×

আন্তর্জাতিক

ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নিতে নতুন হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

Icon

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০৪:২০ পিএম

ইরানের ইউরেনিয়াম দখলে নিতে নতুন হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি- সংগৃহীত

গত মাসে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের যৌথ প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকেই এই নতুন হামলা চালানো হতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই সম্ভাব্য অভিযানের একটি বিকল্প হতে পারে ইরানের মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ও পারমাণবিক উপাদান উদ্ধারে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী মোতায়েন করা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাসে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর এটি সবচেয়ে বড় ধরনের সামরিক প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য অভিযানের একটি বিকল্প হিসেবে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উদ্ধারে বিশেষ কমান্ডো বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হবে বলে সামরিক সূত্রগুলো সতর্ক করেছে। এতে অভিযানের এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে হতে পারে এবং ইরানি বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের আশঙ্কাও থাকবে।

আরেকটি সম্ভাব্য পরিকল্পনায় পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। পাশাপাশি ইরানের সামরিক ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে আরও বিস্তৃত বিমান হামলার বিকল্পও আলোচনায় আছে।

যৌথ অভিযানের মূল লক্ষ্য সম্পর্কে ইসরায়েলি সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব আগে জানিয়েছিল, ওয়াশিংটনের সহায়তায় এই অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া, পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি দূর করা এবং দেশটির ভেতরে সরকারবিরোধী পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে ৪০ দিনের তীব্র সংঘাতের পর গত মাসের শুরুতে যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়, তার আগ পর্যন্ত এই লক্ষ্যগুলোর কোনোটিই পুরোপুরি অর্জিত হয়নি।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বড় ধরনের হামলা চালায়। এর জবাবে তেহরানও ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর পাল্টা আঘাত হানে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। প্রায় পাঁচ সপ্তাহ রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

তবে ইসলামাবাদে স্থায়ী চুক্তির লক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা কোনো ফলপ্রসূ সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াই এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করেন, যার ফলে বর্তমানে উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর সাময়িক শান্ত পরিস্থিতি বজায় রয়েছে এবং পর্দার আড়ালে যুদ্ধ অবসানের কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

প্রতি উপজেলায় এআই ও ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টারের পরিকল্পনা

ফকির মাহবুব আনাম প্রতি উপজেলায় এআই ও ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টারের পরিকল্পনা

 ‘কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ আরো বাড়বে’

প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ আরো বাড়বে’

চলতি মাসেই চীন সফরের ঘোষণা পুতিনের

চলতি মাসেই চীন সফরের ঘোষণা পুতিনের

চীনে প্রথম ‘পান্ডা বন্ড’ ইস্যু করল পাকিস্তান

চীনে প্রথম ‘পান্ডা বন্ড’ ইস্যু করল পাকিস্তান

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App