সোনারগাঁওয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন
আবদুস ছাত্তার, সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) থেকে
প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম
ছবি: কাগজ প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬টায় উপজেলা চত্বরে অবস্থিত স্বাধীনতার স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নান, উপজেলা প্রশাসন, সোনারগাঁও প্রেসক্লাব, সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে, যা দিবসটির গুরুত্বকে আরও বর্ণিল করে তোলে।

দিবসের দ্বিতীয় পর্বে সোনারগাঁও স্টেডিয়ামে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তোপধ্বনি ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান।
তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জাতির গৌরব ও আত্মত্যাগের স্মারক। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিকুর রহমান, সোনারগাঁও থানার ওসি মো: মহিববুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মেম্বার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সেন্টু,
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকারের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর চৌধুরী, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমি সুপারভাইজার কাজল তন্ত্রপাল, বিএনপি নেতা হারুন-অর-রশীদ মিঠু,যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুব বিষয়ক সম্পাদক নোবেল মীর ও পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
দিনব্যাপী এই আয়োজন ঘিরে পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
