×

আইন-বিচার

বিডিআর বিদ্রোহ: শেখ হাসিনা, জেনারেল আজিজসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৪, ০৫:৫৮ পিএম

বিডিআর বিদ্রোহ: শেখ হাসিনা, জেনারেল আজিজসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

ছবি: সংগৃহীত

২০০৯ সালের পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ মামলার আসামি বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) আব্দুর রহিমের কারাগারে মৃত্যুর ঘটনায় তৎকালীন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও সাবেক সেনাপ্রধান (হত্যাকাণ্ডের সময় বিজিবি প্রধান) জেনারেল আজিজ আহমেদসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যামামলা করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আক্তারুজ্জামানের আদালতে আব্দুর রহিমের ছেলে অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ এই মামলার আবেদন করেন। এ সময় বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেন। 

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক বিজিবি মহাপরিচালক ও সাবেক সেনাপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ এবং পিলখানা বিদ্রোহ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, সংসদ সদস্য শেখ সেলিম, নুর আলম চৌধুরী লিটন, শেখ হেলাল, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, হাসানুল হক ইনু ও ২০১০ সালের জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় কারাগারের তৎকালীন জেল সুপার এবং চিকিৎসক ডা. রফিকুল ইসলাম।

আরো পড়ুন: চিত্রনায়ক জায়েদ খান-জয়-সাজু খাদেমসহ আসামি ৫০

বাদীর আইনজীবী মো. দেলোয়ার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে আব্দুর রহিম ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ২০১০ সালের ২৯ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে আসামিরা হত্যা করেন। এ ঘটনায় তখন চকবাজার থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। আজ (রবিবার) আদালত আমাদের মামলার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, চকবাজার থানার সেই অপমৃত্যু মামলার নথি তলব করে আবেদনটি নথিভুক্ত করেছেন।

মামলায় বাদী অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা সরকার ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সুপরিকল্পিতভাবে বিদেশি এজেন্ট নিয়োগ করে ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে। পরে বিডিআর বিদ্রোহের অভিযোগে চকবাজার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। 

বাদী আরো অভিযোগ করেন, তার বাবা আব্দুর রহিম ডিএডি হিসেবে পিলখানায় কর্মরত ছিলেন। তাকেও বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় আসামি করে আটক করা হয়। পরবর্তীতে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে কারাগারে হত্যা করে।

আরো পড়ুন: আদালতে হাজির করা হবে টুকু, পলক ও সৈকতকে

তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবা আব্দুর রহিমকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানার মধ্যে হত্যার চেষ্টা করে কয়েকজন। কিন্তু সাধারণ সৈনিকেরা তার বাবাকে ভালোবাসতেন বিধায় তারা রক্ষা করেন। ২০০৯ সালের জুলাই মাসে কোনো একদিন ডিএডি আব্দুর রহিমকে পিলখানার ঢাকা সেক্টরের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে জেনারেল আজিজ ও আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজলসহ আরো কয়েকজন পিলখানার ঘটনার রাজসাক্ষী হতে বলেন। তাকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে রাজসাক্ষী হয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বলেন। আমার বাবা মিথ্যা স্বাক্ষী দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে বিডিআর বিদ্রোহের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। 

বাদী অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন, পরে ২০১০ সালের জুলাই মাসে অত্র মামলার বাদী ও তার পিতাকে জেলারেল আজিজ ও মোশারফ হোসেন কাজলসহ অন্য ৪/৫ মিথ্যা সাক্ষী দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে ও ভয়ভীতি দেখায়। কিন্তু বাদীর পিতা মিথ্যা সাক্ষী দিতে রাজী না হওয়ায়, আসামীদের হুকুমে অপরাপর আসামীরা ২০১০ সালের ২৯ জুলাই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বাদীর বাবার শরীরে ইনজেকশন পুশ করার মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়। পরিকল্পিতভাবে আসামিরা তার বাবাকে হত্যা করেছেন। পরে কারাগারে ডাক্তাররা স্ট্রোক করে মারা গেছে বলে সার্টিফিকেট দেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন

বিরোধীদলীয় নেতা বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন

ন্যু ক্যাম্পে ক্লাসিকোর উত্তাপ, ‘গোলমেশিন’ বার্সার বড় পরীক্ষা

ন্যু ক্যাম্পে ক্লাসিকোর উত্তাপ, ‘গোলমেশিন’ বার্সার বড় পরীক্ষা

গোপালগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের

গোপালগঞ্জে পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের

পেছাল ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেক বৈঠক স্থগিত পেছাল ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App