জি এম কাদের
জাপার কবর কেউ রচনা করতে পারবে না
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
ছাব: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের করেছে, ‘যে যা–ই বলুক, অতীতেও পারেনি, ভবিষ্যতেও কেউ জাতীয় পার্টির কবর রচনা করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু জাতীয় পার্টিকে বাদ দিয়ে কেউ কিছু করতে পারবে না।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরের জাহাজ কোম্পানি মোড় এলাকায় রংপুর-৩ আসনে নির্বাচনী গণসংযোগে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে, গতকাল রোববার রাতে রংপুরের কাউনিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্বাচনী পথযাত্রায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ভারতের যে রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা জাতীয় পার্টি, তারা “না” ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই জাতীয় পার্টিকে ভোটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দাফন করতে হবে। তারা অলরেডি মৃত, ১২ তারিখ তাদের জানাজা হবে।’
এ বক্তব্যের জবাবে জি এম কাদের বলেন, ‘১৯৯০ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পদত্যাগের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অনেক রাজনৈতিক নেতা জাতীয় পার্টির কবর রচনার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে আল্লাহর রহমত ও জনগণের ভালোবাসার কারণে, বিশেষ করে রংপুরের মানুষ যেভাবে দলটিকে নিজেদের সন্তানের মতো আগলে রেখেছে, তার ফলে এসব প্রচেষ্টা কখনোই সফল হয়নি।’
জাতীয় পার্টি আগের চেয়ে আরও বেশি উজ্জীবিত ও সংগঠিত হয়েছে দাবি করে জি এম কাদের বলেন, ‘দলটিকে ধ্বংস করার নানা চেষ্টা হয়েছে, কিন্তু জাতীয় পার্টি নতুন উদ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ দলটিকে দমন করতে পারেনি। হুমকি, ধমক, জুলুম ও ষড়যন্ত্র চলছে এবং চলবে, এটা জেনেই তাঁরা এগিয়ে যাচ্ছেন।’
‘ভারতের রাজনৈতিক দলের বাংলাদেশ শাখা’—হাসনাত আবদুল্লাহর এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে জি এম কাদের বলেন, ‘কে কার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, তা এভাবে বলতে চান না তিনি। তবে বিষয়টি এখন জনগণের কাছে পরিষ্কার হচ্ছে। যাদের এজেন্ডা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তারাই বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির চেষ্টা করছে। এ ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ভুল বলা বা তার আগের সময়কে সঠিক হিসেবে তুলে ধরার মনোভাব দেখা যাচ্ছে, যা কোনো না কোনো দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দেয়।’
এ সময় জি এম কাদেরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এস এম ইয়াসিরসহ স্থানীয় নেতারা।
