‘ইশরাক ভাই সমালোচনাকে সাধুবাদ জানাবেন, নিজেকে শুধরে নিবেন’
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের উচিত সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে নিজেকে শুধরে নেওয়া বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের দৃঢ় অবস্থানের প্রশংসা করলেও আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার ঘটনায় ওঠা সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি ইশরাক হোসেনকে তরুণ ও উদীয়মান নেতৃত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। রাশেদ খাঁন লেখেন, রাজপথে সংগ্রাম করে সারা দেশের নেতাকর্মীদের মন জয় করার মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর আসনে বসেছেন ইশরাক। একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে তিনি বাংলাদেশকে মনেপ্রাণে ধারণ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁকে সব সময় সোচ্চার হতে দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাকের জোরালো অবস্থানের প্রশংসা করে রাশেদ খাঁন বলেন, মাদকসেবীদের আক্রমণের আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল বের করার ঘটনায় অনেকে সমালোচনা করছেন। তাঁর আশা, ইশরাক এই সমালোচনাকেও সাধুবাদ জানাবেন এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থেকে নিজেকে শুধরে নেবেন।
আরও পড়ুন: ‘হাসিনা সরকারের পথেই বর্তমান সরকার হাঁটছে’
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, মাদকসেবীরা অনেক সময় জনপ্রতিনিধি, পুলিশ কিংবা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের চিনতে পারে না। মাদকের ঘোরে তারা যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি মাসখানেক আগে গাজীপুরে মাদক কারবারিদের পাথর নিক্ষেপ করে পুলিশকে আক্রমণ এবং আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন।
তবে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও সচেতন থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ইশরাক হোসেনের জনসচেতনতামূলক উদ্যোগ নেওয়া উচিত বলে মনে করেন রাশেদ খাঁন। তাঁর মতে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হবে।
ইশরাকের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন বলেন, সমালোচনার বিষয়ে ইশরাক স্পষ্ট করেছেন, তিনি পুলিশকে খবর দিয়ে মাদকসেবীদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একই সঙ্গে মাদকসেবীরা যেন পালিয়ে যেতে না পারে, সে জন্য তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
দেশে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার এবং দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ব্যক্তিদের কারণে অভিযান পরিচালনায় দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। এ পরিস্থিতিতে মাদকের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও মনে করেন তিনি।
