পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে আ. লীগ
কাগজ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:৩৩ পিএম
১২৫ জন পোলিং এজেন্ট নিয়ে রবিবার তেজগাঁও শিল্প এলাকা ঢাকা জেলা শাখা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ‘মাস্টার ট্রেইনার রিফ্রেশার্স’র প্রশিক্ষণ সভায় বক্তব্য রাখেন সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি। ছবি: ভোরের কাগজ
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ১২৫ জন পোলিং এজেন্ট (নির্বাচন প্রতিনিধি) নিয়ে ‘মাস্টার ট্রেইনার রিফ্রেশার্স’র আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।
রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) তেজগাঁও শিল্প এলাকা ঢাকা জেলা শাখা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ প্রশিক্ষণ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় জানানো হয়, সারা দেশে শিগগিরই দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির উদ্যোগে সংসদীয় আসনভিত্তিক পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণের কাজ শুরু হবে। শুধু আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টদের এই প্রশিক্ষণ দেয়া হবে না।
প্রশিক্ষণ সভায় উপস্থিত ছিলেন- দলটির পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ উপ-কমিটির আহবায়ক সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, সদস্য সচিব এডভোকেট সানজিদা খানম, সাবেক আইজিপি ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ।
সভায় সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, পোলিং এজেন্টদের কাজ ভোটারদের অধিকার সংরক্ষণ করা। জাল ভোট (একজনের ভোট অন্য জনে দিয়ে দেয়া) প্রতিহত করা। ভোট কেন্দ্রে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আপত্তি জানানো।
২০০৭ সালের ভোটার তালিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ দূত সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, সেই সময়ের তালিকায় ১ কোটি ২১ লাখ ভুয়া ভোটার ছিল। এটা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এজেন্সির রিপোর্ট। এই তালিকা ক্রুটিমুক্ত করতে আওয়ামী লীগ সরকার ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়ন করেছে। ফলে পোলিং এজেন্টর কাজ অনেকটা সহজ হয়ে গেছে। ভোটকেন্দ্রে ভোটারকে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে নিলেই এজেন্টরা জাল ভোট প্রতিহত করতে পারবে।
সারা দেশ থেকে আসা পোলিং এজেন্টদের উদ্দেশ্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ভোট গ্রহণের দিন প্রিজাইডিং অফিসার বা অন্য কারোর নিকট নিয়োগপত্র দাখিলের সময় অথবা ভোট গ্রহণ ও ভোট গণনা শেষ হওয়ার আগে ভোট গণনার হিসাব বিবরণী বা অন্য কোনো খালি ফরমে অর্থাৎ সাদা কাগজে স্বাক্ষর করবেন না । প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে বা বুথে যে সকল ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে, সেগুলো ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পূর্বে খালি আছে কি না পরীক্ষা করে নিশ্চিত হবেন। ভোট প্রদানের জন্য ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের নিকট প্রদত্ত ব্যালট পেপারের অপর পৃষ্ঠায় অফিসিয়াল সিলমোহর এবং সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না তা যাচাই করে দেখবেন ।
জাল ভোটার সনাক্ত করা এবং জাল ভোট প্রদান রোধ করার জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করবেন। জাল ভোটের চ্যালেঞ্জ করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ১০০ (একশত) টাকার নোট সঙ্গে রাখবেন। ভোট গণনা শেষে ব্যালট পেপারের হিসাবের বিপরীতে নিজেরা স্বাক্ষর প্রদান করে এবং প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর নিয়ে কপি অবশ্যই সংগ্রহ করবেন।
