এবার নির্মাণাধীন সেতুতে রডের বদলে জিআই তার
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার হাসানহাট বাজারসংলগ্ন নির্মাণাধীন একটি সেতুতে রডের পরিবর্তে জিআই (গ্যালভানাইজড আয়রন) তার ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ঢালাইয়ে নির্ধারিত অনুপাতে সিমেন্ট না দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ ছাড়া জমিদারহাট-সাহেবেরহাট-হাসানহাট হয়ে মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কের আরেকটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিং নির্মাণেও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
এসব ঘটনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল স্বাক্ষরিত পৃথক তিনটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। একটি সেতুর নির্মাণকাজ তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগে বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ ও উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স হক ট্রেডার্সকে নকশা ও নির্ধারিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ত্রুটিপূর্ণ কাজ সাত দিনের মধ্যে সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ত্রুটিপূর্ণ কাজের বিল না দেওয়ার জন্যও সতর্ক করা হয়েছে।
এলজিইডি সূত্র জানায়, জমিদারহাট-সাহেবেরহাট-হাসানহাট হয়ে মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কে ৪৯ দশমিক ০৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর পরিদর্শনে ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের কাজ নিম্নমানের এবং নকশা ও স্পেসিফিকেশন-বহির্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়।
হাসানহাট বাজারসংলগ্ন প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন আরেকটি সেতুতেও রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় লোকজনের ক্ষোভের পর ওই সেতুর কিছু অংশ ভেঙে দেওয়া হয় এবং বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মনসুর আহমাদ আহমেদ বলেন, রডের পরিবর্তে জিআই তার ব্যবহার করা অংশগুলো অপসারণ করে নতুন করে নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দায়ী করা হলেও এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।
