছি। আমি বাবুর্চিযে রান্নার কাজে,জাল থেকে মাছ ছাড়ানোসহ জেলেদের সাহায্যে কাজ করি। নগদ টাকা ও মাছ পাই। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছি।

মেঘনা নদীর উপকূলে বিচ্ছিন্ন পূর্ব ঢালচর এলাকায় নদীতে মাছ শিকারে ব্যস্ত শিশুরা। ছবি: সংগৃহীত

ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, শিশু শ্রমের প্রধান কারণ হচ্ছে দারিদ্র। গভীর সমুদ্রে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস এবং ট্রলার ডুবির মতো মারাত্মক জীবননাশের ঝুঁকিতে রয়েছে এসব শিশুরা। অনেক সময় ট্রলারের বড় ও বয়স্ক মাঝিমাল্লা বা মালিকদের দ্বারা শিশুরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। 

শিশু সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লিটল সিটিজেনস ফর ক্লাইমেটের বাংলাদেশ এম্বাসেডর সানজীদুল ইসলাম বলেন, শিশুশ্রম প্রতিরোধ আইনের সঠিক বাস্তবায়ন এবং শিশুদের সাগরে নেওয়া ট্রলার মালিকদের শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চল ও বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের যেসব এলাকায় মাছ ধরা ছাড়া জীবিকানির্বাহে আর কোনো কাজ নেই সেসব এলাকায় জেলে পরিবারগুলোর জন্য বিকল্প আয়ের উৎস তৈরি করতে হবে। যাতে তারা শিশুদের কাজে পাঠাতে বাধ্য না হয়। বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে উপকূলীয় ও দুর্গম চরাঞ্চলে ভাসমান বা বিশেষ নৈশকালীন স্কুলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

এছাড়াও সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মাছ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলে পরিবারগুলোকে দেওয়া চাল ও সহায়তার পরিমাণ বাড়ানো এবং তা যেন প্রকৃত অভাবী পরিবারসহ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জেলেরা পায় তা নিশ্চিত করলে উপকূলের শিশুরা ঝুকিপূর্ণ কাজ থেকে একটি নিরাপদ শৈশব ফিরে পাবে।

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন, নদী ও সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে শিশুদের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি, নোনা পানি, টানা রোদে কাজ করা এবং অপর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের কারণে এসব শিশুরা অপুষ্টি ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধিতেও ভোগে।

উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপার ভাইজার খলিলুর রহমান বলেন, চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ চর ফকিরা,ঢালচর,চর নিজামসহ একাধিক বিচ্ছিন্ন চর ও উপকূলীয় এলাকার কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বছরের একটি বড় সময় সাগরে ও নদীতে যায় মাছ ধরার জন্য। এছাড়াও তরমুজ কিংবা ধানকাটা মৌসুমে কাজ করার কারণে উপকূলীয় এসব শিশুরা চিরতরে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ছিটকে পড়ছে। আমরা এসব শিক্ষার্থীদের জন্য অভিভাবক সমাবেশে শিশুশ্রমের জন্য অভিভাবকদের নিরুৎসাহিত করি। দরিদ্র পরিবারগুলো অভাবের সংসারে দৈনিক কিছু ইনকামের আশায় তাদের শিশু সন্তানদের নদীতে পাঠাচ্ছে। সরকার যদি এসব দরিদ্র পরিবারকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাহলে এসব শিশুরা বিদ্যালয়মুখি হবে।

উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়,চরফ্যাশন উপজেলাটি নদী সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় এখানকার চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকার বিভিন্ন জেলা থেকে এই অঞ্চলে আসা যাওয়া করা ও স্থানীয়সহ মোট ইঞ্জিনচালিত ট্রলার রয়েছে ৬হাজার ২৯৬টি। জানাযায় এসব ট্রলার বা মাছ ধরার নৌ-যানে কম বয়সী প্রচুর সংখ্যক শিশু জেলে রয়েছে। যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটি অনিরাপদ পেশায় জড়িত। 

