তিস্তার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কা
কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। অন্যদিকে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদীর পানি লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুরের কয়েকটি এলাকায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের (এফএফডব্লিউসি) বৃষ্টিপাত, নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যবেক্ষণাধীন নদ-নদীর মধ্যে একটি নদীর একটি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করে রয়েছে।
এদিকে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী একদিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি লালমনিরহাট, নীলফামারী ও রংপুর জেলার কয়েকটি স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে নদীগুলোর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সুরমা ও কুশিয়ারা নদ-নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী একদিন পানি প্রায় স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিনে এসব নদীর পানি আরও কমার পূর্বাভাস রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে যমুনা নদীর পানি বিপরীতভাবে বেড়েছে। অবশ্য আগামী পাঁচ দিন যমুনার পানি কমতে পারে বলে জানিয়েছে পূর্বাভাস কেন্দ্র।
অন্যদিকে, গঙ্গা-পদ্মা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। আগামী পাঁচ দিন এ পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন দিন সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং এসব অঞ্চলের উজান এলাকায় মাঝারি থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
এদিকে ভারতের উত্তর ওড়িশা ও এর কাছাকাছি ঝাড়খণ্ড এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে।
