×

আওয়ামী লীগ

জাতিসংঘকে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৭:১০ পিএম

জাতিসংঘকে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করেছিল জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় (ওএইচসিএইচআর)। এই সংখ্যাকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘অত্যন্ত ভুল’ বলে চ্যালেঞ্জ করেছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার (২৯ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডনের ডাউটি স্ট্রিট চেম্বারের আইনজীবী স্টিভেন পাউলস কেসির মাধ্যমে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন শেখ হাসিনা।

গত ২৮ মে পাঠানো ওই চিঠিতে দাবি করা হয়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টে ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হওয়ার যে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে তা বিভ্রান্তিকর।

চিঠিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারির প্রকাশিত সরকারি গেজেটে নিহতের সংখ্যা ৮৩৪ জন উল্লেখ করা হয়েছে, যা জাতিসংঘের দাবিকৃত সংখ্যার তুলনায় অনেক কম। এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিজস্ব হিসাবেও নিহতের সংখ্যা ৬৫০ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

জাতিসংঘের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্ট নিয়ে আওয়ামী লীগ শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে। তবে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখিত চিঠি ও এর তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। যদিও এনডিটিভি জানিয়েছে, তারা চিঠিটি সংগ্রহ ও যাচাই করেছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, শেখ হাসিনার আইনি দলের অভিযোগ- নিহতের সংখ্যা অতিরঞ্জিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এই তথ্যের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ‘গণহত্যাকারী’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

আরো পড়ুুন : দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান শেখ হাসিনা

চিঠিতে জাতিসংঘের তদন্ত প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আইনজীবী স্টিভেন পাউলস কেসি উল্লেখ করেন, তদন্তটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে পরিচালিত হয়েছিল।

এছাড়া চিঠিতে ড. ইউনূসের একটি পূর্ববর্তী মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, তিনি আন্দোলনকে একটি সুপরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল অপারেশন হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। আইনজীবীর মতে, এমন প্রেক্ষাপটে পরিচালিত তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। পরে ২০২৫ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়। শেখ হাসিনার আইনজীবীরা শুরু থেকেই বিচার প্রক্রিয়াটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন।

চিঠির শেষ অংশে জাতিসংঘকে উল্লিখিত তথ্য পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে প্রকাশ্যে সংশোধনী দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওএইচসিএইচআরের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আবাসিক হোটেলে গৃহবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত মালিক গ্রেপ্তার

আবাসিক হোটেলে গৃহবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত মালিক গ্রেপ্তার

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গোপনে অংশ নিয়েছিল আমিরাত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গোপনে অংশ নিয়েছিল আমিরাত

জাতিসংঘকে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

জাতিসংঘকে চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনার চিঠি

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক ব্যানার্জীর ওপর হামলা

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক ব্যানার্জীর ওপর হামলা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App