×

ভারত

বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের আটকে রাখতে পশ্চিমবঙ্গে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম

বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের আটকে রাখতে পশ্চিমবঙ্গে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিতকরণ এবং পুশব্যাকের প্রক্রিয়া জোরদার করতে এক বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটকদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় 'হোল্ডিং সেন্টার' বা ডিটেনশন সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। গত শুক্রবার (২২ মে) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক বিভাগ এই সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে।

রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব এই আদেশটি রাজ্য পুলিশ প্রধান (ডিজিপি), পুলিশ কমিশনার, কলকাতার ফরেনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এবং সকল জেলার পুলিশ সুপারদের (এসপি) কাছে পাঠিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর হাতে আসা ওই আদেশে ভারতে অবৈধভাবে অবস্থানের দায়ে আটক বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের বিস্তারিত পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, "মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএ) গাইডলাইন অনুযায়ী, আটককৃত বিদেশি এবং সাজা শেষ করে মুক্তি পাওয়া বিদেশি বন্দিদের প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় রাখার জন্য জেলায় 'হোল্ডিং সেন্টার' স্থাপনের উদ্যোগ বা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।"

পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার অবৈধ অভিবাসন ইস্যুটিকে তাদের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে। প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকেই সরকার বাংলাদেশের সাথে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সকে (বিএসএফ) জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয় এবং এই কার্যক্রম অত্যন্ত দ্রুততার সাথে শুরু করা হয়েছে।

গত ২০ মে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, সরকার অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ক্ষেত্রে 'ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট' নীতি কার্যকর করবে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জোর দিয়ে বলেন, "যারা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) আওতায় আছেন, তারা এখানে নিরাপদ। তবে যারা সিএএ আওতায় নন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, তাদের রাজ্য পুলিশ গ্রেপ্তার করবে এবং বহিষ্কারের জন্য বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেবে। আমাদের নীতি হলো শনাক্ত করা, নাম বাদ দেওয়া এবং বহিষ্কার করা।"

এই নির্দেশের পর থেকে সীমান্ত এলাকাসহ সকল জেলার পুলিশ বাহিনীকে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে এবং অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, আটককৃত বাংলাদেশিদের এই হোল্ডিং সেন্টার বা ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের সাথে রাখা হবে। পরবর্তীতে তাদের বাংলাদেশে 'পুশ ব্যাক' করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর নজরদারিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান চান ফলকার টুর্ক

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ অটোরিকশার চার্জিং পয়েন্টের সঙ্গে জড়িত কারা, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুরোনো পাতায় নতুন গল্প: সোনাদীঘির অর্ধশতকের পাঠশালা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

পুলিশ সদস্যের বাসায় মিলল ৯০ হাজার পিস ইয়াবা

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App