×

জাতীয়

হাদি হত্যা মামলায় জাবের কেন বাদী? প্রশ্ন বোনের

Icon

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম

হাদি হত্যা মামলায় জাবের কেন বাদী? প্রশ্ন বোনের

ছবি : সংগৃহীত

শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার বাদী হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিহতের বোন মাসুমা হাদি। তার দাবি, মামলার বাদী নির্বাচন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। একই সঙ্গে মামলার বাদীর স্বাক্ষর গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

মাসুমা হাদি জানান, পরিবারের বিরুদ্ধে অতীতে আরও গুরুতর ষড়যন্ত্র হয়েছে, তবে ভাইয়ের স্বার্থে তিনি এতদিন সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেননি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মামলার বাদী নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার কারণে বিষয়টি স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে মনে করেছেন। 

তিনি জানান, ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ঢাকায় এসে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ভাইকে ছেড়ে কোথাও যাননি।

এ অবস্থায় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা হাসপাতালে এসে জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিলেন কেন- এ প্রশ্নও তোলেন তিনি। তার দাবি, তিনি উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কীভাবে জাবের বাদী হলেন, সে বিষয়ে তাকে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। পরে তাকে জানানো হয়, নিহতের ভাই ওমর ফারুককে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি তখন চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা বলে পরে দেখার কথা বলেন।

মাসুমা হাদি উল্লেখ করেন, ওই সময় পরিবারের প্রধান মনোযোগ ছিল চিকিৎসার দিকে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ ফৌজদারি মামলায় বাদীর স্বাক্ষর গ্রহণের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা থাকা উচিত।

ওমর ফারুকের মানসিক অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হামলার সময় দুই ভাই একই রিকশায় ছিলেন। ঘটনার পর ওমরের পোশাক, শরীর ও ব্যবহৃত সামগ্রীতে রক্তের দাগ ছিল, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাই তুলে ধরে।

তিনি আরো প্রশ্ন তোলেন, পরিবারের কেউ নিরাপত্তাজনিত কারণে মামলার বাদী হতে চাননি- এ ধরনের তথ্য কোথা থেকে এসেছে। তার বক্তব্য, জাবের তাদের এলাকার ছেলে হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া কীভাবে তিনি বাদী হলেন, সেটিও স্পষ্ট হওয়া দরকার।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি জানান, ওসমান হাদির চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন, তবে পরিবার শুরুতে তাতে সম্মতি দেয়নি। তার দাবি, ভাইকে বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে নেন ওমর ফারুক। তিনি সিঙ্গাপুর ও পরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করেন এবং নিজ উদ্যোগে বিপুল অর্থ ব্যয়ে প্রস্তুতিও নেন।

পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জানার পর চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। দ্বিতীয় দফায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য আবেদন করা হলে তা অনুমোদিত হয় এবং ওসমান হাদিকে সেখানে নেওয়া হয়।

পোস্টের শেষাংশে মাসুমা হাদি বলেন, ব্যক্তিগত শোকের কারণে তিনি এতদিন এসব বিষয় প্রকাশ করতে চাননি। তবে পরিবারকে ঘিরে মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোয় তিনি বক্তব্য দিতে বাধ্য হয়েছেন। কারও সঙ্গে মতভেদ থাকলেও তথ্য যাচাই না করে পরিবারকে অসম্মান করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সাবস্ক্রাইব ও অনুসরণ করুন

বাজেট অধিবেশন বসছে রোববার

বাজেট অধিবেশন বসছে রোববার সংসদ এলাকা ঘিরে সমাবেশ-মিছিল নিষিদ্ধ

পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইলন মাস্ক

পাকিস্তানের বিচার ব্যবস্থার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ইলন মাস্ক

ঢাবির হলের মূল ফটকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শোক-ব্যানার

ঢাবির হলের মূল ফটকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শোক-ব্যানার

হাম উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু

সব খবর

সম্পাদক : শ্যামল দত্ত

প্রকাশক : সাবের হোসেন চৌধুরী

অনুসরণ করুন

BK Family App