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, উপকূলের প্রায় ১৩ শতাংশ মানুষ এবং বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচর,চর নিজাম,মুজিবনগর,চর কুকরি-মুকরি পাতিলার চরসহ আরও একাধিক চরের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের পেশা হচ্ছে মৎস্য শিকার করা। এ অঞ্চলে জেলের সংখ্যা হচ্ছে ৪৩ হাজার ২৮৫ জন। সমুদ্রগামী ট্রলার রয়েছে ৫০২টি যার মধ্যে লাইসেন্স প্রাপ্ত ট্রলার রয়েছে ১৭১টি। এসব জেলেদের নৌকা ও ট্রলারে অনেক শিশু জেলে থাকলেও শিশুশ্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় আমরা জেলে বোট মালিকদের সবসময় শিশুশ্রম নিরুৎসাহিত করি।

পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরের “সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিসারিস প্রকল্পে”র আওতায় জেলে পরিবারের ঝরে পড়া শিশু ও যুবকদের নিয়ে আমরা কাজ করেছিলাম। সেক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে জেলে পরিবারের সন্তানরা জেলে পেশার বাহিরে গিয়ে অন্য কাজের আগ্রহ খুবই কম। তাদের জন্য থার্ড পার্টি এনজিওর মাধ্যমে ভোকেশনাল ট্রেনিং করানো হয়। হাউজ ওয়েল্ডিং, ড্রাইভিংসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় এবং চাকুরিও দেয়া হয়। কিন্তু যখন নদীতে মাছ পড়ে তখন এসব শিশু বা যুবকদের বাবা বা আত্মীয়রা বলে ওইসব চাকুরি বাদ দিয়ে এসে মাছ ধরো। তাদের এমন অনাগ্রহের চিত্র আমাদের এ প্রকল্পে উঠে এসেছে।

চরফ্যাশন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেন বলেন, শিশুদের সুরক্ষায় এবং শিশুশ্রম নিরসনে বাংলাদেশ সরকার বদ্ধপরিকর। কেবল আইন প্রয়োগ করে বা সরকারি উদ্যোগে এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা। উপকূলের ঝরে পড়া শিশু ও নদীতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে এমন শিশুদের দরিদ্র বাবা মা বা অসচ্ছল পরিবার যদি কোনো সরকারি সহায়তা ইতিপূর্বে না পেয়ে থাকে তাহলে তাদেরকে সামাজিক পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় শ্রম আইন অনুযায়ী ১৪বছরের কম বয়সী শিশুদের কাজে নিয়োগ দেয়া নিষিদ্ধ। শিশু সুরক্ষায় শিশুশ্রম দমনে আইনের বাস্তবায়নে এ আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেখা গিয়েছে যে, প্রশাসন বিভিন্ন এলাকায় শিশু শ্রম বন্ধে অভিযান চালালেও এটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। কিছুদিন পর আবার এসব শিশুরা তাদের অভিভাবকদের কারণে অন্য কোনো পেশায় পুনরায় জড়িয়ে পড়ছে। তারপরও আমরা এ বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে আনবো। 

শিশুশ্রম অধিকার সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে নদী তীরবর্তী ও চর এলাকার অভিভাবকদের বোঝাতে হবে যে, আজকের সাময়িক উপার্জনের জন্য শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকার করা কোনো সমাধান নয়। শিক্ষাই তাদের এই দারিদ্রের চক্র থেকে মুক্ত করতে পারে। পাশাপাশি অসচ্ছল জেলে পরিবারগুলোকে (যারা পায়নি) ভিজিডি,ভিজিএফ বা বিশেষ ভাতার আওতায় এনে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করা হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বিএনপি নেতা ফারুক হত্যার দায়ে ৩ জনের ফাঁসি

বিএনপি নেতা ফারুক হত্যার দায়ে ৩ জনের ফাঁসি

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু

ইন্টারনেট সংযোগের কাজে গিয়ে প্রাণ গেল বিটিসিএল শ্রমিকের

ইন্টারনেট সংযোগের কাজে গিয়ে প্রাণ গেল বিটিসিএল শ্রমিকের

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App