×

জাতীয়

তদন্ত কমিটি

সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ হয়নি

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ হয়নি

ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই কেনাকাটায় কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা ‘হরিলুট’ সংঘটিত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) কমিটির আহ্বায়ক ও হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের কমিটি স্পিকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে সংসদ ভবনের টানেলে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তদন্তের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংবাদে ৩টি লেন্সের দাম ৩৭ লাখ ৪১ হাজার টাকা বলা হলেও নথি অনুযায়ী প্রকৃত মূল্য ছিল ৩ লাখ ৭৪ হাজার ১০০ টাকা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক কমিটির কাছে ‘মুদ্রণজনিত ভুল’ হতে পারে বলে স্বীকার করেছেন। এছাড়া তদন্তে দেখা গেছে, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি এবং প্রতিটি পণ্যে কার্যাদেশ অনুযায়ী নিকন ব্র্যান্ডের নাম ও লোগো সঠিকভাবে ছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫ অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে ভ্যাট, ট্যাক্স ও ঠিকাদারের যৌক্তিক মুনাফা যুক্ত করে দাপ্তরিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

তবে কার্যাদেশে ক্যামেরার উৎপত্তিস্থল জাপান উল্লেখ থাকলেও সরবরাহ করা হয়েছে থাইল্যান্ডে তৈরি পণ্য। এ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তৎকালীন সচিব কানিজ মাওলার লিখিত অনুমতি নেওয়া হয়নি, যা একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি হিসেবে চিহ্নিত করেছে কমিটি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সংসদের গণসংযোগ শাখার সরঞ্জাম জরুরি ভিত্তিতে প্রতিস্থাপনের জন্য এই ক্রয় কার্যক্রম নেওয়া হয়েছিল।

এর আগে সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক পণ্য কেনাকাটায় অস্বাভাবিক ব্যয়ের অভিযোগ ওঠে। বাজারদরের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দামে ক্যামেরা ও ব্যাগ কেনা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদন সংসদের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নজরে এলে বিষয়টি তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের নির্দেশে গঠিত এই কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান। সদস্য হিসেবে ছিলেন ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, ঢাকা-১২ আসনের মো. সাইফুল আলম, চট্টগ্রাম-৭ আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী এবং কুমিল্লা-৪ আসনের হাসনাত আবদুল্লাহ।

গত ২১ এপ্রিল সংসদ সচিবালয়ের মানবসম্পদ শাখা-১ থেকে কমিটি গঠন করে অফিস আদেশ জারি করা হয়। তাদের সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে ডিএসসিসি প্রশাসকের শোক

সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে ডিএসসিসি প্রশাসকের শোক

‘এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা’

জ্বালানিমন্ত্রী ‘এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা’

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট

অভিযানে টের পেয়ে স্ত্রীর কাছে ইয়াবা রেখে পালালেন স্বামী

অভিযানে টের পেয়ে স্ত্রীর কাছে ইয়াবা রেখে পালালেন স্বামী

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App